আমাদের গ্রাম অঞ্চলে এর আগে জ্বীনে ধরার গল্প খুবই শুনতে পেতাম। তবে বর্তমানে আর জ্বীনে ধরার গল্প কিংবা কাহিনী তেমন একটা শোনা যায় না। আমার কাছে মেয়েদের জ্বীনে ধরার বিষয়টা নিয়ে কেমন যেন একটা সন্দেহ রয়েছে। যাহোক, মেয়েটিকে জ্বীনে ধরার পরে সেই জীন গ্রামের মানুষের উপকার করতো, এটা জেনে বেশ ভালো লাগলো। আরো বেশি ভালো লাগলো আমার, পরবর্তীতে বড় হুজুরের কল্যাণী মেয়েটি জীনমুক্ত হয়ে আস্তে আস্তে সুস্থ হয়ে ওঠার কথাগুলো জানতে পেরে।
একদম ঠিক কথা বলেছেন আগে এরকম জ্বীন ধরার গল্প অনেক বেশি শোনা যেত এখন যদি অনেকটাই কম। ধন্যবাদ সুন্দর একটি মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।