ডিম দিয়ে বসুন্ধরা নুডলস রান্নার প্রনালীঃ
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা, আজ আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম কিভাবে ডিম দিয়ে লম্বা নুডলস রান্না করতে হয়। ডিম দিয়ে নুডলস রান্নার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রান্নার প্রনালীগুলো আমি ধাপে ধাপে আপনাদের সামনে বর্ণনা করছি। আশা করছি সবার কাছে ভালো লাগবে। আপনাদের উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা পেলে চেষ্টা করব আরো ভালো ভালো রান্নার রেসিপি নিয়ে আপনাদের সামনে উপস্থিত হওয়ার।
ছবিঃ খারার জন্য প্রস্তুত নুডলস
উপকরণ: তেল, ডিম, পেয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ,আলু, বরবটি, সয়াসস, ম্যাগি মশলা।
প্রথমে নুডলস রান্নার সকল উপকরণগুলো পরিমাণ মতো নিয়ে কেটে ধুয়ে প্রস্তুত করে নিতে হবে।
রান্নার নিয়ম: চুলায় একটা কড়াইতে পরিমান মতো পানি দিতে হবে যাতে করে রান্নার উপকরণগুলো ভালো ভাবে সিদ্ধ হয়। পানি ভালো মতো ফুটলে, সেই ফুটন্ত পানি্র মধ্যে বরবটি ও আলু দিয়ে দিতে হবে।
আলু বরবটি হাল্কা সিদ্ধ হলে তাতে নুডলস দিতে হবে, তারপর সিদ্ধ হওয়ার আগে পর্যন্ত নুডলস পানিতে জ্বাল দিতে হবে, নুডলস সিদ্ধ হয়ে গেলে একটা ছাকনির মধ্যে ঢেলে নিতে হবে। এক মগ ঠান্ডা পানি সিদ্ধ নুডলসের মধ্যে ঢেলে দিতে হবে, তাতে করে নুডলসগুলো ঝরঝরে থাকবে এবং একটার সাথে আর একটা লেগে যাবে না।
এবার চুলায় একটা কড়াই বসিয়ে তাতে পরিমান মত তেল দিয়ে দিতে হবে, তেল সামান্য একটু গরম হলে তাতে পেয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ দিতে হবে। পেয়াজটা ভাজা হলে তাতে ডিম ভেঙে দিয়ে লারতে হবে। ডিমের মধ্যে সয়াসস দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করতে হবে, এরপর ডিমের মধ্যে সিদ্ধ করা নুডলসগুলো ছেড়ে দিয়ে অল্প কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করতে হবে যাতে করে সকল উপকরণগুলো ভালোভাবে মিশে যায়।
এরপর কিছুক্ষণ চুলার উপর রেখে হাল্কা আগুনে জ্বাল দিতে হবে, নুডলসের পানিগুলো শুকিয়ে আসলে নুডলসের উপর ম্যাগি মশলা ছিটিয়ে দিয়ে নেড়েচেড়ে নামিয়ে নিতে হবে।
ব্যাস আমার রান্নাকৃত নুডলসগুলো খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে গেল। এবার চুলার থেকে নামিয়ে খাওয়ার জন্য প্রস্তুত করতে হবে।
যেমনঃ নির্দিষ্ট পরিমাণ নুডলস প্লেটে নিয়ে হাল্কা ঠান্ডা করে নিলে খেতে বেশি সুবিধা হবে , কেননা অতিরিক্ত গরম হলে খেতে অনেক সময় সমস্যা হতে পারে।
ইমেজ সোর্সঃ
আমার বাংলা ব্লগের সকল বন্ধুদের উদ্দেশ্যে বলছি আমাদের সকলের উচিৎ এইরকম রান্নার সেসিপিগুলো আমার বাংলা ব্লগে বেশি বেশি শেয়ার করা, তাতে করে আমরা যারা ব্যাচেলর আছি তাদের জন্য খুব উপকার হবে। কারন আমারা এখান থেকে অনেক ভালো ভালো রান্না শিখতে পারবো আশা করি।
আপনার এক্টিভিটিস খুবেই কম। গত সাত দিনে আপনি মাত্র দুটি পোস্ট করেছেন এবং মাত্র পাঁচটি কমেন্ট করেছেন। এভাবে হলে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটি থেকে আপনি সাপোর্ট পাবেন না। অনুগ্রহ করে আপনার এক্টিভিটিস বৃদ্ধি করুন ধন্যবাদ।
ঠিক আছে ভাইয়া
নুডলস ডিম দিয়ে রান্না করলে খেতে সব সময় মজার হয়। আপনি খুবই সুস্বাদু করে ডিম দিয়ে সুস্বাদু নুডুলস রান্নার পদ্ধতি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মজার এই নুডুলস রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
ডিম দিয়ে বসুন্ধরা নুডলস রান্নার প্রনালী আমার অনেক প্রিয় একটি রেসিপি। আজ আপনি শেয়ার করেছেন দেখে খুব ভালো লাগলো সবচাইতে বসুন্ধরা নুডুলস খেতে আমার বেশি ভালো লাগে।সাথে যদি মেঘলা বা বৃষ্টির দিন হয় তাহলে তো আর কোন কথাই নেই। অনেকদিন মেগি নুডুলস খাওয়া হয়নি ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের উপহার দেওয়ার জন্য।
নুডুলস বরাবরই আমার ফেভারিট মাঝে মাঝে প্রস্তুত করে খাওয়া হয় আপনার প্রস্তুত করা দেখেই লোভ হচ্ছে খেতে নিশ্চয়ই খুব মজা হয়েছিল।।
জ্বী ভাই, আসলেই মজার এবং লোভনীয় একটা খাবার। দাওয়াত রইলো একদিন আসবেন, নুডলস দিয়ে মেহমানদারী করবো ইনশাআল্লাহ।
সকাল বা বিকেলে নাস্তায় নুডুলস খেতে খুবই ভালো লাগে। নুডলস দেখেই বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক সুস্বাদু মজাদার হয়েছিল। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
ভালোই কিছুদিন হইছে নুডুলস খাওয়া হয় না। তবে আপনার এই রেসিপি দেখার পর এখনি নুডুলস রান্না করতে মন চাচ্ছে। আপনি খুবই সুন্দর ভাবে আপনার রেসিপি পরিবেশন করেছেন আমাদের সামনে। অনেক লোভনীয় ছিলো আপনার নুডুলস রেসিপি।
আমি ভাইয়া মাঝে মাঝেই খাই, যার কারণে বাধ্য হয়েই রান্না করতে হয়। ওনাকে একদিনের জায়গায় দুইদিন বললেই হইছে। আর নুডলস খাওয়া হইতো না।
ডিম দিয়ে বসুন্ধরা নুডলস রান্নার প্রনালী অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে উপস্থাপনা করেছেন। যদিও আমি এখনো বসুন্ধরা নুডলস খাইনি। তবে আপনার রেসিপি দেখে তো খেতে ইচ্ছা করছে। ধন্যবাদ আপনাকে
ধন্যবাদ ভাইয়া, মাঝে মাঝেই এইসব খাবার রান্না করতে হয়, কারণ সব সময় তো আর অন্যর জন্য বসে থাকা যায় না।
নুডুলস পছন্দ করে না এরকম মানুষ খুব কমই আছে বিশেষ করে বিকেল সময়টাতে নুডুলস খেতে অনেক বেশি সুস্বাদু লাগে। বিকেলের নাস্তা হিসেবে নুডুলস সত্যিই অনেক বেশি লোভনীয় শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ডিম দিয়ে বসুন্ধরা নুডুলস রান্নার প্রক্রিয়া দেখে অনেক ভালো লাগলো। আমার কাছে এই ধরনের মুখরোচক খাবার খেতে খুবই ভালো লাগে।
দাওয়াত রইলো একদিন আসবেন, রান্না করে খাওয়াবো। অনেক মজাই হবে।
ডিম দিয়ে নুডুলস রান্না করে অনেক খেয়েছি এই রেসিপিটা আমার অনেক প্রিয় । তবে আপনি রেসিপিটা আমাদের মাঝে একটু আলাদাভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন খুবই ভালো ব্যাপার। আশা করি এমন রেসিপি আমাদের মাঝে আরো শেয়ার করবেন।
ধন্যবাদ, এইরকম রান্না মাঝে মাঝেই করতে হয়।আগেও অনেক রান্না করেছি কিন্তু এমন কোন মাধ্যম ছিলো প্রকাশ করার, আমার বাংলা ব্লগের মাধ্যমে সেটা সম্ভব হয়েছে।ধন্যবাদ আমার বাংলা ব্লগকে।