নাস্তার জন্য মাছের ডিমের মচমচে পাকোড়া
মাছের ডিমের মচমচে পাকোড়া
সবাই কেমন আছেন ? আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আজকে আমি আবারো নতুন একটি রেসিপি নিয়ে আপনাদের সাথে যুক্ত হলাম।
এই পর্যন্ত অনেক রকম পাকোড়া তৈরি করে খেয়েছি কিন্তু মাছের ডিমের মচমচে পাকোড়া তৈরি করে খাওয়াও হয়নি আবার আপনাদের সাথে শেয়ারও করা হয়নি। তাই আজকে আমি চিন্তা করলাম বাসায় নাস্তার জন্য মাছের ডিমের মচমচে পাকোড়া রেসিপি তৈরি করে খাওয়া যেতে পারে ও নতুন একটি খাবারের স্বাদ গ্রহন করা যেতে পারে সেই সাথে আপনাদের সাথেও নতুন একটি রেসিপি শেয়ার করার সুযোগ পেলাম। আমরা বাজার থেকে মাছ কিনে আনলে অনেক মাছের মধ্যে প্রায় সময় মাছের ডিম পাই আর সেই ডিম গুলো ভিন্ন ভাবে রান্না করার চেষ্টা করি আর আজকে আমি সেই ডিম দিয়ে মজাদার একটি পাকোড়া তৈরি করে আপনাদের সাথে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি।
অনন্যা পাকোড়া তৈরি করার মতোই আজকের এই মাছের ডিমের মচমচে পাকোড়া তৈরি করা হয়েছে। শুধু মাছের ডিম নতুন ভাবে যুক্ত করা হয়েছে। অল্প সময়ে সহজ ভাবেই এই নাস্তা রেসিপিটি তৈরি করা সম্ভব। আজকের এই মাছের ডিমের মচমচে পাকোড়া নাস্তাটি নতুন একটি নাস্তা হিসেবে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে ও বেশ মচমচা ছিল সাথে মাছের ডিমের সুন্দর একটা ফ্লেভার ছিল যা সত্যি পাকোড়াটিকে মজাদার করে তুলেছে। মাছের ডিমের মচমচে পাকোড়া তৈরি করতে প্রয়োজন হয়েছে- মাছের ডিম, চালের গুঁড়া, বেসন, পেঁয়াজ ও মরিচ সহ বেশ কয়েক রকম মসলা উপকরণ।
আজকে আমি আমার এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কি ভাবে বাসায় তৈরি করেছি নাস্তার জন্য মাছের ডিমের মচমচে পাকোড়া। মাছের ডিমের মচমচে পাকোড়া তৈরি করার প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ সুন্দর ভাবে একে একে শেয়ার করেছি ও ছবির মধ্যে লিখে দিয়েছি। আপনারা খুব সহজেই আমার পোস্ট দেখে বাসায় এভাবে মাছের ডিমের মচমচে পাকোড়া তৈরি করতে পারেন ও শিখে নিতে পারেন। আশাকরি আপনাদের কাছে আমার আজকের মাছের ডিমের মচমচে পাকোড়া তৈরিটি ভালো লাগবে। তাহলে চলুন শুরু করা যাক...........
ধাপ-1. |
|---|
ধাপ-2. |
|---|
ধাপ-3. |
|---|
ধাপ-4. |
|---|
ধাপ-5. |
|---|
ধাপ-6. |
|---|
ধাপ-7. |
|---|
ধাপ-8. |
|---|
ধাপ-9. |
|---|
ধাপ-10. |
|---|
ধাপ-11. |
|---|
ধাপ-12. |
|---|
ধাপ-13. |
|---|
ধাপ-14. |
|---|
ধাপ-15. |
|---|
আমার আজকের বাসায় নাস্তার জন্য মাছের ডিমের মচমচে পাকোড়া তৈরিটি কেমন হয়েছে অবশ্যই মন্তব্য করে জানাবেন। সবাই ভালো থাকবেন , সুস্থ থাকবেন। সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।
আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে



প্রতিনিয়তই আপনি ইউনিক রেসিপি শেয়ার করেন। আপনার রেসিপি গুলো আমার কাছে সব সময় ভালো লাগে। আপনার কাছ থেকে নতুন রেসিপি শিখতে পারি। আজকের রেসিপিটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। পাকড়াগুলো দেখে খেতে ইচ্ছে করছে। বিকেল বেলা এরকম গরম গরম পাকোড়া গুলো খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে মাছের ডিম দিয়ে এভাবে পাকোড়া তৈরি করা যা আমার জানা ছিল না বাসায় এভাবে একদিন ট্রাই করে দেখব । অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে নতুন একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ আপু চেষ্টা করি ইউনিক কিছু আপনাদের সাথে শেয়ার করার অনেক ধন্যবাদ এতো সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
আপু আপনার কাছ থেকে যে আর কি কি রেসিপি শিখব তা আসলে কল্পনাও করতে পারি না । কখনো মাছের ডিমের পাকোড়া খাইনি আপু। মাছের ডিমের পাকোড়া থেকে জাস্ট জিভে জল চলে। ইচ্ছে করছে কতগুলো নিয়ে খেয়ে ফেলি।
নতুন কিছু করলেই করা যায় আমি নিজের দক্ষতা দিয়ে অলওয়েজ চেষ্টা করি নতুন কিছু করার, ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
আপনি যে এত এত লোভনীয় রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করেন এটা কি ঠিক😜😜।বাজার থেকে মাছ কিনে আনলে অনেক সময় মাছের ডিমগুলো আমার তেমন খেতে ভালো লাগে না।তবে এভাবে পাকোড়া বানালে খেতে মনে হচ্ছে বেশ ভালো হবে।আপু বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পাকোড়া তৈরি করে থাকেন,আপনি মনে হয় ভাজাপোড়া অনেক পছন্দ করেন।যাই হোক মাছের ডিমের পাকোড়া বেশ দারুন হয়েছে। ধন্যবাদ
হেহেহে, আপনাকে দাওয়াত দিলাম, আপনি যখন আসবেন তখন আপনাকে মাছের ডিমের পাকোড়া বানিয়ে খাওয়াবো হিহিহি
নাস্তার জন্য মাছের ডিমের মচমচে পাকোড়া রেসিপি। দেখেই জিহ্বে জল এসে পড়লো 🤤।এই নাস্তা বিকেলে বা সন্ধ্যায় খেতে খুবই ভালো লাগে। আর আপনার রেসিপিটি দেখতে সত্যিই খুব মজাদার লাগছে। যাই হোক রেসিপিটি আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে। এত সুন্দর একটি রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
হ্যাঁ ভাইয়া চেষ্টা করি আপনাদের সাথে সুন্দর কিছু উপস্থাপন করার ধন্যবাদ এত সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
প্রিয় আপু আপনি তো পাকোড়া রানী হিহি হিহি!!! এ যাবৎ আপনার অনেক পাকোড়া রেসেপি দেখেছি ৷ সত্যি বলতে এই শীতের সময় টাতে বেশ ভালোই লাগে ৷
যা হোক আজকেও আপনি একটি ভিন্ন স্বাদের পাকোড়া রেসেপি উপস্থাপনা করেছেন ৷ মাছের ডিম দিয়ে মচমচে পাকোড়া ৷ যদিও বেশির ভাগ সময়ে মাছের ডিমের ভাজি খাই ৷ তবে মাছের ডিম দিয়ে এরকম পাকোড়া কখনো খাওয়া হয় নি ৷ একদিন খেয়ে দেখতেই হবে ৷
যা হোক অনেক ধন্যবাদ আপু এতো সুন্দর ইউনিক রেসিপি শেয়ার করার জন্য ৷
ঠিক ই বলেছেন হিহিহি, তবে মাছের ডিমের পাকোড়া খেয়ে দেখবেন আসলেই অনেক মজার ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
আপু আপনার রেসিপি মানেই নতুন কিছু স্বাদের রেসিপি। আপনি সবসময়ই নতুন নতুন রেসিপি নিয়ে হাজির হয়ে যান আমাদের সামনে যা খুবই ইউনিক রেসিপি। মাছের ডিমের পাকোড়া বানিয়ে খাওয়া যায় আজকেই প্রথম দেখলাম। মাছের ডিমের বড়া বানিয়ে রান্না করে খেয়েছি কিন্তু এভাবে কখনো পাকোড়া বানিয়ে খাওয়া হয়নি। বিকেলের নাশতায় এরকম পাকোড়া চায়ের সাথে থাকলে বিকেলে টা একেবারে জমে যাবে।আপনার পদ্ধতি গুলো অবলম্বন করে অবশ্যই বাসায় বানিয়ে খাবো।ইউনিক রেসিপি টি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই আপু।
আপু, আরো অনেক ধরনের রেসিপি আছে যা কিনা এখনো আমরা দেখিনি, নিজের বুদ্ধি আর চেষ্টা থাকলে অবশ্যই সম্ভব। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
নাস্তার জন্য তৈরি মাছের ডিমের মচমচে পাকোড়াটি দেখতে অনেক সুন্দর হয়েছে আর খেতেও নিশ্চয়ই অনেক মজার হয়েছে। আমার কখনও এটা খাওয়ার সুযোগ হয়নি এখনও প্রথম বার হলেও আপনার সুযোগ হয়েছে এটাই ভালো।
তাহলে অবশ্যই বানিয়ে খেয়ে দেখবেন, খেতে কিন্তু আলাদা একটা মজা আছে, ধন্যবাদ দিদি আপনার সুন্দর মন্তব্যর জন্য।
হ্যাঁ দিদি অবশ্যই বানিয়ে দেখবো বাড়িতে।
মাছের ডিমের মচমচে পাকোড়া রেসিপিটি বেশ চমৎকার ভাবে আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। রেসিপিটির কালার বেশ সুন্দর এসেছে। ১৫ টি ধাপের মাধ্যমে আপনার রেসিপিটি বেশ চমৎকারভাবে উপস্থাপন করেছেন। অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ম্যাডাম এত সুন্দরভাবে আমার রেসিপির প্রশংসা করার জন্য, তবে, দাওয়াত রইল একদিন এসে কিন্তু অবশ্যই আমার হাতের নাস্তা খেয়ে যাবেন।
মাছের ডিমের মচমচে পকোড়া রেসিপি দেখে জিভে জল চলে এলো । দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। মাছের ডিমের এভাবে পকোড়া তৈরি করা যায় তা আমার জানা ছিল না। আমি অবশ্যই এভাবে একদিন বাসায় তৈরি করার চেষ্টা করব। ধন্যবাদ আপনাকে নতুন একটি রেসিপি আমাদের শিখিয়ে দেওয়ার জন্য।
খেতে ও কিন্তু দারুন টেস্ট হয়েছে অবশ্যই বানিয়ে খেয়ে দেখবেন আপু, ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
মাছের ডিমের মুচমুচে পাকোড়া রেসিপি দেখে অনেক সুস্বাদু মনে হচ্ছে। মাছের ডিমের পরোটা রেসিপি কখনো তৈরি করা হয়নি। তাই আপনার রেসিপি দেখে শিখে নিলাম পরবর্তী তৈরি করবেন ইনশাল্লাহ।
হা তাহলে আপনার পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম, দেখবো নে কিভাবে শিখেছেন, হিহিহি,