বাংলা ওয়েব সিরিজ রিভিউ : কারাগার -০১।।২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২।।
হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন?আশা করি ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমি আমার পোস্ট লেখা শুরু করছি।আজকে আমি একটা ওয়েব সিরিজের রিভিউ লিখতে চলেছি।আশা করি আপনাদের খারাপ লাগবে না।চলুন তাহলে শুরু করি।
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
পরিচালনা:সায়েদ আহমেদ সাওকি
সিরিজ চিত্রনাট্য:নেয়ামত উল্লাহ ,মাসুম
অভিনয়ে:
চঞ্চল চৌধুরী - ডেভিড চরিত্রে
আফজাল হোসাইন - মোহাব্বত আলী
ইন্তেখাব দিনার - মোস্তাক আহমেদ
তাসনিয়া ফারিন - মাহা
ও আরো অনেকে
সিরিজ প্রযোজনা:
সৌভিক দাশগুপ্ত
সালেহ সোবহান
তানিম নূর ও আরো অনেকে
সিরিজ মিউজিক:
রুসলান রেহমান
প্লট ও কাহিনী সংক্ষেপ: এই ওয়েব সিরিজের শুরুটা হয়েছে একটা সংকট সৃষ্টি হয়েছে জেলে।এই সংকট নিয়ে কমিশনার এর চাপে পড়ে যায় জেলার মোস্তাক সাহেব।জেলের একটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ লিক হয়ে যায়।সেই ফুটেজ এ দেখা যায় জেলের কয়েদি রা টাকার বিনিময়ে নারী সঙ্গ পাচ্ছে।কিন্তু কিভাবে এই ফুটেজ বাইরে বেরিয়ে গেলে সেটাই এই জেলের জেলার ও অন্যান্য পুলিশ অফিসার দের বোধগম্য হয় না।এইরকম একটা সংকট এর মুহূর্তে জেলের কয়েদি গণনায় একজন কয়েদি বেশি মনে হয়।খোঁজ নিয়ে দেখা যায় ১৪৫ নং সেলে একজন কয়েদি পড়ে আছে।
যে অভিশপ্ত সেলে ২০০ বছরের মধ্যে কেউ ছিলো না সেখানে কি করে এই কয়েদি এলো?এটা পুরো জেলে একটা বিশাল উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।জেলের অধিকাংশ কয়েদি মনে করতে শুরু করে বাবা পীর ফায়ার এসেছেন।আর জেলার ও অফিসাররা এই বোবা কয়েদির কাছে ঠিক তথ্য উদ্ধার করার জন্য বিশেষজ্ঞ মাহা কে নিয়ে আসনে।
মাহার সাহায্যে জানা যায় এই কয়েদি মীরজাফর কে বিষ দিয়ে হত্যা করে এখন ২০০ বছর এই ভাবেই জীবিত আছেন।এরপর ঘটে যায় বেশ কিছু ছোটখাট ঘটনা।এরপর এই জেলে একটি যুবক আসে এবং সে ওই রহস্যময় কয়েদির সাক্ষাৎ এর চেষ্টা করতে থাকে।একদিন সুযোগ এসে যায় এবং ওই যুবক কে দেখে রহস্যময় কয়েদি[চঞ্চল চৌধুরী] প্রথম কথা বলে ওঠেন।
রিভিউ
পরিচালক দারুন ভাবে পুরো কাহিনী তুলে ধরেছেন।একটা নির্মেদ শরীরের মতোই এই ওয়েব সিরিজের কাহিনী,যথাযথ।কোথাও মনে হয়নি পরিচালক বাড়তি কিছু দেখিয়েছেন।গল্পের ধারবাহিকতায় যা যা প্রয়োজন ,পরিচালক খুব দক্ষ ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।এই সিরিজের চিত্রনাট্য খুবই ভালো বলবো।এই সুন্দর চিত্রনাট্য পরিচালক কে গল্পটা দারুন ভাবে দর্শকদের কাছে উপস্থাপন করতে পেরেছেন।
চিত্রগ্রহণ,সাউন্ড,মিউজিক এর দারুন কাজ হয়েছে এই সিরিজে।তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ অভিনয় এই সিরিজের সবচেয়ে সেরা দিক।বাংলাদেশের বিখ্যাত অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী এই সিরিজকে তার অসাধারণ অভিনয়ের মহিমায় এক অন্য পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছেন।কারাগার সিরিজের এটা প্রথম পার্ট ,আর এখানে প্রায় পুরোটাই চঞ্চল কোনো ডায়লগ ছাড়াই অভিনয় করে গেছনে।নিজের চোখের অতিমানবীয় এক্সপ্রেশন দিয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী।
এছাড়া জল্লাদের ভূমিকায় আফজাল হোসাইনের অভিনয় ও নজর কেড়েছে।ইন্তেখার দিনারের অভিনয় ও ছিল একদম পেশাদারিত্বে পরিপূর্ণ।তাসনিয়া ফারিন ও নিজের সেরাটা দেয়ার দারুন চেষ্টা করে গেছেন।বিজলি বরকতুউল্লাহ ও অন্যান্যদের অভিনয় ও ভীষণ ভালো ছিল।
আমার নিজস্ব অভিমত
আমার নিজের কাছে মনে হয়েছে পরিচালনা ,অভিনয় ও চিত্রনাট্য ছিল এককথায় অসাধারণ।এছাড়াও মিউজিক,সম্পাদনা ও চিত্রগ্রহণ পেশাদারিত্বে পরিপূর্ণ ছিল।
রেটিং
আমি এই ওয়েব সিরিজটিকে সব দিক বিবেচনা করে ১০ এ ৮.৫ দিলাম
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

Beauty of Creativity. Beauty in your mind.
Take it out and let it go.
Creativity and Hard working. Discord

দাদা আজকে আপনি কারাগার ওয়েব রিভিউ করেছেন। এই ওয়েব সিরিজটি আমি অনেকদিন আগেই দেখেছি। সত্যি দাদা আজকে আপনার রিভিউ পড়ে খুবই ভালো লাগলো। আর চঞ্চল চৌধুরী অভিনয় ছিল অসাধারণ। সে অনেক পুরনো কয়েদি, তাকে নিয়ে সবাই হইচই শুরু হয়ে গিয়েছিলো।বিশেষ করে জেলের অন্যান্য কয়েদিরা মনে করেছিল সেই পীর বাবা হয়তো, সত্যিই এই কাহিনী গুলো আমার অনেক বেশি ভালো লেগেছে।
This post has been upvoted by @italygame witness curation trail
If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness
Come and visit Italy Community
যারা দেখে নি তাদের জন্য মনে হয় একটু স্পয়লার হয়ে গেলো😍।তবে যাইহোক এই সিরিজটা আমারও দারুন লেগেছে।তবে একটা ব্যাপার খারাপ লেগেছে যে তারা কোনো ঘটনারই ফিনিশিং টানে নাই।এটা রীতিমত দর্শকের উপর অত্যাচার।অন্তত যেকোনো একটা ঘটনার ফিনিশিং দিয়ে গেলে দর্শক একটু স্বস্তি পাইতো।যেটা সবগুলো সিরিজেই হয়।
এই সিরিজের বেশ কিছুদিন যাবত টেইলর দেখছিলাম।ইচ্ছে আছে এই ওয়েব সিরিজটি দেখার। আমার মনে হয়েছিলো বেশ রহস্যময় সিরি।অবাক লাগছে ২০০ বছর এই ভাবেই জীবিত আছেন।কেমনে কি😲।আর কথ বলতে পারে না,আবার এক যুবককে দেখে কথা বলে।আসলেই রহস্য ময়।টেইলর দেখেই মনে হয়েছিলো সকলেই বেশ ভালো অভিনয় করেছে।যাই হোক দাদা আপনার রিভিউ দেখে আমার আরো ইচ্ছে বেড়ে গেলো এই ওয়েব সিরিজ দেখার।ধন্যবাদ
এখন পযর্ন্ত দুইবার দেখেছি ওয়েব সিরিজটা। অসাধারণ একটা কাজ। সবার অভিনয় একেবারে সাবলীল ছিল। এবং কারাগার এর দ্বিতীয় পার্ট টার জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছি না। আপনি আরও কিছু বিষয় তুলে ধরেছেন যেগুলো আমার জানা ছিল না। ভালো ছিল দাদা আপনার রিভিউ টা।।
ওয়েব সিরিজ কারাগার নিয়ে কিছুদিন আগে খুব হইচই ফেলেছিল চঞ্চল চৌধুরী অসম্ভব সুন্দর অভিনয়ের জন্য । তাছাড়া খুবই জনপ্রিয় হয়েছে এই সিরিজটি। দেখার খুব ইচ্ছা ছিল সময়ের অভাবে পারছিলাম না। দাদা আপনার আজকের রিভিউ এর মাধ্যমে কিছুটা হলেও আইডিয়া পেলাম। সময় পেলে অবশ্যই একসময় দেখব। একজন অভিনেতা পুরো সময় কোন কথা না বলে শুধুমাত্র চোখের এক্সপ্রেশন দিয়ে এত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। নিশ্চয়ই সেরকমই অভিনয় করেছেন।
সত্যি দাদা এটা অন্যরকম একটা কৃতিত্ব ছিলো, পুরো সময়টা একটা উত্তেজনার মাঝে ছিলাম, একদম ঠিক শেষ মুহুর্তে এসে পুরো কাহিনী অন্য দিকে টার্ন দিয়ে দিলো। সত্যি বলতে আমি ওয়েব সিরিজ খুব একটা দেখি না, আসলে দেখার টাইম পাই না, কিন্তু অফিস ফাঁকি দিয়ে এটা দেখেছি।
আপনার রিভিউটি ভালো ছিলো, যারা এখনো কারাগার দেখে নাই, এটা পড়ে তাদের আগ্রহটা আরো বেড়ে যাবে। ধন্যবাদ
Hi @blacks,
my name is @ilnegro and I voted your post using steem-fanbase.com.
Come and visit Italy Community
কারাগার সিরিজটির জন্য অপেক্ষা করতে করতে আর দেখা হয়নি। দাদা আপনি খুব সুন্দরভাবে কারাগার ওয়েব সিরিজের প্রথম পর্বের রিভিউ দিয়েছেন। আপনার রিভিউ দেখে মনে হচ্ছে সিরিজ টি দেখতে হবে। আপনার নিজস্ব রেটিং ৮.৫ মানে আপনার কাছে খুব ভাল লেগেছে। ধন্যবাদ দাদা কারাগার টিভি সিরিজের প্রথম পর্ব এর সুন্দর রিভিউ শেয়ার করার জন্য।