লাইফস্টাইল পোস্ট||নিভৃতের জন্য কিছু কেনাকাটা এবং আমাদের বাড়িতে যাওয়া।
♥️আসসালামুআলাইকুম♥️
আমি @bristy1, আমার বাংলা ব্লগ এর একজন সদস্য। আর আমার এই প্রিয় কমিউনিটির প্রিয় বন্ধুগণ, আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি৷সবার সুস্থতা কামনা করেই আজকের পোস্টটি শুরু করতে যাচ্ছি।
আজকে আপনাদের মাঝে একটা লাইফস্টাইল পোস্ট শেয়ার করার জন্য চলে এসেছি। আসলে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কত কিছুই না ঘটে। আর আমরা সব সময় কোনো না কোনো কাজের সাথে জড়িত হয়ে যাই। আমাদের প্রত্যেকটা দিন তো একই রকম যায় না।মাঝে কিছু স্পেশাল বা ভিন্নভাবে পার হয়। ঠিক তেমনি একটি ব্যস্তময় দিন আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে চলেছি।
ঘটনাটা প্রায় ১৫-২০ দিন আগের কথা। আমার জেঠা মারা যাওয়ার পর একদিন আমাদের ঘরে অনুষ্ঠান হয়েছিল। সেদিন মূলত আমরা আমার শ্বশুর বাড়ি থেকে আমাদের বাড়ির উদ্দেশ্যে গিয়েছিলাম। আমরা গিয়েছিলাম বারোটার দিকে কারণ যেহেতু আমার শাশুড়ি আমাদের বাড়িতে ছিল আর আমি ছিলাম আমার শ্বশুরবাড়িতে সেই হিসেবে কিছু কাজকর্ম ছিল। সেগুলো সেরে বের হতে হতে বারোটা বেজে গিয়েছিল। যাইহোক আমরা তিনজন বাইক নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম।
আর এদিকে আমার জন্য কিছু ঔষধ নিতে হবে। সেগুলো নেয়ার জন্যই ফার্মেসিতে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে দেখলাম ফার্মেসিতে আমার যে ওষুধ প্রয়োজন সেটা নেই। যেহেতু তিনি আমাদের পরিচিত হিসেবে তিনি বলেছেন আপনারা একটু বসুন আমি গিয়ে ওষুধ নিয়ে আসতেছি। যেহেতু প্রচন্ড গরম ছিল আর কারেন্ট ছিল না সেই হিসেবে ভাবলাম সেখানে না বসে একটা রেস্টুরেন্টে বসা যাক। সেখানে অন্তত ফ্যানের বাতাসের নিচে বসা যাবে।
যাই হোক ফার্মেসির একদম পাশেই বিসমিল্লাহ নামে একটা রেস্টুরেন্ট আছে। সেখানে আমরা তিনজন গিয়ে বসলাম। সকাল বেলা বাড়িতে ভারী কোনো নাস্তা করিনি। তখন নিবৃতেরও ক্ষুদা লেগেছে। তাই ভাবলাম তাকে একটা দই খাওয়াই। যেহেতু বাইরের অন্যান্য জিনিসগুলো আমরা তেমন একটা খাওয়ায় না। সেই হিসেবে একটা দই নিয়েছি আর ওর আব্বু কেক খেয়েছে। আমার আবার কেক দই কিছুই খেতে ইচ্ছে করছিল না। অন্যান্য ঝাল আইটেম থাকলে হয়তো খেতাম কিন্তু সেগুলো না থাকার কারণে ভাবলাম একটা আইসক্রিম খেয়ে নি। এজন্য আমি একটা চকবার আইসক্রিম নিয়েছিলাম । কারণ চকবার আইসক্রিমটাই আমার অনেক ফেভারিট।
যাই হোক সেখান থেকে ওষুধ নিয়ে আমরা সোজাসুজি বাড়িতে চলে গেলাম। দুপুর বেলা খাওয়া-দাওয়ার পর দেখলাম বাড়িতেও কারেন্ট নেই। আর এদিকে আমার হাতের কাজ রয়ে গিয়েছে। সেজন্য ভাবলাম খাওয়া-দাওয়া করে আমরা আবার রওনা দিব। যেই ভাবনা সেই কাজ যেহেতু আমাদের বাজারে আরও কিছু কাজ ছিল সেই হিসেবে আমরা ভাত খাওয়ার আধঘন্টা পরে রওনা দিয়েছিলাম।
যাইহোক বাজারে এসেই চলে গেলাম একটা বেবিশপে। সেখানে গেলাম মূলত কিছু কেনাকাটা করতে।কারণ নিভৃত যেহেতু ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে আর তার জন্য যে জামাগুলো কেনা হয় সেগুলোর সাথে থাকা প্যান্ট গুলো একদমই ছোট। তাই সেগুলো ওকে পরানো যায় না।আর আমি চেয়েছিলাম একটু সফট সুতির প্যান্ট গুলা কিনতে। যেহেতু গরম পড়ছে একটু ঢিলেঢালা পোশাক আর সুতির পাতলা পোশাকই ভালো সবার জন্য।
নিভৃতকে নিয়ে কখনোই শান্তিতে শপিং করতে পারি না।শপিংমলে ঢুকতেই তার কান্নাকাটি শুরু হয়ে যায়। আর এজন্যই বিরক্ত লাগে।তাই চেষ্টা করি একদম ঝটপট করে কাজ সেরে ফেলতে।আমরা যেহেতু আগে থেকেই দোকানটা চিনি তাই সেখানে গিয়ে আমাদের প্রয়োজনীয় প্যান্টগুলো বেছে নিলাম। আমি ২রকম ডিজাইনের আর ১০কালারের ১০টা প্যান্ট নিলাম। আর জামা দেখেছিলাম,তবে ওর এখনো অনেক জামা আছে যেগুলো পরা হয় নি। গরমের মধ্যে শুধুমাত্র পাতলা গেঞ্জি পরে,মাঝে মাঝে তো খালি গায়ে থাকে,হাহাহা।
যাইহোক শপিং শেষেই আমরা বাড়িতে ফিরে গেলাম। কারণ হাতে অনেক কাজ ছিল, সেগুলো করতে হয়েছিল। আজকের মত এতটুকুই ছিল। আবারো আপনাদের মাঝে অন্য কোনো বিষয় নিয়ে হাজির হবো।
♥️আল্লাহ হাফেজ♥️ |
|---|
আমি তাহমিনা আক্তার বৃষ্টি। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় নিজের মনোভাব প্রকাশ করি। আমি নিজের মত করে সবকিছু করার চেষ্টা করি। আমি বিভিন্ন জিনিস আঁকতে পছন্দ করি। বিভিন্ন ধরনের ছবি আঁকা, রঙ করা, নতুন নতুন কিছু তৈরি করা আমার পছন্দের কাজ। তবে রান্নাবান্না আমার ভালোলাগা, চেষ্টা করি সবসময় নিজে নতুনভাবে কিছু রান্না করার। ভ্রমণপ্রেমীদের মত আমিও ঘুরতে পছন্দ করি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
https://x.com/bristy110/status/1825191699305693304
আহলে সেদিন নিভৃত অনেক বিরক্ত করছিল তাই কিছুটা খারাপ লাগলো।আর গরম তো আমার একদম সহ্য হয় না। যাই হোক সর্বোপরি কেনাকাটা শেষে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারলাম এটাই অনেক ধন্যবাদ।
তোমাকেও অনেক ধন্যবাদ সবসময় এভাবে পাশে থাকার জন্য।