জেনারেল রাইটিং।। আখের রস খেতে যাওয়ার অনুভূতি।
হ্যালো বন্ধুরা
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গণ আপনারা সবাই কেমন আছেন? আমি @biplob89 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ(২৩/১১/২০২৩) রোজ: বৃহস্পতিবার।
আসলামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধুগণ আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়া ও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আজকে সকাল থেকে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছি। আমি @biplob89 আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি জেনারেল রাইটিং।। আখের রস খেতে যাওয়ার অনুভূতি। তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে আজকের পোস্টটি শেয়ার করা যাক।
কালকে বিকেলে বাসা থেকে বের হয়ে একটু হাঁটাহাঁটি করেছিলাম। এর পরে এক বড় ভাই মোটরসাইকেল নিয়ে এসে বললো চলো আখের রস খেয়ে আসি। বড় ভাই ছুটিতে বাড়িতে এসেছেন। তিনি আমাদের সাথে একটু ঘোরাফেরা করছে খুবই ভালো লাগছে। তাই ভাইয়ের কথা ফেলতে না পেরে ভাইয়ের সাথে রওনা দিলাম। আমরা ভেবেছিলাম আমাদের গ্রামের পাশের গ্রামে হয়তো আখ রয়েছে কিন্তু আমরা যেয়ে দেখলাম এবার তারা আখের চাষ করে নি। আর এমনিতেই বিকেলের সময় ঘুরতে আমার খুবই ভালো লাগে বিশেষ করে বাইকে করে। কথা বলতে বলতেই আমরা বামুন্দিতে চলে গেলাম গিয়ে তেল পাম থেকে গাড়িতে তেল ভরে নিলাম। উপরে আপনারা যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন এটিই হচ্ছে বামুন্দির তেল পাম।
উপরে আপনারা যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন এই ছবিটি হচ্ছে বামুন্দি বাজার থেকে তোলা হয়েছে। বাজারে এসে আমরা গাড়ি পাশে স্ট্যান্ড করে একটু ঘোরাঘুরি করে দেখলাম কোথাও আখের রস পাওয়া গেল না। কি আর করার শেষ পর্যন্ত ওখান থেকে গাড়ি ব্যাক করলাম বড়া খাওয়ার উদ্দেশ্যে।
উপরে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন বড়ার ছবি। আসলে বাঁড়া গুলো খেতে খুবই স্বাদ লেগেছিল। আমরা ২০০ গ্রাম বরা এবং তিনটা চপ নিয়েছিলাম আমাদের মোট বিল হয়েছিল ৬৫ টাকা।
আসলে মেন রোডে কাজ চলছে আপনার উপরের ছবিটিতে দেখতে পাচ্ছেন রোড একটু ভেজা। আর যে কারণে বিশেষ করে বাইক চালানো খুবই কষ্টকর। যে কারণে রাস্তা পার হতে আমাদের বেশি সময় লেগেছিল।
তবে খুবই মজার একটি বিষয় হচ্ছে যখন আমরা বাড়িতে আসার উদ্দেশ্যে ওখান থেকে ব্যাক করলাম তখন পথের মাঝে হঠাৎ করে দেখতে পেলাম একজন ভ্যানে করে আখ বিক্রি করছেন। এরপরে সেখান থেকে ভাই একটা আখ কিনলো। একটা আখের দাম নিয়েছিল আমাদের থেকে ৪৫ টাকা। আমরা ভাবতেই পারছিলাম না যে আমরা আখ খেতে পারব এটাই বলে ভাগ্য। আমরা যেহেতু তিনজন ছিলাম তাই পুরা একটা আখ ৩ ভাগে ভাগ করে নিলাম।
এরপরে সেখান থেকে একটু দূরে এসে খোলা জায়গায় আমরা গাড়ি থামিয়ে এক পাশে রেখে আখ চিবাতে লাগলাম। সত্যি আখটি খেতে খুবই মজা লাগছিল। আর এমন একটা মজাদার সময়ে ক্যামেরাবন্দি না করে আর থাকতে পারলাম না। যাক শেষমেষে আমাদের আখ খাওয়ার আশা পূর্ণ হয়ে গেল। আসলে আখ চিবাতে খুবই ভালো লাগে।
আর সেখানকার আবহাওয়াটা ছিল খুবই সুন্দর এবং সন্ধ্যার কিছু আগ মুহূর্ত আর এমন একটা সময় অতিবাহিত করে যদি সেখান থেকে কিছু ছবি সংগ্রহ না করা হয় তাহলে যেন একটা অতৃপ্তি থেকে যায় তাই আবার আরেকটি সেলফি তুলে নিলাম।
আমি আজ কয়েকটি দিন খুবই ব্যাস্ততার সময় পার করছি। তারপরেও আমি আপনাদের মাঝে পোস্ট শেয়ার করছি। এটাই আমার ভালো লাগা আপনাদের ভালবাসা।
আজকের মতো এখানেই শেষ করছি।
আশা করি পোস্টটি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগেছে। সকলের মতামত অবশ্যই নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা।
আখের রস থেতে না পারলেও আস্ত আখ খেয়েছেন! ঘুরে ফিরে একই হলো। তার উপর বাড়তি খাওয়া হলো বড়া ও চপ। সঙ্গে ঘোরাঘুরি ফ্রি! আখের রস খেতে যেয়ে যে, আপনারা বেশ আনন্দ করেছেন, তা বুঝাই যাচ্ছে। পোস্টটি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া।
ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
আপনার বড় ভাই ঘুরতে আসায় তাকে নিয়ে আখের রস খেতে গিয়েছিলেন। কিন্তু অনেক খোঁজাখুঁজির পরও আপনারা আখের রস পান নি।অবশেষে ফেরার সময় রাস্তায় আখের পেয়েছিলেন। যাক নীরাস হতে হয়নি রস না পেলেও আখ তো পেয়েছেন। খুব ভালো লাগলো আপনার সুন্দর মুহূর্তটি পড়ে।
বড় ভাই এর সাথে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন। আমার কাছেও বাজারের পেয়াজু খেতে বেশ ভালোই লাগে।আখের রস আমার কাছেও ভালো লাগে তবে বাজারের গুলো খেতে কেমন জানি লাগে। যাই হোক বেশ ভালো হয়েছে। ধন্যবাদ
ইদানিং সব জায়গায় বেশ আখের রস খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে গেছে কিন্তু এখনো আমার আখের রস খাওয়া হয়নি। যায়হোক খুবই ভালো লাগলো সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করতে দেখে। আখের রস শরীরের জন্য কিন্তু খুবই উপকারী। তাই আমাদের কম বেশি আখের রস খাওয়া একান্ত প্রয়োজন।
আসলে ভাইয়া অনেক দিন পরে বাড়িতে এলে সত্যি ঘুরতে অনেক ভালো লাগে। তবে আখের রস খেতে তো আপনাদের অনেক দূর ঘুরতে হয়েছে দেখছি।যাই হোক অবশেষে আখের রস পেয়েছেন সেটা দেখে অনেক ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার আখের রস খাওয়ার অনুভূতি গুলো পড়ে অনেক ভালো লাগলো।
আখ খাওয়ার জন্য গিয়ে আখের রস না পেয়ে বড়া খেয়েছেন। এরপর হঠাৎ আখের দেখা।আখের রস খেতে পাননি তাঁতে কি আখ তো খেতে পেরেছেন। আসলে মনের আশা কোন না কোন ভাবে সৃষ্টি কর্তা পূরণ করে দেন।ধন্যবাদ সুন্দর মুহুর্তের ফটোগ্রাফি ও অনুভুতি গুলো শেয়ার করার জন্য।