রেসিপি সুস্বাদু ধুন্দুল ভাজি 😋 ১০% লাজুক খ্যাকের জন্য
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি@ashikur50 বাংলাদেশের নাগরিক।
আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমি আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] এর সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনজানিয়ে আমার আজকের পোস্ট শুরু করছি।
১৫ অগ্রায়ন , ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
৩০ নভেম্বর , ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
০৭ জমাদিউল আউয়াল, , ১৪৪৩ হিজরী
বুধবার।
হেমন্তকাল।
আমাদের কমিউনিটির সবাই খুব সুন্দর সুন্দর রেসিপি পোস্ট করে, তেমনি আমিও আজকে আপনাদের সামনে একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। আশা করছি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
উপকরণ:
১. ধুন্দুল ৫ টি।
২. পেঁয়াজ ৩ টি।
৩. কাঁচা মরিচ ৮ টি।
৪. সরিষার তেল।
৫. লবণ।
৬. হলুদের গুড়া।
- প্রথমে আমি ধুন্দুল গুলো সাইজ অনুযায়ী কেটে নিয়েছি এবং কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজগুলো ছোট ছোট করে কেটে নিয়েছি।
- তারপরে আমি একটি কড়াই নিয়েছি তেল দেয়ার আগে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে কড়াইটি গরম হওয়ার জন্য।
- তারপরে কড়াইটি ভালোভাবে গরম হয়ে গেলে পরিমাণ মতো আমি সরিষার তেল দিয়েছি।
- তারপরে তেল ভালোভাবে গরম হয়ে গেলে আমি প্রথমে ছোট ছোট করে কেটে রাখা পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ গুলো দিয়েছি এবং ভালোভাবে নাড়তে হবে যত সময় না বাদামি রঙের না হয়।
- তারপরে আমি কেটে রাখা ধুন্দুলগুলো দিয়েছি ধুন্দুল গুলো দেয়ার পরে আমি হালকা করে হলুদ গুঁড়া দিয়েছি।
- তারপরে সুন্দরভাবে নাড়তে হবে মাঝে মাঝে খেয়াল রাখতে হবে যেন কড়াইয়ের সঙ্গে লেগে না যায়।
- অবশেষে তৈরি হয়ে গেল আমার আজকের রেসিপি এখন শুধু পরিবেশনের পালা।
আমার পোস্টে ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
ধন্যবাদ সবাই কে আমার পোস্ট টা পড়ার জন্য।
আমি মোঃ আশিকুর রহমান সোহাগ। আমার স্টীমিট একাউন্ট@ashikur50। আমি একজন বাঙালি আর আমি বাঙালী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ব বোধ করি। আমি স্টীমিটকে অনেক ভালোবাসি। ভালোবাসি পড়তে, লিখতে, ব্লগিং,ফটোগ্রাফি,মিউজিক,রেসিপি ডাই আমার অনেক পছন্দের। আমি ঘুরতে অনেক ভালোবাসি। আমি একজন মিশুক ছেলে। আমি সবার সাথে মিশতে ভালোবাসি।

ধুন্দুল আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তবে ভাজি করে কখনো খাইনি ।ভাজি করে খেলে নিশ্চয়ই অনেক মজা লাগবে। আপনি যেহেতু ভাজি করে দেখিয়েছেন তাহলে আমিও এক সময় এভাবেই ভাজি করে খেয়ে দেখব ।ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর ভাবে রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
ধুন্দল ভাজি আমার অনেক প্রিয় একটি খাবার। আসলে ধুন্দল ভাজি একটু মিষ্টি মিষ্টি লাগে বলে আমার অনেক ভালো লাগে।গরম ভাতের সাথে খেতে অনেক ভালো লাগে।তবে ভাইয়া পরিবেশ কিভাবে করলেন, বলেন না কিন্তু। যাইহোক আপনার রেসিপিটি দেখে মনে হচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। প্রতিটি ধাপ অনেক সুন্দর ভাবে দেখিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
এই বছর অনেক বেশি ধন্দুল খেতে পেরেছি। বিশেষ করে আমাদের ছাদের উপরে অনেক ধন্দুল ধরেছে। নিচ থেকে সিঁড়ি বেয়ে ছাদের উপরে ধন্দুল গাছ উঠেছে। আর সেখানে প্রচুর ধন্দুল ধরেছিলো এবং অনেক ধন্দুল খেয়েছি। তবে কথা হচ্ছে রান্না করে ধন্দুল খেতে আমার একদমই পছন্দ নয়। আর আমি রান্না করার ধন্দুল খাইও না। ভাজি করলে তখন ধন্দুল খেতে আমার অনেক বেশি সুস্বাদু লাগে। আর আপনি দেখছি সেই আমার প্রিয় রেসিপি আজকে শেয়ার করেছেন ধন্যবাদ আপনাকে।
ছোট মাছ দিয়ে ধুন্দলের পাতলা ঝোলের তরকারি আমার খুব পছন্দ। তবে ভাজিও নিতান্তই খারাপ লাগে না। আমি যখন ধুন্দল ভাজি করি তখন এর ভেতর ডিম দিয়ে দেই, খেতে আরো বেশি সুন্দর লাগে তখন।
ধুন্দুল ভাজি খেতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আমি মাঝে মাঝে বাসায় ধুন্দুল বাজি ভাজি করি। আপনার রেসিপিটি দেখতে অনেক লোভনীয় হয়েছে। আপনি অনেক সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন। এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ধুন্দল ভাঁজি করার খুবই চমৎকার একটা রেসিপি আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ভাইয়া। রেসিপিটি তৈরি করার ক্ষেত্রে দেখছি আপনি সরিষার তেল ব্যবহার করেছেন। আসলে সরিষার তেল ব্যবহার করলে সব রেসিপি খেতে সুস্বাদু হয়ে যায়।
ধুন্দল ভাজি অনেকদিন খাওয়া হয়নি। আজকে আপনার রেসিপির মাধ্যমে ধুন্দল ভাজি দেখে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের মাঝে সুন্দর সুন্দর ধুন্দল ভাজির রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
ধুন্দল ভাজি অথবা রান্না দুটো খেতেই আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। চিংড়ি মাছ দিয়ে ভাজি করলে খেতে আরো বেশি সুস্বাদু লাগে। এরকম ভাজি গরম ভাতের সাথে খেতে খুবই মজা লাগে রেসিপিটি দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে খুবই মজা হয়েছে।