বিকেলের কিছু মূহূর্ত।।
হ্যালো বন্ধুরা
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গণ আপনারা সবাই কেমন আছেন? আমি @biplob89 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ(২৫/০৮/২০২৩) রোজ: শনিবার ।
আসলামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধুগণ আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়া ও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আমি @biplob89 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি বিকেলের কিছু মূহূর্ত।সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়। তারপরে জরুরি কাজের জন্য গাংনীতে যায়।আজকে সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে।তারপরেও বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে গাংনীতে যায়।গাংনী পৌঁছাতেই বৃষ্টি আরো জোরে হওয়া শুরু করলো। তারপরে একটি দোকানে আশ্রয় নি। তারপরে গাংনীতে কাজ কমপ্লিট করে বাড়িতে আসি। তারপর একটু বিশ্রাম নেওয়ার পরে ভাবলাম একটা পোস্ট শেয়ার করা যাক। তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে আজকের পোস্টটি শেয়ার করা যাক।
কালকে বিকেলে একটু সময় পেয়েছিলাম। তাই অবসর সময়টা কাটানোর জন্য আমাদের মাদ্রাসার দিকে যায়। আমার সাথে আরো দুটো ছোট ভাই ছিল। আমি বাসা থেকে বের হয়েই ছোটদের সাথে দেখা। তারপরে ওদের বললাম চলো আমাদের মাদ্রাসাটা একটু ঘুরে আসি। তারপরে আমরা তিনজন মাদ্রাসার দিকে রওনা দিই। আমার বাসা থেকে মাদ্রাসাটা খুবিই নিকটে। আমার বাসা থেকে পায়ে হেঁটে মাদ্রাসাই যেতে পাঁচ মিনিট লাগে। উপরে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন জুগীরগোফা দারুল আমান দাখিল মাদ্রাসার একটি ব্যানার। আসলে রাস্তার পাশের এই গেটটি এখনো করা হয়নি।তবে অতিশীঘ্রই গেটটি হয়ে যাবে বলে আশা করা যায়। আসলে মাদ্রাসার কাজটি এখনো সম্পূর্ণ হয়নি তাই গেটের কাজটি এখন অসমাপ্ত আছে।
আপনার উপরে যেই ছবি দেখতে পাচ্ছেন এটি হচ্ছে আমাদের মাদ্রাসা। আপনার দেখতে পাচ্ছেন মাদ্রাসার কাজ এখনো পরিপূর্ণ হয়নি। দুই তালা বিশিষ্ট এই মাদ্রাসাটি এখন কেবল নিচ তলার কাজ চলছে। এই মাদ্রাসাটি স্থাপিত হয় ২০২১ সালে এবং ২০২১ সালের ১-লা জানুয়ারি থেকেই মাদ্রাসার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।এখানে বর্তমানে ১০০ জন বা তার ও বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। তবে এই শিক্ষার্থীর সংখ্যা আগামী বছরে আরো বেশী হবে বলে আমরা আশাবাদী। এই মাদ্রাসাটির সামনে রয়েছে প্রকৃতির এক সৌন্দর্যের হানি। এই মাদ্রাসার পাশেই রয়েছে কবরস্থান। মাদ্রাসাটির চারিপাশের দৃশ্যটা খুবই সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর।
মাদ্রাসাটির পাশে রয়েছে খেলার একটি মাঠ। আর এই মাঠ পেরিয়েই সবুজ শ্যামলে ফসলে ভরা এক বিশাল বড় মাঠ। আর এই মাঠে দেখতে পাচ্ছেন মাঠ ভরা ধানগাছ। আর এই মাঠে এক এক মৌসুমিতে এক এক পাখির আগমন ঘটে। আপনার উপরের ছবিটিতে দেখতে পাচ্ছেন এক ঝাঁক বালিহাঁস পাখি উড়ে যাচ্ছে। আর এই পাখি উড়ে যাওয়ার দৃশ্যটির একটি ছবি আমি আপনাদের মাঝে তুলে ধরেছি। আসলে পাখিগুলো আমাদের থেকে অনেক দূরে থাকাই পাখিগুলো ক্যামেরাই ভালো করে ধারন হয়নি। তবে খোলা চোখে পাখিগুলো উড়ে যাওয়ার দৃশ্যটা খুবই সুন্দর ছিল।
এরপরে আমি প্রায় ৪৪টি সিঁড়ি অতিক্রম করে মাদ্রাসার ছাদে উঠি। মাদ্রাসার ছাদে উঠার পরে আরো ভালো লাগলো। কারণ মাদ্রাসাই উঠতে বেশ একটু ক্লান্তি বোধ করেছিলাম। তারপরে মাদ্রাসাই উঠতেই বাতাসে মনটা ভোরে গেল।
আসলে নিচ থেকে মাদ্রাসার দৃশ্যটি যেমন সুন্দর লাগছিল কিন্তু ছাদে গিয়ে আরো অনেক সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করলাম। মাদ্রাসাটির ছাদে উঠে দেখি সবুজে ফসলে ভরা মাঠ যেন এক রূপ ধারণ করেছে। আর এই দৃশ্যটি দেখেই আমার ফোনে ধারণ করে আপনাদের মাঝে তুলে ধরেছি। তবে ছাদে উঠে বাতাসে মনটা খুবিই ভালো লাগছিল। আজকের পোস্টটি এখানেই শেষ করছি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনাই করি।
আশা করি পোস্টটি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে। সকলের মতামত অবশ্যই নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা।
আপনাদের গ্রামের মাদ্রাসাটি দেখতে বেশ সুন্দর লাগছে ভাইয়া। গ্রামে এরকম একটি মাদ্রাসা থাকা খুবই ভালো। দোয়া করি মাদ্রাসাতে যেন সামনে বছর আরো অনেক ছাত্রছাত্রী হয়ে। এটা আপনি ঠিকই বলেছেন মাদ্রাসার চারপাশে প্রাকৃতিক পরিবেশটা বেশ সুন্দর। এরকম একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
এত সুন্দর একটি মতামত প্রকাশ করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
বিকেল বেলায় তিনজন মিলে মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে গিয়েছিলেন এবং সেখানে গিয়ে খুব ভালো একটা সময় কাটিয়েছেন। মাদ্রাসা সম্পর্কে আমাদের বিস্তারিত কিছু তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।সর্বোপরি আমাদের মাঝে কিছু সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন যা অনেক ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ জানাচ্ছি এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আমার ফটোগ্ৰাফিগুলো আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম আপনাকে ও ধন্যবাদ।
সুন্দর একটি মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন যেখানে জুগীরগোফার দারুল আমান দাখিল মাদ্রাসার অনেক সুন্দর সুন্দর দৃশ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। পাশাপাশি কৃষকের সবুজ ফসলের মাঠ সব কিছু ছিল মন কাড়ানোর মতো।
এত সুন্দর মতামত প্রকাশ করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ভাইয়া।