ফটোগ্রাফি: "ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটির সিভিল ফেস্টিভ্যাল-২০২৩" - ৮ম পর্ব।
হ্যালো..!!
আমার সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আমি @aongkon বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ- ৩০ শে জুলাই, রবিবার, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ।
আমি অংকন বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @aongkon। আমি মা, মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে সব থেকে বেশি ভালোবাসি। আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমার মাতৃভাষা বাংলার একমাত্র ব্লগিং কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ফাউন্ডার, এডমিন প্যানেল, মডারেটর প্যানেল এবং সকল সদস্য ও সদস্যাদের আমার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন রইল।
কয়েকটি ছবিকে একত্রিত করে সুন্দর একটি কভার ফটো তৈরি করে নিয়েছি।
আজকে আমি আপনাদের সামনে নতুন একটি পোস্ট হাজির হয়েছি। কিছুদিন আগেই আমাদের ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে সিভিল ডিপার্টমেন্ট এর ফেস্টিভ্যাল হলো। ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার পরে এটাই প্রথম সিভিল ডিপার্টমেন্টের ফেস্টিভ্যাল পেলাম। ফেস্টিভাল সম্পর্কে আগে একটু একটু ধারণা থাকলেও আমাদের সিভিল ডিপার্টমেন্টের ফেস্টিভ্যালের দিনে সবকিছু ক্লিয়ার হয়েছি। ফেস্টিভ্যাল মানেই বিভিন্ন স্টল ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন কিছু কেনাকাটা করা আর মজার মজার খাবার খাওয়া। ফেস্টিভ্যালে যে এতটা পরিমাণ আনন্দ হয় আসলে ফেস্টিভ্যালটা না হলে, হয়তো অজানা থেকে যেতো। আর আমাদের ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি তে সিভিল এর স্টুডেন্ট সবথেকে বেশি।
সিভিল ডিপার্টমেন্টের আয়োজিত ফেস্টিভ্যালে প্রায় বিশটা মতো স্টল দিয়েছিলো আমাদের সিভিল ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীরা। আমাদের ব্যাচের স্টুডেন্টদের কোন স্টল ছিল না তাই আমাদের মেইন কাজ ছিল সব স্টল গুলো ঘুরে ঘুরে দেখা আর ইচ্ছামতো খাওয়া-দাওয়া করা। আমরা বন্ধুরা মিলে প্রতিটি স্টলে ঘোরাফেরা করছিলাম আর প্রতিটি স্টল থেকেই কিছু না কিছু খাওয়া দাওয়া করেছিলাম। এই ফেস্টিভ্যালে যারা স্টল দিয়েছিলো তারা সবাই আমাদের আগের ব্যাচের শিক্ষার্থীরা, অর্থাৎ তারা সবাই আমাদের থেকে সিনিয়র ছিলো।
আজকে থেকে আমি প্রতি সপ্তাহে আপনাদের সাথে আমাদের ফেস্টিভ্যালের প্রতিটি স্টলের বিভিন্ন পণ্য দ্রব্যের ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের সাথে পর্ব আকারে শেয়ার করবো। আজকে আমি যে, স্টল থেকে বিভিন্ন পণ্যের ফটোগ্রাফি গুলো করেছি এই স্টলের নামটি ছিলো "ফুড জোন"। এই স্টলের নামটা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছিলো। আজকে আমি আমাদের "ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটির সিভিল ফেস্টিভ্যাল-২০২৩" - ৮ম পর্বে "ফুড জোন" স্টল থেকে বিভিন্ন পণ্যদ্রব্যের ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
আমার প্রথম ফটোগ্রাফি ছিলো, সুপারি পাতার প্লেট। সুপারি পাতার বিভিন্ন ডিজাইনের প্লেট বর্তমানে বাংলাদেশে ভালোই জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। আমরা জানি যে, বরিশালের দিকে প্রচুর পরিমাণে সুপারির চাষ করা হয়। কিছুদিন আগেও সুপারির পাতা নষ্ট হতো কিন্তু এখন এই পাতা দিয়ে সুন্দর সুন্দর ডিজাইনের প্লেট বাটি ইত্যাদি তৈরি কর হচ্ছে। এই প্লেটটির দাম ছিল ১২০ টাকা। দেখতে অনেক সুন্দর লাগছিলো সুপারি পাতার প্লেট।
এই স্টলে দ্বিতীয় ফটোগ্রাফিটি ছিলো, কাটা ভোগ বা কাটারি ভোগ মিষ্টি। কাটারি ভোগ মিষ্টি আমি খুবই পছন্দ করি। এই মিষ্টি প্রতি পেজ ২০ টাকা ধরে বিক্রি করছিলো বিক্রিতারা।
এই স্টলের আমার তৃতীয় ফটোগ্রাফিটি ছিলো, হাতের তৈরি রুমাল। এই রুমাল গুলো দেখতে অনেক সুন্দর লাগছিলো। সাদা রুমালের উপরে এবং কালারের সুতা দিয়ে বেশ সুন্দরভাবে ডিজাইন করা আছে। প্রতিটি রুমাল ৮০ টাকা দরে বিক্রি করছিলো বিক্রেতারা।
আমার এই ফটোগ্রাফিটি ছিলো, আরেকটি ডিজাইনের সুপারি পাতার প্লেট। হলুদ কালারের প্লেটের উপর লাল রঙের ডিজাইন টা দেখতে চমৎকার লাগছিলো। এই প্লেটটিও বিক্রেতারা ১২০ টাকা দরে বিক্রি করছিলো।
আমার এই ফটোগ্রাফিটি হলো, সুপারি পাতার আরেকটি সুন্দর ডিজাইনের প্লেট। এই নীল রঙের সুপারি পাতার প্লেটের উপর সাদা রঙের ফুল দেখতে ভীষণ ভারী সুন্দর লাগছিলো। বর্তমানে সুপারি পাতার প্লেট গুলো বাজারজাত করে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী স্বাবলম্বী হচ্ছে। এই প্লেটের উপরে "লিখে গেছি এক চিঠি শতবার" এই লেখাটি দেখতে বেশ ভালো লাগছিলো।
আমার এই ফটোগ্রাফিটি হলো, বরফি মিষ্টি। বল কি মিষ্টির সব সময়ই খেতে বেশ দুর্দান্ত হয়। আমার কাছে খুবই প্রিয়। এই স্টলে প্রতি পিস ২৫ টাকা দরে বিক্রি করছিলো বিক্রেতারা।
আমার এই ফটোগ্রাফিও আরেকটি সুপারি পাতার প্লেট। এই প্লেটটির মূল্য ছিল ৮০ টাকা। আসলে এসব প্লেটগুলো মানুষ শখের বসে কিনে থাকে। আলমারিতে এসব প্লেটগুলো সাজায়ে রাখলে দেখতে ভীষণ ভারী সুন্দর লাগে।
আজকে আমাদের "ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটির সিভিল ফেস্টিভ্যাল-২০২৩" - ৮ম পর্বে "ফুড জোন" স্টলের বিভিন্ন পণ্য দ্রব্যের ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আর "ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটির সিভিল ফেস্টিভ্যাল-২০২৩" ৯ম পর্ব নিয়ে খুব শীঘ্রই আসবো আপনাদের সামনে।
পোস্টের ছবির বিবরন
| ক্যামেরাম্যান | @aongkon |
|---|---|
| ডিভাইস | স্যামসাং জে-৭ প্রো |
| ক্যামেরা | ১৩ মেগাপিক্সেল |
| তারিখ | ৯ ই জুন ২০২৩ |
| লোকেশন | গাবতলী,ঢাকা |
প্রিয় বন্ধুরা,
আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে প্রতিনিয়ত আমার সৃজনশীলতা দিয়ে ভালো কনটেন্ট শেয়ার করে এই কমিউনিটিকে সমৃদ্ধ করতে চাই এবং উচ্চতার শিখরে নিয়ে যেতে চাই। আমার ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই নিজের খেয়াল রাখবেন সুস্থ এবং সুন্দর থাকবেন এটাই কাম্য করি।
@aongkon

ভাই আপনার ফটোগ্রাফি গুলো অনেক ভালো লেগেছে। আপনার ফটোগ্রাফি এর মধ্যে সবথেকে ভালো লেগেছে কাটারি ভোগ মিষ্টির ফটোগ্রাফি। কাটারি ভোগ মিষ্টি দেখেই তো খুব খেতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু এই মিষ্টির মাঝখানের অংশটুকু সবথেকে বেশি ভালো লাগে আমার কাছে থেকে। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি ফটোগ্রাফি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
কাটা ভোগ মিষ্টি আমারও অনেক পছন্দের একটি মিষ্টি। আপনার কাছে অনেক পছন্দের জানি খুশি হলাম ভাই। সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
ইউনিভার্সিটি ফেস্টিভ্যাল সবসময়ই অনেক বেশি সুন্দর এবং রোমাঞ্চকর হয়। আপনার ভার্সিটির ফেসটিভেল এর আগেও অনেক চমৎকারভাবে আপনি আমাদের মাঝে তুলে ধরেছিলেন যেটা দেখে আমার খুবই ভালো লেগেছে। সবথেকে বেশি ভালো লাগে সেখানে অনেক রকমের দোকান দেখা যায় আর সেই দোকানে ভিন্ন ভিন্ন রকমের ভিন্ন ভিন্ন আইটেম দেখে নতুন এক অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়। দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেকটা সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করেছিলেন। শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
হ্যাঁ ভাই ইউনিভার্সিটি ফেস্টিভাল সবসময়ই অনেক সুন্দর এবং রোমাঞ্চকর হয়। আমাদের ইউনিভার্সিটি ফেস্টিভালে অনেক সুন্দর সময় অতিবাহিত করেছিলাম। সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।