আমাদের দেশের তথাকথিত দ্বিতীয় স্বাধীনতা নিয়ে আমার নিজস্ব মতামত। পর্ব:-০২.
হ্যালো বন্ধুগণ,
আমি @bidyut01. একজন বাঙালি ব্লগার।সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি।
আজ রবিবার। ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৪ ইং।
আসসালামু আলাইকুম।
আজ আমাদের দেশের শতকরা ৬০ ভাগ মানুষ অসহায় ভাবে জীবন যাপন করছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠী তাদের মৌলিক অধিকার থেকে প্রায় বঞ্চিত। আর বঞ্চিতই বা হবে না কেন, আমাদের দেশটা তো বর্তমানে দ্বিতীয় স্বাধীনতার নামে পরাধীনতায় আঁকড়ে ধরেছে। বর্তমানের অবস্থা এতোটাই বিপদজনক এবং অনাকাঙ্ক্ষিত যে, অতি সহজেই এক অন্যের বাড়ি লুটপাট করে নিয়ে যাচ্ছে, ঘরবাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দিচ্ছে, সুযোগ বুঝে নিজের প্রতিপক্ষকে হত্যা করছে--অথচ এর কোন বিচার নেই, নেই কোন নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যবস্থা। তবে এই সুযোগে দেশ থেকে মজা মেরে নিচ্ছে এক শ্রেণীর জনগোষ্ঠী। আর তারাই দিনরাত বলছে দেশের মানুষ খুব ভালো আছে।
আমাদের দেশের অর্থনীতির একটি সক্ষম চাকাকে পুরো অক্ষম করে দেয়া হয়েছে। বর্তমানে আমাদের দেশের শিক্ষা, চিকিৎসা-স্বাস্থ্য, আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রে অস্থিরতা, অরাজকতা এবং সীমাহীন লুটপাট চলছে। যেটা দেখার কেউ নেই কিংবা এই লুটপাট বন্ধ করারও কেউ নেই। শুধু এখানেই শেষ নয়, আমাদের দেশের সর্বস্তরে শুরু হয়েছে ক্যান্সারের মতো মারাত্মক ব্যাধি সিন্ডিকেট, আর এই সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে জীবন্ত বলি হয়ে যাচ্ছে আমাদের দেশের মধ্যবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত শ্রেণীর কোটি কোটি মানুষ। আজ আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ না খেয়ে থাকে। যেটা একটি স্বাধীন দেশের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক বিষয়।
আজ দ্বিতীয় স্বাধীনতার নামে আমাদের দেশকে যেভাবে পরাধীনতার চাদরে জড়িয়ে রাখা হয়েছে, সেটা যদি আগামী আরো কয়েক মাস অব্যাহত থাকে তাহলে হয়তো বাংলাদেশের একাংশ মানুষ খাওয়ার অভাবেই মারা যাবে। কেননা, দিন দিন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্য যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে সেটা সম্পূর্ণই অসহনীয় এবং অসহ্যনীয়। বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করার পর ২০২৪ সালের ০৫ ই আগস্টের পূর্ব পর্যন্ত আমাদের বাংলাদেশের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম এতো পরিমানে বৃদ্ধি হয়নি যেটা বর্তমানে আমরা ভোগ করছি। বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম আলুর দাম কেজি প্রতি সেঞ্চুরি স্পর্শ করেছে। যেটা আমাদের বাঙালি জাতির জন্য অত্যান্ত লজ্জাজনক, দুঃখজনক এবং হতাশাজনক।
https://x.com/bidyut01/status/1865774411477078173?t=4D2z3O4IOW4M-JgwkK1v9g&s=19
আজকের কাজ সম্পন্ন।
আপনার কথাগুলোর সাথে আমি একমত না। আমাদের দেশের মানুষ আগে যেমন ছিল এখনও তেমন আছে। মানুষ অনেক কষ্টে অনেক রাগে ক্ষোভে ৫ ই আগষ্ট রাস্তায় নেমে এসেছিল। ৫ ই আগষ্টের আগে আমরা কোন স্বর্গে ছিলাম না। বিচার বর্হিভূত কর্মকান্ড, চাঁদাবাজি, সবই ছিল তখন। মানুষের বিন্দুমাত্র বাক স্বাধীনতা ছিল না। কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে যেতে হয়েছে আয়না ঘরের মতো জায়গা।
আর আপনি লুটপাট বাড়িতে আগুন দেওয়ার কথা বলছেন। সত্যি করে বলুন আপনার নিজের এলাকায় এমন টা হয়েছে বা আপনার পাশের এলাকায়। এখন পযর্ন্ত আমি এমনটা দেখিনি।
হ্যা কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছিল এবং প্রায়ই ঘটছে। সেটা সবসময়ই হয়।
আপনার এলাকার কোন মানুষকে আয়না ঘরে গিয়েছে? আর আয়না ঘরটা বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?
এগুলো সবই গুজব আর মিথ্যাচার।
আর বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে লাশের মিছিল হচ্ছে, যেখানে সেখানে জীবন্ত মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে, যার কোন বিচার বাংলাদেশে হচ্ছে না, আর বাংলাদেশের যে সমস্ত অত্যাচার গুলো কার্যক্রম গুলো হচ্ছে সেগুলো কোনটাই বিচ্ছিন্নমূলক না, সবগুলোই পরিকল্পিত।