জেনারেল রাইটিং:– ডেঙ্গু মোকাবিলায় ষ্টেশন এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করণ।
🌿আমি মোঃ আশিকুর রহমান। আমি বাংলাদেশ 🇧🇩 থেকে বলছি। আমার স্টিম আইডির নাম @ayaan001।
কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লার রহমতে অনেক ভালো আছি।
বরাবরের মত আজকেও আমি আপনাদের মাঝে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। আজকের পোস্টটি মূলত সতর্কমূলক পোস্ট। আপনারা জানেন আমাদের দেশে ডেঙ্গুর আক্রমণ বেড়েই চলেছে। তাই ডেঙ্গুর সংক্রমণ হতে বাঁচার জন্য আমাদের অফিসে একটি ছোটখাটো অভিযান পরিচালনা করি। কিভাবে আর কি কি কাজ করেছি তার বিস্তারিত আপনাদের মাঝে বর্ণনা করব। চলুন তাহলে শুরু করে দেই।
যেহেতু দিন দিন ডেঙ্গুর প্রকোপ চারদিকে বেরিয়ে চলেছে তাই আমাদের স্টেশন এবং স্টেশনের চারপাশ অফিসারের আদেশক্রমে ডেঙ্গু মশার নিধনের জন্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হয়। প্রথমে আমরা সবাই মিলে আমাদের স্টেশনের সবজির ক্ষেত সুন্দরভাবে পরিষ্কার করার চেষ্টা করি। অতিরিক্ত ঘাস এবং অপ্রয়োজনীয় গাছ কেটে পরিষ্কার করে ফেলি।
স্টেশনে সবজির বাগান পরিষ্কার করা হয়ে গেলে আমরা সরাসরি চলে যাই আমাদের অফিসের ফুলবাগানের দিকে। সেখানেও আমরা সবকিছু পরিষ্কার করতে শুরু করে দেয়। সেখানে আমরা প্রয়োজনীয় গাছ ব্যতীত সবগুলো গাছে পরিষ্কার করে ফেলি। পানি আবদ্ধ হয়ে থাকে এমন জিনিস আমরা সেখান থেকে সরিয়ে ফেলি।
অফিসের ফুল বাগান পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা হয়ে গেলে আমরা আমাদের অফিসের চারিদিকে ঘুরে ঘুরে পরিষ্কার করার কার্যক্রম চালিয়ে যাই । অফিসের প্রাচীরের চারদিকে প্রচুর পরিমাণে অপ্রয়োজনীয় গাছপালা জন্মেছিল সেগুলো আমরা কোদাল দিয়ে উঠিয়ে ফেলি। প্রতিটা কাজে আমাদের স্যার এবং ওস্তাদ নির্দেশনা দিয়েছিলেন। আমাদের স্যার এবং ওস্তাদ তারা সবাই খুবই সচেতন।
বাহিরের কার্যক্রম শেষ হলে আমরা আবার ভেতরে চলে আসি এবং ভিতরে আসার পর আমার যেখানে গোসল করি পানির ট্যাংকের কাছে এসে আমরা সবাই পানির ট্যাংকি পরিষ্কার করি। ট্যাংকের চারপাশে যত ময়লা আবর্জনা এবং গাছপালা ছিলো সেগুলো আমরা নিজ হাতে পরিষ্কার করি। যেহেতু পানি বেধে থাকলে ডেঙ্গু মশা ডিম পাড়ে তাই আমরা এমন কোন জিনিস আমাদের অফিসে রাখিনি যেখানে পানি জমে থাকতে পারে। আমরা সকল জায়গায় অভিযান চালিয়ে সবকিছু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে ফেলি।
সর্বশেষে আমরা আমাদের ষ্টেশনের গ্রাউন্ড টি সম্পূর্ণ পানি দিয়ে ধুয়ে দেয়। যাতে করে স্টেশনে গ্রাউন্ডে কোন রকমের ময়লা আবর্জনা না থাকে। এবং স্টেশনের প্রত্যেকটা গাছে আমরা পানি স্প্রে করে দেয় যাতে করে ডেঙ্গু মশা যদি ডিম পেড়ে থাকে তাহলে সেগুলো ধ্বংস হয়ে যায়। এরই মাধ্যমে শেষ হয় আমাদের ডেঙ্গু মশা নিধনের কার্যক্রম।
আমাদের কার্যক্রম শেষ হলে আমাদের প্রিয় দুই ওস্তাদের সাথে একটি ছবি তোলা হয়।
দিন দিন ডেঙ্গু সব জায়গায় ছরিয়ে পরতেছে।ডেঙ্গু আমাদের এইদিকে এখনো আসে নাই। তবে সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা জরুরী। আমার এক ভাই ঢাকায় থাকে সে ডেঙ্গুর কারনে বাসায় চলে আসছে।আপনি সুন্দর একটা পোস্ট আমাদের মাঝে তুলে ধরছেন। এখন সব কিছু পরিষ্কার করে আপনাদের অফিস সুন্দর দেখা যাবে এটা আশা করি।আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।
আমাদের দেশে ডেঙ্গু এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে যা মুখে বলে প্রকাশ করা যাবে না ৷ প্রতিনিয়ত ডেঙ্গু বেড়ে যাচ্ছে৷ আর কেউ কোন কিছুই করতে পারছে না৷ তবে আজকে আপনি স্টেশন এলাকাগুলো পরিষ্কার করার বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন৷ খুবই ভালো লাগল এই বিষয়গুলো দেখে৷ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা না থাকলেই দিনদিন ডেঙ্গু বেড়ে যায়৷ খুবই ভালো লাগলো আপনার এই জেনারেল রাইটিং কি পরে।
আমাদের সকলের উচিৎ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা এবং সচেতন হওয়া। ধন্যবাদ ভাই আমার পোস্টটিতে সুন্দর মতামত প্রকাশের জন্য।
আমাদের দেশের ডেঙ্গুর প্রবণতা দিন দিন অনেক বেড়েই চলেছে। তবে নিজেদের অফিস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা দেখে বেশ ভালো লাগলো। প্রত্যেকের উচিত নিজেদের চারপাশের জায়গাগুলো পরিষ্কার করে রাখা। যদি প্রত্যেকে মানুষ সচেতন হয় তাহলে ডেঙ্গু দমন করা সম্ভব। শেষ মুহূর্তে এসে আপনাদের ওস্তাদের ছবি দেখে বেশ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ মামু তোমার গঠন মূলক মন্তব্যের জন্য।
বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে প্রায় সব জায়গাতেই ডেঙ্গু খুবই মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ডেঙ্গু মোকাবেলা করার জন্য আপনারা দেখছেন ভালোই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। ডেঙ্গুর হাত থেকে বাঁচার জন্য আমাদের সকলেরই উচিত নিজেদের বাড়ির আশেপাশের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার রাখা।
হ্যা ভাই আমাদের অবশ্যই সচেতন হওয়া দরকার।ধন্যবাদ আপনার গঠন মূলক মন্তব্য জন্য।