নাটক রিভিউ // "বান্ধবীর ভাই" //
হ্যালো বন্ধুগণ,
আমি @bidyut01. একজন বাঙালি ব্লগার।সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি।
আজ রবিবার। ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ইং।
আসসালামু আলাইকুম।
youtube থেকে স্ক্রিনশট দিয়ে নেওয়া হয়েছে।
নাটকটির কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলী নিম্নে উপস্থাপন করা হলো:-
| নাটকটির নাম | বান্ধবীর ভাই। |
|---|---|
| পরিচালক | মহিন খান। |
| অভিনয়ে | নিলয় আলমগীর, জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি, জারা জোয়া, শেলী এহসান, এস কে রতন, সিদ্দিক মাস্টার, তামান্না আক্তার ও অন্যান্য জন। |
| ভাষা | বাংলা। |
| দৈর্ঘ্য | ৪৯.৩০ মিনিট। |
| দেশ | বাংলাদেশ। |
নাটকটির সারসংক্ষেপ।
youtube থেকে স্ক্রিনশট দিয়ে নেওয়া হয়েছে।
youtube থেকে স্ক্রিনশট দিয়ে নেওয়া হয়েছে।
তারপর মিম সরাসরি নাদিয়াদের বাসায় চলে যায় তার বড় ভাইয়ের কাছে ক্ষমা চাইতে। এদিকে নাদিয়ার বড় ভাই রাজ তাদের বাসায় মীমকে দেখে খুবই বিরক্ত বোধ করে। কিন্তু মিমের কথায় এবং মিমের আচরণে রাজের মা এবং বোন বেশ আশ্চর্য হয় এবং একরকম হাস্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তারপরে একদিন রাজ যখন রাস্তায় হাঁটছিল ঠিক এমন মুহূর্তে রাজকে দেখে মিম রিকশা থেকে নেমে আসে এবং রাজের সাথে কথা বলার চেষ্টা করে ও মেলামেশার চেষ্টা করে। কিন্তু রাজ তাকে কোন পাত্তা দেয় না।
youtube থেকে স্ক্রিনশট দিয়ে নেওয়া হয়েছে।
একদিন রাতে মিম রাজদের বাড়িতে যায় এবং রাজের বোন নাদিয়ার সাথে লেখাপড়া করার অজুহাত দেখিয়ে রাজ দের বাড়িতে কিছুক্ষণ থাকে। এরপর মিম কৌশল করে রাজের মায়ের নিকট থেকে অনুমতি নিয়ে নিল যে, রাজ যেন তাকে এই রাতে তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেয়। এরপর অত্যন্ত বিরক্তিবোধের সাথে রাজ মিমকে সঙ্গে নিয়ে রাতের বেলায় হাঁটতে লাগলো। এমন মুহূর্তে মিম রাজকে বিভিন্নভাবে তার ভালোবাসার কথা বোঝানোর চেষ্টা করলো কিন্তু কোন কাজ হলো না। তারপর মিম রাজকে অত্যন্ত অনুরোধ করে একটি টি-শার্ট গিফট করলো। কিন্তুটি শার্ট টি ছিল মিমের চুরি করা। পরের দিন যখন উক্ত টি-শার্ট পরিধান করে রাজ রাস্তায় এসেছিল তখন সেই টি-শার্টের প্রকৃত মালিক অর্থাৎ মিমের বাবা রাজের শরীর থেকে টি-শার্টটি খুলে নিয়েছিল। সেখানে চমৎকার একটি হাস্যকর পরিবেশও সৃষ্টি হয়েছিল।
youtube থেকে স্ক্রিনশট দিয়ে নেওয়া হয়েছে।
একদিন হঠাৎ করে মিম রাজদের বাড়িতে যায় এবং রাজের নিকট তার ভালোবাসার কথাগুলো সরাসরি প্রকাশ করে। মিমের ভালোবাসার কথা শুনে রাজ মিমকে সরাসরি বলে দেয় থাপড়াইয়ে তোমার দাঁত ভেঙে দেবো। রাজ আরো বলে, বোনের বান্ধবী কখনোই গার্লফ্রেন্ড বা বউ হতে পারে না, বোনের বান্ধবী বোন হয়। তারপর দারুণ একটি হাস্যকর ঘটনা সেখানে সৃষ্টি হয়। এরপর আরো একদিন নাদিয়ার পরামর্শে মিম ভালো রান্না করে নিয়ে আসে রাজের জন্য। কিন্তু সেখানে মিম বেশ অপমানিত হয় রাজের নিকট থেকে। এরপরে মিম তার বান্ধবী নাদিয়াকে একটি ছেলের সাথে প্রেম করতে দেখে এবং তাদের প্রেম করার দৃশ্য মোবাইলে ক্যামেরা বন্দী করে। এরপর নাদিয়ার প্রেমের কথা রাজ ও রাজের মায়ের কাছে প্রকাশ করে। কিন্তু তারা মিমের কথা বিশ্বাস করে না। কিন্তু মিম অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে বলে নাদিয়া একটি ছেলের সাথে প্রেম করে। আর তার কথা যদি সত্য হয় তাহলে রাজকে তার সাথে প্রেম করতে হবে অর্থাৎ মিমের সাথে প্রেম করতে হবে। শর্ত মেনে নিয়ে যখন সবাই মিমের দেওয়া ছবি দেখলো, এরপর সকলেই হেসে উঠলো। পরে মিম জানতে পারলো যে, নাদিয়ার সাথে প্রেম করা ইমরান নামের ছেলেটি হলো নাদিয়ার স্বামী। এরপর মিম অত্যন্ত হাস্যকর কিছু কথা বললো, যেগুলো শুনতে বেশ ভালো লেগেছিল। কিন্তু কথাগুলো ছিল মিমের বেশ হতাশা জনক কথা।
youtube থেকে স্ক্রিনশট দিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এরপর রাতে রাজ ঘুমের ঘরে অত্যন্ত ভয়ংকর একটি স্বপ্ন দেখে। স্বপ্নটি ছিল মিম রাজকে কিডন্যাপ করে তার ইজ্জত হরণ করার চেষ্টা করছে। এরকম দুঃস্বপ্ন দেখে রাজ চিৎকার করে ঘুম থেকে জেগে উঠলো। রাজের চিৎকার শুনে রাজের মা ও তার বোন রাজের ঘরে ছুটে আসলো। তারপর রাজের কথা শুনে তারা সিদ্ধান্ত নিলো যে, খুব দ্রুত রাজকে অন্য পাত্রীর সাথে বিয়ে দিবে। তাই তারা পরিবারের সকলে সুন্দর একটি পাত্রী দেখতে পাত্রীর বাড়িতে গেল। ঠিক এমন মুহূর্তে মিম তার বান্ধবী নাদিয়ার কাছে মোবাইল করে বললো যে, সে তার ভাইয়ের জন্য ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করবে এবং এর জন্য দায়ী থাকবে একমাত্র তার ভাই। এ কথা শুনে, রাজ ও রাজের মা ও বোন খুব দ্রুত মিমদের বাড়িতে চলে আসলো। তারপর সেখানে দারুণ একটি হাস্যকর ঘটনা সৃষ্টি হলো। আসলে মিম রাজকে বিয়ে করার জন্য এরকম একটি নাটক সাজিয়েছিল। এরপর মিমের প্ল্যান সফল হলো এবং রাজের সাথে মিমের বিয়ে হয়ে গেল।
youtube থেকে স্ক্রিনশট দিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বিয়ে সম্পন্ন করার পরে রাত্রে যখন মিম রাজের সাথে বাসর করতে চায় তখন রাজ রাজি হয় না। রাজ বলে, তোমার সাথে বাসর করতে আমার আনইজি লাগছে। যতদিন তোমাকে আমি বোন থেকে বউ না ভাবছি ততক্ষণ পর্যন্ত তোমার সাথে আমার বাসর হবে না। রাজ আরো বলে, মনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলে না। তারপর রাজ বাসর করা বাদ দিয়ে ঘুমোতে চলে যায়। এদিকে মিম রাজ রাজ বলে ডাকতে লাগে কিন্তু রাজ উত্তর দেয়-হবে না কোন কাজ। এরপর মিম বলতে লাগলো, হায় হায় বান্ধবীর ভাই, আর কত জালাবি? এরপর নাটকটি শেষ হয়ে যায়।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
নিলয় আলমগীর এর নাটক গুলো মাঝে মধ্যে দেখা হয়। এদের দুজনের জুটি বেশ সুন্দর। এদের অভিনয় আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। বেশ হাসি আসে নাটক গুলো দেখলে। যদিও এই নাটকটি দেখা হয়নি। তবে আপনার রিভিউ দেখে ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে ভাই।
ভালো লাগার মত একটি নাটক আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখে খুবই ভালো লেগেছে। আমি নাটক রিভিউ দেখতে পছন্দ করি নিজেও নাটক রিভিউ করতে পছন্দ করি, ঠিক তেমনি একটা দারুন নাটক আমি আপনাদের মাঝে রিভিউ করে থাকি। তবে এ জাতীয় ছোট ছোট নাটকগুলোকে হাস্যকর হয় আবার শিক্ষনীয় হয়ে থাকে। চমৎকার ছিল আপনার নাটক রিভিউ করা।
এই নাটকটি আমি দেখেছিলাম৷ আজকে আপনার কাছ থেকে এই নাটক এর রিভিউ দেখতে পেরে খুব ভালো লাগলো৷ এখানে নায়িকা যখন প্রথম নায়ককে দেখতে পায় তখন থেকে সে তার প্রতি পাগল হয়ে যায়৷ অনেক যুদ্ধ করার পরে নায়ককে তার জীবনে পায়৷ শেষের দিকে সে আত্মাহত্যার অভিনয় করে নায়ককে বিয়ে করে নিয়েছিল৷ সেই দৃশ্যটি অনেক ভালো লেগেছিল৷ অসংখ্য ধন্যবাদ এরকম সুন্দর একটি নাটকের রিভিউ শেয়ার করার জন্য৷
বান্ধবীর ভাই খুব সুন্দর একটি নাটকের রিভিউ শেয়ার করেছেন। এই জুটির অভিনয় গুলো আমার কাছে বেশ ভালো লাগে। বান্ধবীর ভাই নাটকটি দেখা হয়নি। সময় করে নাটকটি দেখার চেষ্টা করব। নাটকের রিভিউ টি পড়ে আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। সুন্দর একটি নাটকের রিভিউ শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
নিলয় আলমগীরের নাটক গুলো এমনিতেই অনেক বেশি হাস্যকর হয়ে থাকে এবং অনেক ভালো লাগে। নিলয় আলমগীর এবং হিমির জুটিটা আমার অনেক ভালো লাগে। বান্ধবীর ভাইয়ের সাথে প্রেম করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু করতে পারেনি। পরবর্তীতে প্ল্যান করে বিয়ে করে নিয়েছিল, কিন্তু নিলয় দেখছি তখনও তাকে বোন ভাবতেছে। বান্ধবীর ভাই নাটকটা যদিও এখনো আমার দেখা হয়নি, তবে রিভিউর মাধ্যমেই পুরো কাহিনীটা জেনে নিতে পেরেছি। সময় পেলে দেখার চেষ্টা করব এই নাটকটা।
এরকম হাস্যকর এবং শিক্ষনীয় নাটকগুলো দেখতে বেশি ভালো লাগে। নাটক গুলো দেখে বেশ মজা পাওয়া যায়। আবার সেখানে অনেক কিছু শেখার থাকে। যাক মিম প্লান করে হলেও তার ভালোবাসার মানুষটিকে বিয়ে করতে পেরেছে। নাটকটি আসলেই বেশ ভালো লাগলো আমার কাছে। সময় পেলে দেখতে হবে। ধন্যবাদ ভাইয়া শেয়ার করার জন্য।