হঠাৎ পদ্মা নদীর তীরে 🌼 ১০% লাজুক খ্যাকের জন্য
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি@ashikur50 বাংলাদেশের নাগরিক।
আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমি আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] এর সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনজানিয়ে আমার আজকের পোস্ট শুরু করছি।
২১শ্রাবণ , ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
০৫আগষ্ট, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
১৬মহররম ১৪৪৫ হিজরী
শনিবার।
বর্ষাকাল।
আজ আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব বিকেল বেলা নদীর পাড়ে ঘুরতে যাওয়ার গল্প। আশা করি আমার এই ঘুরতে যাওয়ার গল্পটি আপনাদের সবার কাছে ভালো লাগবে। তাহলে দেরি না করে চলুন শুরু করা যাক। অনেকদিন হলো বিভিন্ন জায়গা ঘুরতে যাই কিন্তু ঘুরতে যাওয়ার কোন কিছু আপনাদের কাছে শেয়ার করা হয় না। তাই ভাবলাম আজকে যদি শেয়ার করি তাহলে মন্দ হয় না।
Device : canon 200d
What's 3 Word Location: https://w3w.co/umbilical.boulevard.downswing
আজ দুপুর ১২ টার পর থেকে আমাদের এলাকায় মোটামুটি ভালই বৃষ্টি হচ্ছিল। বৃষ্টির কারণে সারাদিন কোথাও যেতে পারিনি। বিকেলের দিকে হঠাৎ করে আমার চাচাতো ভাই আমাকে ফোন দিল আর বলল নদীতে নাকি অনেক পানি হয়েছে চল যাই ঘুরে আসি। যেমনি বলা তেমনি কাজ আমি তাড়াতাড়ি ঝটপট করে রেডি হয়ে নিলাম। ওমা রেডি হয়ে বের হতে গেছি তখনই আবার বৃষ্টি শুরু। মনটাই খারাপ হয়ে গিয়েছিল। তারপরে চিন্তা করলাম আজ ঘুরতে যেতে চেয়েছি মানে ঘুরতে যাবই। অনেক সময় অপেক্ষা করার পরে বৃষ্টি চলে গেল। ওদিকে আমার চাচাতো ভাই বাজারের উপর আমার জন্য অপেক্ষা করছে সে তো বৃষ্টি যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমার কাছে ফোন আর ফোন করছে শুধু। তারপরে আমি আর দেরি না করে চলে গেলাম বাজারের উপর দুই জন একটি বাইক নিয়ে বের হলাম বিকেল বেলার নদী দেখার উদ্দেশ্যে।
Device : canon 200d
What's 3 Word Location: https://w3w.co/umbilical.boulevard.downswing
ট্রাকে করে মাটি আরা নেয়া করার জন্য কিছু মাটি রাস্তার উপর পড়েছে এবং বৃষ্টি হওয়ার কারণে রাস্তাটা অনেক পিচ্ছিল। এই জন্য বাইক চালাতে আমার খুব ভয় লাগছিল কারণ বিপদ তো বলে আসেনা। এভাবেই আমরা আসতে ধীরে বাইক রাইট করতে করতে পৌঁছে গেলাম আমাদের গন্তব্য স্থানে। জায়গাটির নাম ছিল হাবাসপুর ঘাট। হাবাসপুর ঘাটে গিয়েই মনটা ভালো হয়ে গেল। যেখানে কিছুদিন আগে একদম শুকনো মরুভূমি ছিল সেখানে এখন পানিতে থৈ থৈ করছে। আর ঝুম পড়েছে জেলেদের মাছ ধরার। বিভিন্ন ধরনের জলের মাধ্যমে মাছ ধরার কর্মযজ্ঞ চলছে সবার। দেখতে কতই না ভালো লাগে সকল দৃশ্য। আসলে আমি সব সময় বলি গ্রাম ছাড়া কখনোই এমন দৃশ্য দেখা সম্ভব না। এইজন্যই গ্রামের পরিবেশ আমার এত ভালো লাগে। মাছ ধরার এসব দৃশ্য দেখতে দেখতে সন্ধ্যা হয়ে আসছিল। দূরে দেখা যাচ্ছিল জেলেরা নৌকায় জাল দিয়ে মাছ ধরছে এবং কৃষকরা খেতে কাজ করে নৌকাতে নদী পার হয়ে ঘরে ফিরছে। দৃশ্যগুলো আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগছিল। গ্রামেই একমাত্র এসব ফিল পাওয়া যায়। আস্তে আস্তে যখন সন্ধ্যা হয়ে আসছিল তখন চারদিকে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক এবং পাখিদের বাড়ি ফেরার দ্বারা। আকাশের দিকে তাকালেই পাখিরা শাক বেঁধে উড়ে যায়। আসলে মানুষের সঙ্গে পাখিদের অনেক মিল আছে। সন্ধ্যা হলেই সারাদিনের কাজের পর মানুষরা যেমন ঘরে ফেরে ঠিক তেমনি পাখিরাও ঘরে ফেরে। কিছুদিন আগে যেখানে শুধু মাঠ আর মাঠ ছিল সেখানে এখন পানি থৈ থৈ করছে। ওখানে কয়েকজন চাচার সাথে কথা বললাম পানি নাকি খুব দ্রুত বাড়ছে হয়তবা কিছুদিনের মধ্যে নদীতে অনেক পানি হয়ে যাবে। তারপরে যখন অন্ধকার হয়ে আসছিল আর বেশি না দেরি করে রওনা দি বাড়ির উদ্দেশ্যে। আসার পথে দুঃখের বিষয় হলো ছোট্ট একটা অ্যাক্সিডেন্ট করেছি। আমার তেমন একটি ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং বাইকটারও কিছু হয়নি। আল্লাহর অশেষ রহমতে বেঁচে গিয়েছি।
Device : canon 200d
What's 3 Word Location: https://w3w.co/umbilical.boulevard.downswing
এই ভাবেই আমি আজকে সুন্দর একটি বিকেল পার করেছি।
আমার পোস্টে ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
ধন্যবাদ সবাই কে আমার পোস্ট টা পড়ার জন্য।
আমি মোঃ আশিকুর রহমান সোহাগ। আমার স্টীমিট একাউন্ট@ashikur50। আমি একজন বাঙালি আর আমি বাঙালী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ব বোধ করি। আমি স্টীমিটকে অনেক ভালোবাসি। ভালোবাসি পড়তে, লিখতে, ব্লগিং,ফটোগ্রাফি,মিউজিক,রেসিপি ডাই আমার অনেক পছন্দের। আমি ঘুরতে অনেক ভালোবাসি। আমি একজন মিশুক ছেলে। আমি সবার সাথে মিশতে ভালোবাসি।

পদ্মা নদীর তীরে বেশ সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন। নদীর পাড়ে প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্য চমৎকার ভাবে উপভোগ করেছেন। আসলে নদীর পাড়ে ঘুরাঘুরির মুহূর্ত গুলো বেশ দুর্দান্ত হয়ে থাকে। আপনার প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি খুবই অসাধারণ হয়েছে। নদীর পাড়ের কাশ ফুলের দৃশ্য বেশ দুর্দান্ত। এত চমৎকার অনুভূতি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
যখন পদ্মা নদীতে অনেক পানি থাকে তখন সবসময়ই মন চায় পদ্মার পাড়ে গিয়ে বসে থাকি।
পদ্মার পাড়ে আমিও বেশ কিছু বার ঘুরতে গিয়েছিলাম জায়গাটা অনেক চমৎকার ছিল। তবে একটু সাবধানে চলাচল করবেন, এরকম ছোটখাটো এক্সিডেন্ট থেকে নিজেকে বাঁচাতে হবে ধন্যবাদ আপনাকে..
সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ছেলে ভাই পদ্মা নদীর তীরে সেই সময় আপনি বেশ দারুন সময় উপভোগ করেছিলেন। আসলে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখেই বোঝা যাচ্ছে বেশ সুন্দর সময় কাটিয়েছেন। আসলে এবার বর্ষাকালে তেমন পানি না হওয়ার কারণে পদ্মার পাড় সবকিছুই শুকিয়ে এসেছে। আশা করি কয়েক দিনের মধ্যেই পানি থৈ থৈ করবে। বিকেলের সময় বেশ দারুণভাবে আপনি উপভোগ করেছিলেন। ধন্যবাদ সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
এখন দিন যত যাচ্ছে পদ্মার পানি বেড়েই চলেছে। গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারন সুন্দর।এই ফটোগ্রাফি গুলো যেন প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য বহন করে। সেই সাথে নদী কেন্দ্রীক মানুষের জীবন যাত্রার মাধ্যম তুলে ধরেছেন। তবে মেঘের ফটোগ্রাফি টা অনেক বেশি সুন্দর ছিল।
এ সকল সুন্দর প্রকৃতি দেখতে আমার ভীষণ ভালো লাগে ধন্যবাদ আপনাকে।
ছবিগুলো এককথায় দূরদান্ত লেগেছে, তবে আরো কিছু ছবি থাকলে আরো প্রানবন্ত হতো ব্যাপারটা। নদী আর নৌকা দুটোই আমার বেশ পছন্দের জিনিস। আপনি বেশ গুছিয়ে বর্ননা করেছেন ভাই, সবমিলিয়ে দারুন লেগেছে পোস্টটি।
পরবর্তী সময়ে আরো কিছু ভালো ছবি এবং সুন্দরভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করব ধন্যবাদ আপনাকে।