আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সদস্যদের সাথে বঙ্গ এগ্রো কমপ্লেক্স পার্ক ভ্রমণ।
হ্যালো বন্ধুগণ,
আমি @bidyut01. একজন বাঙালি ব্লগার।সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি।
আজ রবিবার। ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২৫ ইং।
আসসালামু আলাইকুম।
সুপ্রিয় বন্ধুগণ, আপনারা সবাই আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা গ্রহণ করবেন। আমি আশা করি আপনারা সবাই মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে অনেক ভাল আছেন, সুস্থ আছেন এবং নিরাপদে আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান আল্লাহপাকের দয়ায় অনেক ভাল আছি। আজকে আমি আরো একটি নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি।
সুপ্রিয় বন্ধুগণ, গত বছরের ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝিতে আমাদের প্রিয় রকি ভাইয়া এবং তার পরিবার অর্থাৎ সোনিয়া আপু এবং তার মেয়ে আমাদের এলাকাতে ভ্রমণ করতে এসেছিলেন সুদূর ফেনী থেকে। তাদের সঙ্গে নিয়ে আমি এবং আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সকলেই আমাদের এলাকার সবগুলো গুরুত্বপূর্ণ স্থান ভ্রমণ করেছিলাম। যাহোক, রকি ভাইয়াদের সঙ্গে নিয়ে আমরা প্রথম দিনে ভ্রমণ করেছিলাম আমাদের এলাকার বিখ্যাত বঙ্গ এগ্রো কমপ্লেক্স পার্ক। বঙ্গ এগ্রো কমপ্লেক্স পার্ক ভ্রমণের সময় আমাদের সঙ্গে ছিল মোস্তাফিজুর, গোলাম কিবরিয়া, সুমন, ইমন। বঙ্গ এগ্রো কমপ্লেক্স পার্কে প্রবেশ করে প্রথমে আমি মুস্তাফিজুরের সঙ্গে নিয়ে টিকিটের বিষয়টা সমাধান করেছিলাম। কারণ এই পার্কে প্রবেশের জন্য একজন প্রতি ২০ টাকা করে টিকিট ক্রয় করতে হয়।
রকি ভাইয়া অনেকদিন আগেই আমাদের এলাকার এই বিখ্যাত পার্ক সম্পর্কে আমাদের নিকট থেকে জেনেছিল। পার্কটি আমাদের এলাকার প্রধান রাস্তার পাশেই অবস্থিত। এটা সম্পূর্ণ ব্যক্তি মালিকানাধীন একটি পার্ক। এই পার্কের প্রধান আকর্ষণ হলো:- পার্কের ভিতরে বড় বড় কুকুর রয়েছে এবং পুকুর পাড়ে রয়েছে সুন্দর সুন্দর ফুলের গাছ ও শোভা বর্ধনকারী গাছ। একই সাথে রয়েছে বড় একটি গেস্ট হাউস। এছাড়াও রয়েছে বেশ কিছু দেশীয় ও বিদেশী প্রজাতির ফল ও ঔষধি গাছ। আমরা পার্কের ভিতরে প্রবেশ করেছিলাম দুপুর 12:30 টার সময়।
পার্কের সৌন্দর্য দেখে আমরা সকলেই মুগ্ধ হয়েছিলাম। সব থেকে বেশি মুগ্ধ হয়েছিল রকি ভাইয়া এবং তার পরিবার। রকি ভাইয়া তো বিভিন্ন ফুলের সৌন্দর্য দেখে সেই ফুলের ফটোগ্রাফি করতে এক্কেবার ব্যস্ত হয়ে গেল। পাশাপাশি আমাদের সোনিয়া আপুও ফটোগ্রাফি করতে ব্যস্ত হয়ে গেল। একই সাথে আমরা সকলেই বিভিন্ন প্রকারের ফটোগ্রাফি করেছিলাম। পাশাপাশি আমরা বঙ্গ এগ্রো কমপ্লেক্স পার্কের সৌন্দর্য উপভোগ করেছিলাম। আসলেই পার্কের পরিবেশটা অত্যান্ত মনোরম। সব থেকে বড় বিষয় হলো এই পার্কের মধ্যে কোন মানুষ ধূমপান করতে পারে না। এটা পার্কের কর্তৃপক্ষ থেকেই পুরোপুরি নিষেধ। একই সাথে পার্কের মধ্যে যাতে কেউ কোনো প্রকারের খারাপ কাজে লিপ্ত না হতে পারে সেজন্য পার্কের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সর্বস্থানেই টহল দিচ্ছিল।
পার্কের মধ্যে ঘোরাঘুরি এবং ফটোগ্রাফি করা শেষ করে আমরা সকলেই একত্রে গোলাকৃতি হয়ে বসে ছিলাম। তারপর বিভিন্ন প্রকারের কথা আমরা একে অপরের সাথে শেয়ার করেছিলাম এবং হাসাহাসি করেছিলাম। শুধু তাই নয়, আমি রকি ভাইয়ের নিকট থেকে তাদের এলাকা সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম এবং আমাদের এলাকার সম্পর্কে রকি ভাইয়ের নিকট বর্ণনা দিয়েছিলাম। তারপর আমরা সকলেই একত্রে বসে দুপুরবেলায় খাবারটা বিকেল বেলায় খেয়েছিলাম। আসলে অতিথিদের সাথে ঘোরাঘুরি করলে কেমন যেন ক্ষুধাও নষ্ট হয়ে যায়। যাহোক দুপুর বেলার খাবারটা বিকেল বেলায় খেতে বেশ ভালোই লেগেছিল সেদিন।
খাওয়া-দাওয়া শেষ করে আমরা পুনরায় একত্রিত হয়ে বসে ছিলাম। ঠিক সেই সময় রকি ভাইয়া এবং সোনিয়া আপু আমাদের সকলের জন্য উপহার বের করেছিল। আসলে রকি ভাইয়া আমাদের সকলের জন্য একটি করে উপহার এনেছিল এবং সেগুলো ব্যাগের মধ্যে রেখে দিয়েছিল। খাওয়া-দাওয়া শেষেই সেই উপহারগুলো আমাদের দিয়েছিল। প্রথমে আমার হাতে উপহার তুলে দিয়ে উপহার দেওয়ার কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছিল সোনিয়া আপু। রকি ভাইয়া এবং সোনিয়া আপু নিকট থেকে আমার পছন্দের উপহার পেয়ে সত্যি আমি অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছিলাম।
রকি ভাইয়াদের নিকট থেকে উপহার পেয়ে আমি যে পরিমাণ আনন্দিত হয়েছিলাম সেটা হয়তো ভাষায় বোঝানো সম্ভব না। একই সাথে আমার মতো প্রত্যেকেই অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছিল উপহার হাতে পেয়ে। বঙ্গ এগুলো কমপ্লেক্স পার্কে আমরা সকলেই এভাবেই আনন্দ উল্লাসের মধ্য দিয়ে দিনে বেশিরভাগ সময়টাই কাটিয়ে দিয়েছিলাম এবং বঙ্গ এগ্রো কমপ্লেক্স পার্কের সৌন্দর্য উপভোগ করেছিলাম। তারপর সন্ধ্যার সময় পার্ক থেকে বের হয়ে রকি ভাইয়া এবং তার পরিবার আমাদের বাড়িতে এসেছিল। আর এটাই ছিল "আমার বাংলা ব্লগ" পরিবারের সাথে আমার কাটানো দারুন একটি মুহূর্ত। এই মুহূর্তটি আমার জীবনে মধুর একটি স্মৃতি হয়ে থাকবে।
আমার পরিচয়।
আমার নাম মোহাঃ নাজিবুল ইসলাম (বিদ্যুৎ)। আমি বাংলাদেশের নাগরিক এবং আমি অতিশয় ক্ষুদ্র জ্ঞানের একজন মানুষ। আমি মেহেরপুর জেলার ছোট্ট একটি গ্রামে বসবাস করি। আমি ২০২১ সালের আগস্ট মাসে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে কাজ শুরু করার মধ্য দিয়ে আমার স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে যাত্রা শুরু হয়। আমার স্টিমিট আইডি নাম (#bidyut01). প্রথম প্রথম স্টিমিট প্ল্যাটফর্মের কাজ কিছুই পারতাম না। কিন্তু আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির সম্মানিত ফাউন্ডার, এডমিন এবং মডারেটরদের সার্বিক সহযোগিতায় খুব সহজেই স্টিমিট প্ল্যাটফর্মের কাজ গুলো সম্পর্কে জানতে পারি ও শিখতে পারি। এরপর থেকে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটি সম্পর্কে আমার এলাকাতে আমি ব্যাপকভাবে প্রচার করি। যার পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমানে আমার এলাকার অনেকেই এখন আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সদস্য। যাহোক, এখন আমার মাতৃভাষায় লেখালেখি করতে আমার খুবই ভালো লাগে। যদিও আমার প্রধান পেশা শিক্ষকতা এবং পাশাপাশি মাছের চাষাবাদ করা। আমার পরিবারের মোট সদস্য সংখ্যা ৮ জন। আমার পরিবারের প্রধান হলো আমার বাবা ও মা। আমার পছন্দের কাজ সমূহ হলো-ছবি অঙ্কন করা, যেকোনো জিনিসের অরিগ্যামি তৈরি করা, বিভিন্ন প্রকারের রেসিপি তৈরি করা, কবিতা লেখা, ভ্রমণ করা ও ফটোগ্রাফি করা। আর একটু সময় সুযোগ পেলেই পুরনো দিনের মুভি গুলো দেখতে আমি খুবই পছন্দ করি।
১০% বেনিফিসারী প্রিয় লাজুক খ্যাকের জন্য বরাদ্দ।
আমার নাম মোহাঃ নাজিবুল ইসলাম (বিদ্যুৎ)। আমি বাংলাদেশের নাগরিক এবং আমি অতিশয় ক্ষুদ্র জ্ঞানের একজন মানুষ। আমি মেহেরপুর জেলার ছোট্ট একটি গ্রামে বসবাস করি। আমি ২০২১ সালের আগস্ট মাসে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে কাজ শুরু করার মধ্য দিয়ে আমার স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে যাত্রা শুরু হয়। আমার স্টিমিট আইডি নাম (#bidyut01). প্রথম প্রথম স্টিমিট প্ল্যাটফর্মের কাজ কিছুই পারতাম না। কিন্তু আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির সম্মানিত ফাউন্ডার, এডমিন এবং মডারেটরদের সার্বিক সহযোগিতায় খুব সহজেই স্টিমিট প্ল্যাটফর্মের কাজ গুলো সম্পর্কে জানতে পারি ও শিখতে পারি। এরপর থেকে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটি সম্পর্কে আমার এলাকাতে আমি ব্যাপকভাবে প্রচার করি। যার পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমানে আমার এলাকার অনেকেই এখন আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সদস্য। যাহোক, এখন আমার মাতৃভাষায় লেখালেখি করতে আমার খুবই ভালো লাগে। যদিও আমার প্রধান পেশা শিক্ষকতা এবং পাশাপাশি মাছের চাষাবাদ করা। আমার পরিবারের মোট সদস্য সংখ্যা ৮ জন। আমার পরিবারের প্রধান হলো আমার বাবা ও মা। আমার পছন্দের কাজ সমূহ হলো-ছবি অঙ্কন করা, যেকোনো জিনিসের অরিগ্যামি তৈরি করা, বিভিন্ন প্রকারের রেসিপি তৈরি করা, কবিতা লেখা, ভ্রমণ করা ও ফটোগ্রাফি করা। আর একটু সময় সুযোগ পেলেই পুরনো দিনের মুভি গুলো দেখতে আমি খুবই পছন্দ করি।
Twitter promotion link
আজকের কাজ সম্পন্ন।
আগেই সোনিয়া বই রকি ভাইয়ের পোস্ট পড়ে জেনেছিলাম ওনারা আপনাদের ওদিকে ঘুরতে গেছেন। এখন আবার আপনার পোস্ট পড়ে জানলাম এগ্রো কমপ্লেক্স পার্কে ঘোরার গল্পগুলো। সত্যিই ভীষণ সুন্দর সাজানো পার্ক। নানান ধরনের ফুল গাছ দেখলাম পান্থপাদপের গাছটা ভীষণ সুন্দর। আর আপনাকে অভিনন্দন জানাই কারণ সোনিয়া আপুর কাছ থেকে আপনি চমৎকার একটি উপহার পেয়েছেন।