উপকরণ| পরিমাণ |
| আলুকুচি | ৬ টি |
| গাজরকুচি | ২ টি |
| পেয়াজ কুচি | ১ টি |
| কাচা মরিচ ফালি | ২টি |
| টমেটো ফালি | ১ টি |
| লবণ | পরিমাণ মত |
| মরিচগুঁড়া | ২ চা চামচ |
| হলুদ গুড়ো | ১ চা চামচ |
| রসুন বাটা | দেড় চা চামচ |
| ধনেপাতা কুচি | পরিমাণ মত |
| রুইমাছ | ৪ টুকরো |
| চিংড়ি শুটকি | ১ কাপ |
| সয়াবিন তেল | ২ টেবিল চামচ |

আমি পূর্বেই আলু আর গাজরকে কুচি করে নিলাম।
এরপরে আমি শুটকিগুলোকে পানিতে ভিজিয়ে রাখলাম অনেক্ষণ এর জন্য।ভিজিয়ে রাখার পর এগুলোকে ভালোভাবে ধুয়ে নিলাম।
মাছের বড় টুকরোগুলোকে ছোট ছোট করে টুকরো করে নিলাম।
প্রথমে আমি চুলায় একটি পাতিল বসিয়ে দিলাম । এর মধ্যে ২ টেবিল চামচ পরিমাণ সয়াবিন তেল দিয়ে দিলাম।

তেল গরম হয়ে এলে আমি এর মধ্যে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ ফালি দিয়ে দিলাম। কিছুক্ষণ এগুলোকে ভেজে নিলাম। তারপরে দিয়ে দিলাম টমেটো কুচি।
কিছুক্ষণ ভেজে নেয়ার পরে আমি এর মধ্যে রসুন বাটা দিয়ে দিলাম। তারপর আমি আবারও কিছুক্ষণ ভাজতে থাকলাম।

এরপরে এরমধ্যে ধুয়ে রাখা চিংড়ি শুটকি গুলো দিয়ে দিলাম। তারপর আবার দিয়ে দিলাম ছোট করে কেটে রাখা মাছের টুকরোগুলো।
তারপর আমি হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো দিয়ে দিলাম। এগুলো দেয়ার পর আমি ভালোভাবে মাছ এবং শুটকি সাথে হলুদ, মরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে নিয়ে ভাজতে থাকলাম কিছুক্ষণ। প্রায় দুই থেকে তিন মিনিট পর্যন্ত আমি শুটকি আর মাছ ভেজে নিলাম।
এরপরে এর মধ্যে দিয়ে দিলাম কেটে রাখা আলু কুচি এবং গাজর কুচি। এগুলো দেয়ার পরে আমি ভালোভাবে সবগুলোকে মিশিয়ে দিলাম ,এবং এগুলোতে পরিমাণ মত লবণ দিয়ে ভাজতে থাকলাম।
সবগুলো উপকরণকে আমি নেড়েচেড়ে পাঁচ মিনিট পর্যন্ত ভেজে নিলাম।
এরপরে আমি এর মধ্যে পরিমাণ মত পানি যোগ করলাম। এরপরে আমি নেড়েচেড়ে দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে এগুলোকে সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করতে থাকলাম।
সিদ্ধ হতে হতে যখন পানি শুকিয়ে এলো তখন ধীরে ধীরে রান্না হয়ে এলো। তখনও আমি কিছুটা নেড়েচেড়ে রান্না করতে থাকলাম। এভাবে আমি প্রায় ১৫ মিনিট রান্না করার পরে এগুলো শুকিয়ে এলে এরমধ্যে ধনেপাতা কুচি দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে চুলা বন্ধ করে দিলাম।

এখন এগুলো সম্পূর্ণভাবে রান্না হয়ে গেল। আর আজকের দুপরের খাবারের সাথে এই সুস্বাদু তরকারি খাওয়ার জন্য প্রস্তুত।


আশা করি,আপনাদের কাছে অবশ্যই ভালো লাগবে আমার আজকের এই রেসিপি।
সবার সুস্থতা কামনা করছি। সবাই সবার আপনজনদের নিয়ে ভালো থাকবেন।

আমি তাহমিনা আক্তার বৃষ্টি। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় নিজের মনোভাব প্রকাশ করি। আমি নিজের মত করে সবকিছু করার চেষ্টা করি। আমি অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী। পড়ালেখার পাশাপাশি আমি বিভিন্ন জিনিস আঁকতে পছন্দ করি। বিভিন্ন ধরনের ছবি আঁকা, রঙ করা, নতুন নতুন কিছু তৈরি করা আমার পছন্দের কাজ। তবে রান্নাবান্না আমার ভালোলাগা, চেষ্টা করি সবসময় নিজে নতুনভাবে কিছু রান্না করার। ভ্রমণপ্রেমীদের মত আমিও ঘুরতে পছন্দ করি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।

💦
💦 BRISTY 💦
💦

বাহ দারুন তো এভাবে মাছের সাথে শুটকি কখনো ট্রাই করিনিতো, দারুন একটি আইডিয়া দিলেন আপু ।এভাবে দুটো মিলিয়ে রান্না করলে মনে হয় খেতে ভালই লাগবে ।আমি অবশ্যই খাবারটি বাসায় ট্রাই করবো ।আপনার খাবারটি দেখেই তো আমার লোভ লাগছে ।খুবই সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
ধন্যবাদ রইল আপু, বাসায় অবশ্যই ট্রাই করে দেখবেন।
শুটকি কখনো মাছ দিয়ে একসঙ্গে রান্না করা হয়নি। আপনার আজকের রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে যে শুটকির সঙ্গে মাছ দিয়ে রান্না করলেও খেতে খুব মজাদার হয়। আপনার রেসিপিটি খুবই লোভনীয় হয়েছে দেখতে। দেখে খেতে ইচ্ছা করছে। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য।
অনেক ধন্যবাদ আপু আমার রেসিপি পড়ার জন্য।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্য করার জন্য।
আলু এবং গাজর দিয়ে মাছ শুটকির অনেক মজাদার একটি রেসিপি আপনি আমাদের মাঝে অনেক চমৎকার ভাবে উপস্থাপন করেছেন আপু। শুটকি মাছ বরাবরই আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগে আপনার এর রেসিপি টা দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক সুস্বাদু এবং লোভনীয়। এত মজাদার এবং লোভনীয় একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ রইল ভাইয়া মন্তব্য ভাগ করে নেয়ার জন্য।
মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া
সকাল সকাল আপনার রেসিপি দেখি মন ভরে গেল এবং পেটের ক্ষুধাটা যেন আরো বেড়ে গেল। চিংড়ি মাছ আমার অত্যন্ত প্রিয় একটি মাছ। এই মাছটির একটি বিশেষ দিক হচ্ছে এটা খাওয়ার সময় দাঁতের নিচে সুন্দরভাবে ফুটে এবং পাওয়া যায় তা আমার কাছে খুবই মজা লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্য করার জন্য।
বাহ আপু আজকে আপনি আমাদের মাঝে একটি নতুন রেসিপি শেয়ার করেছেন। আপনি রেসিপিটা রান্না করেছেন দুই রকমের মাছ দিয়ে। আপনির রেসিপিটা রান্না দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে যাচ্ছি। আপনার রেসিপিটা ধাপে ধাপে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া
আপনার রান্না অনেক ভালো হয়েছে। অনেক সুন্দর ভাবে ছবিগুলো তুলেছেন যার কারনে আরো সুন্দর লাগছে। শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
ধন্যবাদ আপনাকে।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া
ওয়াও আপু অনেক সুন্দর একটি রেসিপি মাছ-শুটকি দিয়ে ঝাল ঝাল আলু-গাজরের রেসিপি । আপনার এসিপিটি দেখে মনে হচ্ছে একের ভিতর সব। রেসিপিতে মাছ ও শুঁটকি দুটোই। আপনার রেসিপির কালার দেখে তো জিভে জল চলে আসলো। না জানি খেতে কত সুস্বাদু হয়েছে। ধন্যবাদ আপু আপনাকে এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া,সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।