😍😍বাংলা নাটক"কুসুমের ইচ্ছা পূরন"রিভিউ(১০%পে আউট লাজুক খ্যাকের জন্য)🦊🦊😍😍
হেলো বন্ধুরা
সবাই কেমন আছেন আশা করছি সবাই ভালো আছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভাল আছি,আমি @ashik333 বাংলাদেশ থেকে বলছি।বন্ধুরা আজ আমি আপনাদের সাথে একটি সুন্দর নাটক রিভিউ করবো আশা করছি নাটকটি আপনাদের ভালো লাগবে।চলুন শুরু করি নাটকের নাম"কুসুমের ইচ্ছা পুরন"।
★ শুরুতে নাটকের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নেয়:
কুসুম এর ইচ্ছা পুরন নাটকটি খুবই শিক্ষণীয়। বাদল চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশারফ করিম আর কুসম চরিত্রে ছিলেন প্রভা।গ্রামের একটি বাসায় আকিকার মিলাদ হয় সেখানে তাদের দাওয়াত করা হলে দুজনেই যায় সেখানে।কিন্তু বাদল কে চেয়ার থেকে উঠিয়ে দেয় একজন কারণ সে ছিল গরিব এটা কুসুম এর চোখে পরে।কুসুম বাসায় এসে বলে আমাকে এক কেজি খাশির মাংস আইনা দিবেন আমার খুব খাইতে ইচ্ছা করতাছে।মোশারফ করিম কুসুম এর এই ইচ্ছা পুরনের পেছনে ছুটে চলে।
| নাটক | কুসুমের ইচ্ছা পুরন |
|---|---|
| অভিনয়ে | মোশারফ করিম,সাদিয়া জাহান প্রভা,শেলি আহসান,নৌশিন দিশা,জইনাল জ্যাক,সাহেদ আলি |
| প্রডিউসার | জি-সিরিজ |
| লেখক | শিখর শাহনিয়াত |
| পরিচালক | শিখর শাহনিয়াত |
| ভাষা | বাংলা |
| দেশ | বাংলাদেশ |
| নাটক সময় | ৪৪মিনিট |
| রিলিজড | ১১ নভেম্বর ২০২১ |
★ নাটকের লিংক
★ নাটকের কাহিনী সংক্ষেপ
গ্রামের একটি বাড়িতে সম্ভ্রান্ত পরিবারে কুসুম কাজ করতো সেই বাসার ছোট ছোট কাজে সাহায্য করতো কুসুম এর স্বামী বাদল সে একজন রিশকা চালক। কুসুম যেই বাসায় কাজ করে সেই বাসায় ছোট একটা অনুষ্টান ছিল সে জন্য বাড়িওয়ালা কুসুম কে দাওয়াত করে অন্যদিকে বাড়ির মালিক ও বাদল কে দাওয়াত দেয়।দুজনে একসাথে খেতে যায় চেয়ারে বসে বাদল আর বাসার মধ্যে ঢুকে যাই কুসুম।বাড়ির একটা লোক সে বাদল কে চেয়ারে দেখে রাগ করে মাটিতে গিয়ে বসতে দেয়।কারণ ছিল সেখানে এলাকার মাতব্বর বসবে তাই।বাদল নিচে বসে তাকেও খেতে দেয় সবাইকে খাশির মাংস খেতে দিলেও বাদল কে দিয়েছিল গরুর মাংশ এটা দেখে বাদল রাগ করে বাসায় চলে যায়।
বাসায় গিয়ে সে আস্ত একট ডিম ভাজি শুরু করে পাশে বউ আসে তার।বউ ভাজতে গেলে বলে না আজ আমি ভাজবো।ডিম ভাজি শেষ এবার দুজনে একসাথে খেতে শুরু করে বাদল তার বউকে বলে কেমন হয়েছে সে বলে মজা হয়ছে তয় লবন কম।বাদল কুসুম কে খাইয়ে দেয় আর কুসুম বলে আচ্ছা আপনার কষ্ট হয়না। কেন কষ্ট হয়বো কেন। কুসুম বলে আমার যে বাচ্চা কাচ্চা কখুনো হবে না এটা ভেবে কষ্ট হয়না।বাদল বলে এইডা উপর আলার দান সে না চাইলে কেমনে হইবো।কুসুম কেদে দেয় এরপরে দুজনে খাই আবার।
পরদিন সকালে কুসুম বাদল কে বলে আমারে আইজ এক কেজি খাশির মাংস আইনা দিবেন আমার খুব খাইতে ইচ্ছা করতাছে।বাদল কই আমি কি বড়লক যা কামাই করি সেটা দিয়ে তো রিকশার কিস্তি আর দুজনে খাই।কুসুম বলে আনবেন আমার খাইতে ইচ্ছা করছে খুব।বাদল তার ইচ্ছা পুরনের জন্য আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যায়।সেদিন সন্ধ্যায় বাদল একটা আস্ত ছাগল ই কিনে আনে কুসুম এর জন্য।কিন্তু তবুও কুসুম এর ইচ্ছা পুরন হয়না এর কারণ সেদিন রাতেই বাদল এর বোন এবং জামাই আসে।তারা তাদের অভাবের কথা বলে এবং ২৬ দিন পরে ঈদ কিন্তু তাদের কোনো কোরবানি নেই সেটা নয়ে কান্না করে বাদল এর বোন আর বলে ভাই তোমাগো ছাগল ডা আমারে দিয়ে দাও।এটা দূর থেকে কুসুম শুনে এবং আরালে কান্না করে।কি আর করার ছাগল টা দিয়ে দেয়।
সেদিন চাঁদ রাত দুজনে গাছ তলায় বসে আছে তাদের টাকার অভাবে শপিং টাও হয়নি কুসুম এর জন্য নতুন শাড়িও কিনতে পারে নাই বাদল। তবুও তাদের মধ্যে ভালোবাসার অভাব দেখিনি।তারা গান গাইতে গাইতে দুজনে রাত পার করে দেয়।ঈদ এর দিন ওজু করে বাদল চলে যায় নামাজ পড়তে এরপরে সেখান থেকে অন্য জায়গায় যায় কোরবানির মাংস কাটার জন্য।মাংস কাটার পরে ভাগ বাটারার পরে বাদল নিজের অংশ পায়।এবং মালিকরে বলে চাচা আমারে একটু খাশির মাংশ দিবেন আমার বউ খুব খাইতে চাইছে।চাচা বলে খাশির মাংস নাই।বাদল আবারো বলে তবে চাচা এবার ধমক দেয় বাদল মাংস রেখেই বাসায় যায়।সে পারে না কুসুম এর ইচ্ছা পুরন করতে।
একদিন গ্রামে এক চৌধুরি সাহেব আসে এবং তার এক চেলা বলে চৌধুরি তো মানুষরে ছাগল দান করতাছে তুমি যাও। ছাগল এর কথা শুনে বাদল উৎফুল্ল হয়ে যায় সব ফেলে সে সেখানে ছাগল আনতে যায়।কিন্তু ছাগল দিলেও সাথে ছবি তুলছে এটা দেখে বাদল এর স্ত্রি কুসুম বাদল এর হাত টেনে নিয়ে চলে যায় আর বলে আমার লাগবো না ছাগল।কিছুদুর যাবার পরে বাদল বলে তুমি না মাংস খাইতে চাইলে। আরে আমি খাশির মাংস খাইনা আমি তোমার জন্য বলছিলাম সেদিনের অনুষ্ঠানে তোমাকে মাংস খাইতে দেইনাই তাই আমার ইচ্ছা ছিল তোমারে মাংস রান্না করে দিব।বাদল এইসব শুনে আবেগে কান্না করে আর বলে কে বলছে আমি গরিব তুমি থাকলে আমার কোনো অভাব থাকবে না।এতো পুন্নি আমি কবে করছিলাম তোমার মতো একটা বউ পাইছি।
★ আমার মতামত
খাশির মাংস খাওয়ানোর এক দারুন গল্প নিয়ে করা কুসুমএর ইচ্ছা পুরন।পুর্নতা অপুর্নতা নিয়েই মানুষ এর জীবন।অভাব মানুষ এর জীবনে থাকবেই বাদল একজন রিশকা চালক দিন আনে দিন খাই কিন্তু তার স্ত্রি কুসুম কখুনোই অভাব বুঝতে পারে না।কারণ বাদল সব সময় কুসুম কে ভালো রাখার চেষ্টা করে আবার কুসুম ও বাদল কে ভালো রাখার চেষ্টা করে।বাদলের খাশির মাংশ খাওয়াতে কুসুম এর খুব ইচ্ছা হয়। বাদল এর কাছে আবদাদ তার খাশির মাংসের কিন্তু সংসারে অভাব।বাদল মাংস না নিয়ে সে গোটা একটা ছাগলই নিয়ে চলে আসে। শেষ পর্যন্তও কুসুম তার ইচ্ছা কে পুরন করতে পারে না কিন্তু ভালোবাসা দিয়ে এর থেকেও বড় কিছু বাদল এর পাওয়া হয়ে গেছে।
★ ব্যক্তিগত রেটিং
নাটকটিকে আমি আমার কাছে সেরা স্থান দিব আমি ১০/০৯ দিলাম
বন্ধুরা আশা করছি আমার পোস্টি আপনাদের ভালো লাগবে নিজের মতো করে চেষ্টা করেছি।আপনাদের সাথে আবারো দেখা হবে আবারো।ভালো থাকবেন সবাই। ধন্যবাদ।
অনেক সুন্দর হয়েছে ভাই।আমি আবার এসব তৈরির সময় কম পাই। ভাল ছিল।
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই এবং শুভ কামনা।
মোশাররফ করিমের সব নাটক আমার কাছে দারুণ মজার ও শিক্ষনীয় লাগে।খুবই সুন্দর রিভিউ করেছেন নাটকটি।ধন্যবাদ ভাইয়া।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা দিদি।
খুব অসাধারণ হয়েছে, আপনার নাটক রিভিউটি। নাটকটি আমি আগে কখনো দেখি নাই। তবে আপনার মাধ্যমে দেখে অনেকটাই বুঝতে পারলাম। ধন্যবাদ
আপনাকেউ অনেক ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা আপু।