উপকরণ| পরিমাণ |
| পাকা টক বরই | ৫০০ গ্রাম |
| চিনি | ২ কাপ |
| লবণ | পরিমাণ মত |
| হলুদ গুড়ো | ১ চা চামচ |
| মরিচ গুড়ো | ১ চা চামচ |
| শুকনো মরিচ | ৫/৬ টি |
| পাঁচপোড়ন গুড়ো | ১ টেবিল চামচ |
| আদা বাটা | ১ চা চামচ |
| রসুনবাটা | ২ চা চামচ |
| তেজপাতা | ৩ টি |
| দারচিনি | ১ টুকরো |
| সরিষা বাটা | ২ চা চামচ |
| সরিষার তেল | ১ কাপ |

প্রথম ধাপ

আমি চুলায় আচার তৈরির জন্য একটি কড়াই বসিয়ে দিলাম। এরমধ্যে ১কাপ পরিমাণ সরিষার তেল দিয়ে দিলাম।
তেল কিছুটা গরম হয়ে এলে এরমধ্যে দারচিনি আর তেজপাতা ছিরে দিয়ে দিলাম।

দ্বিতীয় ধাপ

তারপরে এরমধ্যে আদা বাটা, রসুন বাটা আর সরিষা বাটা দিয়ে দিলাম। এগুলো দেয়ার পর কিছুক্ষণ ভেজে নিলাম।

তৃতীয় ধাপ

তারপরে আমি এরমধ্যে বরই দিয়ে দিলাম। আমি পূর্বেই এই বরই গুলোর বোটা ছাড়িয়ে নিয়েছিলাম।

বরই দেয়ার পর আমি খুন্তির সাহায্যে এগুলোকে মসলার সাথে মেশাতে থাকলাম।

চতুর্থ ধাপ

কিছুক্ষণ বরইগুলো নেড়েচেড়ে ভেজে নেয়ার পর এরমধ্যে হলুদ গুড়ো, মরিচ গুড়ো আর লবণ দিয়ে দিলাম।
তারপরে আবারও নেড়ে ভাজতে থাকলাম।
পঞ্চম ধাপ

তারপরে আমি ২ কাপ পরিমাণ চিনি দিয়ে দিলাম এই বরই এর মধ্যে। তারপরে ভালোভাবে নাড়তে থাকলাম যাতে চিনি গলে যায়।
এভাবে আমি বেশ কিছুক্ষণ ধরে ভাজতে থাকলাম এগুলোকে।
ষষ্ঠ ধাপ

ভাজতে ভাজতে এগুলো নরম হয়ে এলো।বরই এর মধ্যে কিছু বরই ভেঙে গিয়ে আঠালো ভাব হয়ে এসেছে। এরমধ্যে আমি শুকনো মরিচগুলো ভেঙে দিয়ে দিলাম।
সপ্তম ধাপ

তার পরে আমি শুকনো পাঁচপোড়ন গুড়ো দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে কিছুক্ষণ ভেজে নিয়ে আচার হয়ে এলে নামিয়ে নিলাম।

এই যে মুখরোচক বরই এর টক-মিষ্টি আচার তৈরি হয়ে গেল। আমি তো আর লোভ সামলাতে পারছি না।তাই খেয়েই নিলাম এই বরই এর আচার।


আশা করি আমার আজকের এই রেসিপিটি সবার কাছেই ভালো লাগবে।মতামত দিয়ে পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।
সবাই অনেক অনেক ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন। সবার জন্য আন্তরিক ভালোবাসা রইল। সম্পূর্ণ পোস্টে আমার ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। |

আমি তাহমিনা আক্তার বৃষ্টি। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় নিজের মনোভাব প্রকাশ করি। আমি নিজের মত করে সবকিছু করার চেষ্টা করি। আমি অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী। পড়ালেখার পাশাপাশি আমি বিভিন্ন জিনিস আঁকতে পছন্দ করি। বিভিন্ন ধরনের ছবি আঁকা, রঙ করা, নতুন নতুন কিছু তৈরি করা আমার পছন্দের কাজ। তবে রান্নাবান্না আমার ভালোলাগা, চেষ্টা করি সবসময় নিজে নতুনভাবে কিছু রান্না করার। ভ্রমণপ্রেমীদের মত আমিও ঘুরতে পছন্দ করি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।

💦
💦 BRISTY 💦
💦

আপু আপনার বড়ই এর আচার রেসিপি টি খুবই চমৎকার হয়েছে। দেখেই তো মুখে পানি চলে এসেছে ।খুবই সুস্বাদু হয়েছে নিশ্চয়ই। প্রতিটি ধাপ দেখে খুব সহজেই আপনার কাছ থেকে বরইয়ের আচার তৈরির রেসিপি শিখে নিলাম। আমি একদিন তৈরি করে দেখবো ।ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর মজার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
খুব সহজেই তৈরি করা যায় বলে এটি আমি প্রতিবারই তৈরি করে থাকি,খেতে খুব সুস্বাদু ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
খুবই লোভনীয় একটি বরইয়ের আচার তৈরীর পদ্ধতি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু। আপনার এই আচার তৈরীর পদ্ধতি কে দেখার পরে আমার জিভে জল চলে এসেছে। আচার তৈরির পদ্ধতির ধাপ আপনি আমাদের মাঝে খুবই সুন্দরভাবে বর্ণনা করেছেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে এমন সুন্দর একটা রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনার সুন্দর মন্তব্য পেয়ে খুবই ভালো লেগেছে ।এজন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
মুখরোচক স্বাদে টক মিষ্টি বরই এর আচার টি ভালো ছিল। প্রয়োজনীয় উপকরণগুলি সঠিক মাত্রায় তুলে ধরেছেন। প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন। আপনার জন্য শুভকামনা রইল আপু।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্য করার জন্য।
মুখরোচক স্বাদে টক-মিষ্টি বরই এর আচার দেখে তো লোভ সামলানো মুশকিল। অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে উপস্থাপনা করেছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো। এভাবেই এগিয়ে যান আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো
আচার দেখলে কারোই লোভ সামলানো যায়না। ভাইয়া ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য ।
বড়ই তো এমনিতেই দেখলেই জিভে পানি চলে আসে তার উপরে আচার তৈরি করলেন আপনি, এইবার পানি ধরে রাখতে পারলাম না, দেখে মনে হচ্ছে আচারগুলো অনেক সুস্বাদু হয়েছে। আমার কাছে খুবই ভাল লেগেছে আপনার আচারের রেসিপি। অসংখ্য ধন্যবাদ আপু আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
আচার দেখলে মুখে সবসময় পানি চলে আসে, আজকেও তার ব্যতিক্রম হয়নি আপু। আপনি খুবই লোভনীয় করে বরই এর টক মিষ্টি আচার তৈরি করেছেন দেখতে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। আর অনেক লোভনীয় লাগছে যে কারণে মুখে পানি চলে এসেছে। আর আপনি খুবই সহজ পদ্ধতিতে এই বরের আচার তৈরি করে দেখিয়েছেন। আচার আমার খুবই প্রিয় বাসায় একবার ট্রাই করে দেখতে হবে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
জি ভাইয়া আমারও আচার দেখলে মুখে পানি এসে যায় ।তাই ঘরের মধ্যে বেশিরভাগই কোন আচার তৈরি করে রাখি ।ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
লোভনীয় একটা জিনিস আপনি শেয়ার করেছেন আপনি। যা দেখামাত্রই একজন মানুষের জিভে পানি চলে আসবে। বড়ই আচার অনেক পছন্দের একটা আচার আমার। বাড়িতে এটি নিয়ে ভাত খেয়ে থাকি। আমার অনেক মজা লাগে খেতে এটি। আর আপনি অনেক সুন্দর করে এটি তৈরি করেছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
গঠনমূলক মন্তব্য করে উৎসাহিত করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
বরই আচার ওয়াও 😋দেখেই তো জিভে জল চলে আসলো কেমন যেন একটা টক টক ভাব খেতে মনে হচ্ছে ভারী সুস্বাধু হয়েছিল প্রসেস গুলো দারুন ভাবে উপস্থাপন করেছেন শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই ভাইয়া।গঠনমূলক মন্তব্য ভাগ করে নেয়ার জন্য ।
বরইয়ের আচার আমার আম্মু কিছুদিন আগে রান্না করেছিলেন এটি খেতে আমি খুবই ভালোবাসি । শীতকালে এটি অনেক মুখরোচর একটা খাবার । আপনি এই রেসিপিটা আমাদের মাঝে অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন আমার মনে হয় এই রেসিপিটা যে কেউ তৈরি করতে পারবে আপনার এই পোস্ট টা দেখে ধন্যবাদ আপনাকে।
জি ভাইয়া বরই এর আচার তৈরি করে থাকলে বারবারই খেতে ইচ্ছে করে ।আপনার মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
বরইয়ের আচার আমার খুব পছন্দের। আপনি আমাদের মাঝে লোভনীয় একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন আপু। ইচ্ছে করছে এখনই খেয়ে নেই। অনেক সুন্দর একটি রেসিপি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
যেকোনো আচারই লোভ লাগিয়ে দেয় ।অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য ভাগ করে নেয়ার জন্য।