হারিয়ে গেলো ডাইনোসর।।২৬ জানুয়ারি ২০২৪
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন?আশা করি ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমি পোস্ট লেখা শুরু করছি।
ডাইনোসর পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা ৬৬ মিলিয়ন বছর আগে ঘটা একটি বিশাল প্রাকৃতিক বিপর্যয়কে দায়ী করেন যা "ক্রিটেশিয়াস-প্যালিওজিন (K-Pg) বিলুপ্তি" নামে পরিচিত।ধারণা করা হয়, একটি বিশাল আকারের গ্রহাণু বা উল্কাপিণ্ড বর্তমান মেক্সিকোর ইউকাতান উপদ্বীপের চিক্সুলুব ক্রেটারে আঘাত করেছিল।এর ফলে সৃষ্ট বিশাল বিস্ফোরণ এবং ভূমিকম্প প্রচুর ধূলিকণা ও অ্যারোসল কণাকে বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে দেয় যা সূর্যালোককে আটকে দেয়।এই "পারমাণবিক শীতকাল" পুরো পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে।তাপমাত্রা নাটকীয়ভাবে কমে যায়, এবং উদ্ভিদবাহিত খাদ্যশৃঙ্খল ধ্বংস হতে শুরু করে।খাদ্যের অভাবে, প্রথমে তৃণভোজী এবং পরে মাংসাশী ডাইনোসরদের বেশিরভাগই বিলুপ্ত হয়।
পাশাপাশি, এই সময়ে পৃথিবীতে ব্যাপক আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতও চলছিল যা পরিবেশে প্রচুর পরিমাণে বিষাক্ত গ্যাস ছড়ায় এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও অম্লীয় বৃষ্টি সৃষ্টি করে।এই যুগের পরিবেশগত পরিবর্তনগুলি ডাইনোসরদের টিকে থাকার জন্য অত্যন্ত প্রতিকূল হয়ে ওঠে।তবে কিছু প্রজাতি, যেমন পাখিদের পূর্বপুরুষরা, এই কঠিন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে বেঁচে থাকতে পেরেছিল, এবং তাদের থেকেই বর্তমান পাখিরা বিবর্তিত হয়েছে।ডাইনোসরদের বিলুপ্তি পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা যা স্তন্যপায়ীদের আধিপত্যের পথ প্রশস্ত করেছিল।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

Beauty of Creativity. Beauty in your mind.
Take it out and let it go.
Creativity and Hard working. Discord

This post has been upvoted by @italygame witness curation trail
If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness
Come and visit Italy Community
ডাইনোসর হারিয়ে যাওয়া সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন প্রিয় দাদা। বর্তমান সময়ে যদি আবার গ্রহাণু বা উল্কাপিণ্ড পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে আঘাত হানে সেক্ষেত্রে বর্তমান পৃথিবীর অবস্থা আরো বেশি ভয়াবহ হতে পারে। আসলে দাদা এসব নিয়ে চিন্তা করলে বোঝা যায় যে আমাদের পৃথিবী গ্রহ এবং আমাদের সৌরজগৎ কতটা অদ্ভুত।
ডাইনোসরদের বিলুপ্তির কারণ হিসেবে খাদ্য অভাব এবং সূর্যের আলোকরশ্মি পৃথিবীতে না আসায় পৃথিবীর পরিবেশ ভারসাম্যহীন হয়ে যায় এবং পৃথিবীতে ডাইনোসরদের বাচার মত অনুপযোগী পরিবেশ তৈরি হয় যার ফলে ডাইনোসরের বিলুপ্তি হয় এই বিষয়গুলি জানতাম অবশ্য। কিন্তু আজকে বিস্তারিত ভাবে আপনার পোস্ট থেকে জানতে পারলাম ডাইনোসরদের বিলুপ্তির কারণ। সেসময়ের পরিবেশে কিছু পাখি নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পেরেছিল বিধায় আজকে পাখিকে দেখতে পাচ্ছি আমরা। মোটকথা আপনার আজকের পোস্টটি বরাবরের মতোই তথ্যবহুল ছিল। ধন্যবাদ দাদা অজানা কিছু বিষয়ে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
খুব সুন্দর পোস্ট শেয়ার করেছেন আজ। ডায়নোসররা এতো দানবীয় প্রাণী অথচ পৃথিবী থেকে একেবারেই ধুয়ে মুছে গেল। প্রকৃতি হয়ত এরকমই। এই ঘটনা আগেও পড়েছি। বিষয়টা জানতাম। আপনি সুন্দর গুছিয়ে লিখেছেন তাই আবারও ভালো লাগল পড়তে ।
ডাইনোসর বিলুপ্তির নানা কারন তুলে ধরেছেন দাদা।ডাইনোসর এতো বড় প্রানী হওয়া সত্বেও নানা প্রতিকূল অবস্থার কারনে টিকে থাকতে পারেনি।ধন্যবাদ দাদা বিষয়টি কে নিয়ে সুন্দর ভাবে ব্যাখা করার জন্য।
ডাইনোসর পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাওয়ার কারণগুলো আগেও পড়েছিলাম। তবে আপনি বেশ গুছিয়ে কারণগুলো আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন দাদা। বেশ ভালো লাগলো পোস্টটি পড়ে। যাইহোক বরাবরের মতো আজকেও এমন তথ্যবহুল একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
এই বিষয় নিয়ে তো দাদা এতো গভীরভাবে চিন্তা করিনি কখনো, ডাইনোসর বিবর্তন সম্পর্কে যে তথ্য গুলো দিয়েছেন, তা বেশ যৌক্তিক মনে হয়েছে। ভালো লাগলো লেখাটা।
ডাইনোসরের বিলুপ্তির কারণ মোটামুটি জানি। তবে মাঝে মাঝে ভাবতে থাকি যদি ডাইনোসর রা এখনও জীবিত থাকত তাহলে কেমন হতো। আমাদের মানুষের অস্তিত্ব থাকত নাকী। সুন্দর লিখেছেন দাদা।