মাইসুন এর সাথে কাটানো প্রথম ঈদ
হ্যালো বন্ধুরা
সবাইকে ঈদ মোবারক
হ্যালো বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আমি এখন সব সময় ভিন্ন ভিন্ন পোস্ট করার চেষ্টা করি। সবসময়ই ভিন্ন ধরনের পোস্টগুলো করতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই আজকে মাইসুন এর সাথে ঈদ কাটানোর মুহূর্তটা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আপনারা অনেকেই হয়তো আমার মেয়ে মাইসুনের কথা জানেন। আমার বোন অথবা ভাইয়ের থেকে হয়তো শুনেছেন অনেকেই। কিন্তু আমি নিজে এখনো পোস্টের মাধ্যমে আপনাদেরকে জানাতে পারিনি। তাই আজকে ঈদ উপলক্ষে ভাবলাম মাইসুনের কিছু ছবি আর কিছু কথা আপনাদের সাথে শেয়ার করি। আশা করব মাইসুনের সাথে প্রথম ঈদ কাটানোর সুন্দর মুহূর্তটা আপনাদের অনেক ভালো লাগবে।
প্রথমে জানাই আপনাদের সবাইকে ঈদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আশা করি এবার সবারই ঈদটা অনেক হাসিখুশি ভাবে কেটেছে। আলহামদুলিল্লাহ আমারও আমার মেয়ের সাথে ঈদটা এবার অনেক ভালোভাবে কেটেছেন। আপনারা সবাই হয়তো জানেন আমার মেয়ে মাইসুনের কথা। আমার মেয়ে মাইসুনের বয়স আজকে ১৭ দিন। মাইসুনের সাথে আমার সবাই এইবার প্রথম ঈদ কাটালাম। পরিবারে একজন যদি নতুন সদস্য আসে তাহলে সবাই অনেক হাসিখুশি ভাবে ঈদটা কাটাতে পারেন। আমার নিজের কাছেও নিজের মেয়ের সাথে প্রথম ঈদ কাটিয়ে অনেক ভালোই লাগলো।
আসলে ছোট্ট মুখটা দেখতে আমার নিজের কাছেই অনেক ভালো লাগে। আমি তো কখনো কখনো চিন্তা করতে থাকে এই ছোট ছোট হাত পা গুলো কবে যে বড় হবে কে জানে। যাই হোক মাইসুনের এর সাথে এবার ঈদ কাটাতে পেরে অনেক আনন্দিত আমি। এইবারে আমি আমার নিজের বাবার বাড়িতে ঈদ করলাম মাইসুনের সাথে। সকালে তো মাইসুন অনেক তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে পড়েছে। আমি তো তাকে দেখে ভেবেছি হয়তো সে জানে আজকে ঈদ তাই তাড়াতাড়ি উঠে গিয়েছে। আমিও মাইসুনের তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠা দেখে আমিও উঠে গেলাম। তারপর মাইসুনকে তাড়াতাড়ি করে রেডি করে ফেললাম।
কয়েকদিন আগে তার বাবা তার জন্য সুন্দর জুতো সুন্দর জামা আর মাথার কেপ কিনে নিয়ে আসলো। তাকে ঈদের দিন পড়ানোর জন্য। এমনিতেই মাইসুন এর জন্মের পর থেকে আজ কয়েক দিন ধরে মাইসুনের অনেক সুন্দর সুন্দর জামা গিফট পড়েছে। কিন্তু তার বাবার ইচ্ছে ঈদের দিন যে যেন তার বাবার কেনা জামাগুলো তাকে পড়াই। তাই আমিও দেরি না করে মাইসুনকে খুব সুন্দর ভাবে রেডি করে দিলাম। তারপর রকি ভাইয়ের জন্য অনেকক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে লাগলাম যাতে মাইসুনের কিছু ছবি তুলে দেয়। তারপর রকি ভাইয়া এসে মাইসুনের খুব সুন্দর সুন্দর কিছু ছবি তুলে দিল।
যেই ছবিগুলো আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। তারপর মাইসুনের সুন্দর কিছু ছবি তোলা হয়ে গেলে সবাইকে বলতে লাগলাম মাসুনকে ঈদের সালামি দেওয়ার জন্য। তারপর তার নানা-নানু , মামা-মামী , আন্টি এবং কি রকি ভাইয়া মাইসুনকে ঈদের সালামি দিতে লাগলো। মাইসুন তো খুবই ছোট তাই কেউ টাকা হাতে দিলে টাকাগুলো মোট করে হাতের মধ্যে ধরে রাখতেছে। ওটা নিয়ে সবাই অনেক হাসাহাসি করতেছে। ছোট্ট মাইসুন কে নিয়ে সবাই খুশিতে খুবই মাতোয়ারা হয়ে আছে। এইভাবে সবাই মাসুম কে ঈদের সালামি দিতে লাগলো। কিন্তু নাশিয়া মাইসুনকে হঠাৎ করে সবার সালামি দেওয়া দেখে ও তার হাত থেকে সালামি দিতে লাগলো।
কিন্তু নাশিয়া মাইসুমকে সালামি দিয়ে কেন জানি আবার টাকাগুলো নিয়ে গেল। ওটা দেখে সবাই তো অনেক হাসতে লাগলো। এইভাবে সবাই অনেক খুশি হয়ে গেল।মাইসুনের প্রথম ঈদ এবার অনেক ভালোভাবেই কেটেছে। আপনারা সবাই হয়তো রকি ভাইয়া অথবা সনিয়া আপুর থেকে মাইসুনের কথা শুনেছেন। কিন্তু আমি আপনাদের সাথে মাইসুনের ব্যাপারে ভালোভাবে এখনো কিছুই তেমন শেয়ার করতে পারলাম না। তাই আজকে ভাবলাম মাইসুনের এই সুন্দর ঈদ কাটানোর মুহূর্ত টা আপনাদের সাথে শেয়ার করি। আমরা সবাই মাইসুনের সাথে প্রথম ঈদ কাটাতে পেরে অনেক আনন্দিত হয়েছি। বিশেষ করে তার দাদা-দাদী আর বাবা অনেক খুশি।
মাইসুনের বাবা তো মাইসুনকে নিয়ে অনেক চিন্তা করতে থাকে। কারণ মাইসুর তার নানার বাড়িতে সুন্দর ভাবে ঈদটা পালন করতে পেরেছি কিনা। কারণ এইবারে মাইসুন ও তার নানার বাড়িতে প্রথম ঈদ পালন করল। যাই হোক মাইসুনের সাথে আমরা সবাই এবার প্রথম ঈদ পালন করতে পেরে অনেক আনন্দিত। তাই মাইসুন এর সাথে প্রথম ঈদ কাটানোর মুহূর্ত টাও আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। আশা করি মাইসুনের প্রথম ঈদ কাটানো দেখে আপনাদের অনেক ভালো লাগবে। সবাই ভালো থাকবেন। আর সবার জন্য ঈদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল। সবাইকে ঈদ মোবারক।
আমার নাম আকলিমা আক্তার মুনিয়া। আর আমার ইউজারনাম@bdwomen আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। বাংলা ভাষা হল আমাদের মাতৃভাষা আর আমি মাতৃভাষা বলতে পারি বলেই অনেক গর্বিত। আমি বিভিন্ন ধরনের ছবি এবং পেইন্টিং আঁকতে খুবই পছন্দ করি। তার পাশাপাশি কবিতা আর গল্প লিখতেও আমার অনেক ভালো লাগে। আমি প্রায় সময় বিভিন্ন ধরনের পেইন্টিং এঁকে থাকি। আবার রঙিন পেপার এবং বিভিন্ন রকমের জিনিস দিয়ে নানা ধরনের কারুকাজ তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে। আবার নিজের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ছবি তুলতে খুবই ভালো লাগে। আমি চেষ্টা করি সব ধরনের জিনিস কখনো না কখনো একবার করে করার জন্য। আবার বিভিন্ন ধরনের আইডিয়া মাথায় আসলে সেগুলো ও করার চেষ্টা করি।
https://twitter.com/bdwomen2/status/1649777904212152325?t=YuVvTGv3KAIIiRScDPhbyQ&s=19
মাশাল্লাহ!! মাইসুন কে খুবই সুন্দর লাগছে দেখতে। প্রথম ছবিটার মধ্যে তো দেখছি খুব সুন্দর হাসি দিয়েছে। মাইসুনের কথা আজকেই প্রথম আপনার পোষ্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম। জেনে সত্যিই খুব ভালো লাগলো। ঠিকই বলেছেন, পরিবারের নতুন সদস্য থাকলে ঈদের আনন্দটাই অন্যরকম। নাশিয়া আর মাইসুমের কথা শুনে আমারও খুব হাসি পেলো। যাইহোক, আপনারা সবাই ভালো থাকুন এই কামনাই করি।
আসলে নাশিয়ার কান্ড কারখানা দেখে সবাই হাসতে হাসতে শেষ। আপনার উৎসাহ মন্তব্য দেখে অনেক খুশি হলাম।
মাইসুনের কথা সোনিয়া আপু এবং রকি ভাইয়ের কাছ থেকে শুনেছিলাম। তবে আপনার পোস্টের মাধ্যমে মাইসুনের ব্যাপারে পড়ে আরও বেশি ভালো লাগলো। নতুন পোশাকে মাইসুনকে অনেক কিউট লাগছে দেখতে। আর রকি ভাই তো বরাবরই খুব ভালো ফটোগ্রাফি করে। মাইসুন তো তাহলে সালামি ভালোই পেয়েছে। আবার নাশিয়া মাইসুনকে সালামি দিয়েও নিয়ে গিয়েছে হা হা হা। যাইহোক দোয়া করি মাইসুন সবার ভালোবাসা নিয়ে বড় হোক এবং মানুষের মতো মানুষ হোক। বিশেষ দিনে বিশেষ পোস্ট পড়ে খুব ভালো লাগলো আপু। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
কয়েকবার নাশিয়া মাইসুনকে সালাম দিয়ে শুধু নিয়ে যায়।
রকি ভাইয়াদের কাছ থেকে আগে জেনেছেন শুনে ভালো লাগলো।
ঈদ মোবারক আপু। মেয়েকে নিয়ে আজ খুব সুন্দর ভাবে ঈদের দিনটি কাটালেন পড়ে খুব ভাল লাগলো। ছোট হাত, পা এক সময় বড় হয়ে যাবে, তখন ইচ্ছে করবে ছোট সেই মেয়েটিকে।এমনই হয় আপু।আপনার মেয়ের মতো আমিও সালামী পেয়েছি আপু।আবার বাচ্চাদের সবাইকে দিয়েছি ও।সুন্দর কিছু অনুভূতি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
চেষ্টা করেছি সুন্দরভাবে মাইসুনকে নিয়ে সবকিছু লেখার জন্য। কিন্তু লেখার সময় কোন না কোন কিছু যেন লিখতে ভুলে যাই।
মাইসুনের মিষ্টিমুখ দেখে সত্যিই ভালো লাগলো। আপু আপনি আপনার মেয়ের সাথে প্রথম ঈদ উদযাপন করেছেন জেনে ভালো লাগলো। তার বাবার দেওয়া জামাগুলো তাকে পরিয়ে দিয়েছেন দেখে সত্যিই ভালো লেগেছে। নাশিয়া মাইসুমকে সালামি দিয়ে আবার টাকাগুলো নিয়ে গেল ভেবে হাসি পাচ্ছে। আপু আপনার মেয়ের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
রকি ভাইয়া মাইসুন এর সুন্দর ছবিগুলো তুলে দিয়েছে।
নাশিয়ার কান্ড দেখে সবাই অনেক হাসতেছিল।
মাশাল্লাহ মেয়ের ছবিতে দেখতে অনেক কিউট হয়েছে আল্লাহ অনেক দীর্ঘ হায়াত দান করুক সেই কামনা করি। পরিবারের প্রথম সদস্য মাইসুনের সাথে ঈদ পালন করার মুহূর্তটি বেশ ভালই হয়েছে আপনার। সত্যি আপু বাচ্চাদের সাথে ঈদ পালন করতে বেশ ভালোই লাগে। আগে নিজেদের কথা চিন্তা না করে বাচ্চাদের কথা চিন্তা করতে হয় সবকিছুর ক্ষেত্রে।
আসলেই মাইসুনকে নিয়ে এভাবে অনেক ভালোই কাটলো। পরিবারে নতুন সদস্য আসলে আসলেই এতটা ভালো লাগে সেটা জানা ছিল না আগে।
ঈদ মোবারক, আপু। আপু আপনার ছোট ফুটফুটে মেয়ে মাইসুনের সাথে আপনার প্রথম ঈদ উদযাপনের লেখাগুলো পড়ে আমার খুবই ভালো লেগেছে।আর নাশিয়া মাইসুমকে সালামি দিয়ে আবার টাকাগুলো নিয়ে নিয়ে গেল এটা জানতে পেরে আমি হেসে উঠলাম। ঈদের আনন্দের দিনের মতো প্রতিটি দিন আনন্দে পরিপূর্ণ হয়ে উঠুক আপনার মেয়ের জীবন। আমি দোয়া করি মহান আল্লাহতালা যেন আপনার মেয়েকে দীর্ঘ আয়ু দান করেন।
মাইসুনকে নিয়ে আসলে অনেক সুন্দর ভাবে কাটিয়েছে।
আপনারা সবাই মাইসুন এর জন্য দোয়া করবেন।
ওলে ওলে কি মিষ্টি হাসি 🥰🥰🥰। আপু এই বছরে আপনার এই ঈদে শ্রেষ্ঠ উপহার হলো মাইসুন। আমার মনে হয় আপনার সমস্ত অনুভূতি হয়তো আপনি লিখেও শেষ করতে পারেন নি। আর এটা কখনো সম্ভবও নয়। লেখা গুলো সত্যিই খুব মজা নিয়ে পড়ছিলাম আপু। দোয়া করি মাইসুন যেন সুস্থ ভাবে বেড়ে ওঠে এবং ওর মায়ের থেকেও যেন বেশি গুণী আর ক্রিয়েটিভ হয় ❤️🙏।
আসলেই এই বছরের ঈদটা অনেক ভালই কাটালাম মাইসুনকে নিয়ে। আপনারা সবাই এভাবে মাইসুন এর জন্য অনেক অনেক দোয়া করবেন।
মাইসুন নানার বাড়িতে এবার প্রথম ঈদ পালন করলো। অনেক কিউট লাগছে দেখতে মাইসুনকে।মাইসুনের সালামি দেওয়ার ব্যাপার টা ভালোই লেগেছে আপু।বাচ্চারা টাকা মুট করে ধরেই রাখে।নাশিয়া সালামি দিয়ে আবার ফেরত নিয়ে গেল হাহা,বাচ্চাদের কাজই আসলেই হাসির।ধন্যবাদ আপু সুন্দর মুহূর্ত গুলো শেয়ার করার জন্য।
নাশিয়া কয়েকবার সালামি দিয়ে শুধু নিয়ে যায়।
আপনি ঠিক বলেছেন মাইসুনকে কেউ সালামী দিলে সে টাকাগুলো মুঠ করে ধরে রাখে।
সোনিয়া আপুর পোস্টের মাধ্যমে জেনেছিলাম আপনার মেয়ের কথা আমি। মেয়ে তো অনেক কিউট হয়েছে মাশাআল্লাহ্ ❤️ কি সুন্দর হাসি দিয়েছে। আসলে আপু নিজের সন্তানকে চোখের সামনে বড় হতে দেখতে পাওয়ার মত সুখ পৃথিবীতে নেই। আর আপনি তার সাথে প্রথম ঈদ কাঁটিয়েছেন। এভাবে হাজারো ঈদ তার সাথে আপনি কাটান এই প্রত্যাশাই করি।
ঠিক বলেছেন আপু তার সাথে ঈদ কাটানোর মুহূর্ত যেন কখনো ঈদের মতো হাজার গুণ মিলালেও মিলবে না।