ভালোলাগার ফোটোগ্রাফি।।০৩ মে ২০২৩
হ্যালো বন্ধুরা,কেমন আছেন? আশা করি ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমি আমার পোস্ট লেখা শুরু করছি।আজকে আমি কয়েকটি এলোমেলো ফোটোগ্রাফি নিয়ে হাজির হয়েছি।আশা রাখছি ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের ভালোই লাগবে। যাই হোক এই ফটোগুলো আমি বিভিন্ন সময়ে তুলেছিলাম।কয়েকটি ফটো আমি গতবারের জগদ্ধাত্রী পুজোর সময় তুলেছিলাম।চন্দননগর এ পুজো দেখতে গিয়েছিলাম তখন এই ফটো গুলো তুলেছিলাম।চন্দন নগর জগদ্ধাত্রী পুজোর সময় আলোকসজ্জার জন্য খুব বিখ্যাত।তাই জীবনে প্রথম বার গিয়েছিলাম এই সুন্দর সাজ্ দেখার জন্য।সত্যি বলতে হতাশ হইনি তবে যতটা শুনেছিলাম ঠিক ততটা নয়। যাই হোক ভালোই লেগেছিলো সময়টা কাটিয়ে।
বর্তমান সময়ে সবার হাতেই মোবাইল।তাই সামনে ভালো বা সুন্দর কিছু দেখলেই ফটো তুলতে ইচ্ছে করে।সেই দিক দিয়ে দেখলে আমি একটু অন্যরকম।যা দেখি তাই ফটো তুলতে ইচ্ছে করে না।তবে প্রকৃতির মধ্যে সব কিছুই আমার সুন্দর লাগে আর তাই আমি কিছু কিছু মোবাইল এ ধারণ করার চেষ্টা করি।
এটা সেন্ট্রাল এর মাঠে যে মেলাটা চলছিল কয়েকমাস ধরে সেখান থেকে তোলা।গত শীতকালে এই মাঠে গিয়েছিলাম মেলা দেখতে আর মেলায় বিশেষ করে শীতকালে পিঠে খেতে দারুণ ভালো লাগে।তাই আমরা কয়েকটি ভাপা পিঠা খেয়েছিলাম।খুব ভালো লেগেছিলো।
এটাও ওই মেলা থেকেই তোলা হয়েছিলো।মেলায় একটি নির্দিষ্ট স্থানে অনেক গুলো স্টল নিয়ে ফুড কোর্ট তৈরি করেছিল।সেখানে সব রকমের খাবারের স্টল ছিলো আমরা এই কাবাব আর মোমো অর্ডার করেছিলাম।খেতে খুব একটা সুস্বাদু ছিলো না এই কাবাব।
এটা লেক টাউনের একটি মেলায় স্বাগতা বন্দুক নিয়ে বেশ ভালোই লক্ষ্য ভেদ করেছিলো।আমি ও খেলেছিলাম কিন্তু দুঃখের বিষয় আমার ভাগ্য ভালো ছিলো না তখন।তবে বেশ মজা পেয়েছিলাম খেলে।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

Beauty of Creativity. Beauty in your mind.
Take it out and let it go.
Creativity and Hard working. Discord

স্বাগতা দিদির লক্ষ্য দেখি একেবারে স্থির। স্বাগতা দিদি তো একদম গুণবতী একজন মানুষ। তাই তো সব দিকে পারদর্শী। যাই হোক দাদা সুন্দর কিছু দেখলেই ফটোগ্রাফি করতে ইচ্ছে করে। হাতের কাছে মোবাইল ফোন থাকলে সুন্দর মুহূর্তগুলো ক্যামেরা বন্দি করে রাখতে ভালোই লাগে। অনেক অনেক শুভকামনা রইল দাদা।
প্রিয় দাদা অসাধারণ সুন্দর সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার তোলা প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে। বিশেষ করে,চন্দন নগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর আলোক সজ্জা ও প্যান্ডেল সজ্জার ফটোগ্রাফিটি আমার কাছে সবচাইতে বেশি ভালো লেগেছে। অনেক সুন্দর একটি ফটোগ্রাফি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
হ্যাঁ দাদা হাতে হাতে মুঠোফোন থাকায় সামনে কোন সুন্দর দৃশ্য থাকলেই সবাই সেটা ক্যামেরাবন্দি করে স্মৃতি হিসেবে রেখে দেওয়ার চেষ্টা করে। শীতকালের ভাপা পিঠা তৈরি করাটা এখন যেন মিস করছি আপনার এই পোস্ট দেখে সেটা আবার মনে পড়ে গেল। তবে দুঃখের বিষয় আপনি বন্দুক দিয়ে ভালোভাবে লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি কিন্তু দিদি সেটা পেরেছে। যাইহোক আপনাদের দুজনের জন্যই অনেক অনেক শুভকামনা রইল দাদা।
দাদা আপনার মতো আমিও সবকিছু মোবাইলে ধারন করি না।তবে প্রকৃতির মাঝে গেলে ভিন্ন কথা।আপনার ভালো লাগা কিছু ফটোগ্রাফি সত্যি ই খুব ভালো লাগলো। পূজোর আলোক সজ্জা,প্যান্ডেল সজ্জা ও অসাধারণ ছিল।ধন্যবাদ দাদা শেয়ার করে দেখার সুযোগ করে দেবার জন্য।
খাবারের ফটোগ্রাফি গুলা দেখলে খুবই লোভে পড়ে যাই। ভোজন রসিক বাঙালি খাবার খেতে সব সময় অনেক পছন্দ করে।।
আজকের ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ হয়েছে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে বিশেষ করে খাবারের ফটোগ্রাফি এবং একজন মহিলার কল থেকে পানি তোলার লাইটিং দৃশ্য সব থেকে বেশি ভালো লাগলো।।
দাদা আজকে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখেই যেন খুবই ভালো লাগলো। এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি সত্যি অসাধারণ। ভাপাপিঠার ফটোগ্রাফি এবং চিকেন কাবাব রেসিপি ফটোগ্রাফি গুলো সত্যিই আমার খুবই ভালো লেগেছে। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
দাদা প্রথমে আপনাকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপহার দেওয়ার জন্য। আপনার ক্যামেরাবন্দি করে ওঠানো প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি অসাধারণ ছিল। এগুলোর মধ্যে চিকেন কাবাব তৈরি হচ্ছে এই ফটোগ্রাফি টাই আমার কাছ থেকে অনেক ভালো লেগেছে। কারণ চিকেন কাবাব খেতে আমি অনেক বেশি ভালোবাসি। ধন্যবাদ দাদা।
দাদা, একটা কথা আছে না, লেডিস ফার্স্ট আর তাই হয়তো আমাদের স্বাগতা দিদি এয়ারগান দিয়ে বেলুন ফাটাতে লক্ষ্যভেদ করতে পেরেছিল। আর ভাগ্য আপনার সহায় ছিল না বলেই, লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। যাইহোক মজাতো করতে পেরেছিলেন এটা জেনে খুবই ভালো লাগলো। দাদা, আপনার ভালো লাগার ফটোগ্রাফি গুলো খুবই চমৎকার ছিল, শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো দাদা।
আপনি একদম সঠিক কথা বলেছেন দাদা বর্তমান সময়ে ফটোগ্রাফি নেওয়া অনেক সহজ হাতে যেহেতু হাতে মোবাইল থাকে ফটোগ্রাফি নিতে অনেক সহজ হয়। অনেক সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো নিয়েছেন বিভিন্ন সময়ের তোলা ফটোগ্রাফি গুলো দেখে দারুণ লেগেছে। বিশেষ করে ভাপা পিঠার এবং কাবাব তৈরির ফটোগ্রাফি দেখে তো বেশ ভাল লেগেছে। অন্যান্য ফটোগ্রাফি গুলো আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে।
সেন্ট্রাল মাঠের মেলাটা একটু বেশি সময় ধরেই চলেছিলো। তবে মেলা যতদিন ধরেই চলুক না কেন খাবার সব সময় সুন্দর 😁। খাবারের ছবি গুলো যেমন সুন্দর তেমনি উপাদেয় লাগছে।