"প্রচন্ড দাবদাহের পর স্বস্তির বৃষ্টি"
হ্যালো..!!
আমার সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আমি @aongkon বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ-২৪ ই এপ্রিল, সোমবার, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ।
আমি অংকন বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @aongkon। আমি মা, মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে সব থেকে বেশি ভালোবাসি। আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমার মাতৃভাষা বাংলার একমাত্র ব্লগিং কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ফাউন্ডার, এডমিন প্যানেল, মডারেটর প্যানেল এবং সকল সদস্য ও সদস্যাদের আমার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন রইল।
আজকে আমি আপনাদের সামনে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। বর্তমানে বাংলাদেশের সব জায়গায় প্রচুর পরিমাণে দাবদাহের পর বৃষ্টি হওয়া শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের এই দাবদাহ অনেকদিন ধরেই চলছে। প্রচন্ড এই তাপমাত্রার কারণে জনজীবনে বেশ প্রভাব ফেলছিল। বাংলাদেশের গ্রাম এবং শহর উভয় জায়গাতেই প্রচন্ড দাবদাহের কারণে মানুষ অস্বস্তিতে ভুগতেছিল।
রমজানের পুরো একটা মাস প্রচন্ড দাবদাহের কারণে প্রিয় মুসল্লী ভাইবোনেদের রোজা থাকতেও অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। গ্রাম এবং শহরে উভয় জায়গাতেই অধিক তাপমাত্রার কারণে গরমে শরীর থেকে অধিক পরিমাণে পানি বের হওয়ার কারণে অনেকেই ডিহাইড্রেশন ভুগেছেন। প্রচন্ড দাবদাহের পর আজকে হঠাৎ বৃষ্টি দেখে খুবই ভালো লাগছিল।
আমি ঢাকা হতে বাড়িতে আসার পর থেকেই জলের জন্য বেশ সমস্যায় ভুগতে ছিলাম। কারণ বাড়িতে দুইটা টিউবওয়েল ছিল দুইটাতেই জলটা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আর একটা সাবমার্সেল আছে কিন্তু সেটার জল প্রচুর পরিমাণে আয়য়ন। তাই আমাদের বাড়ির সবাই আমাদের বাড়িতে কি একটু দূরে অন্য একটি বাড়ির টিউবওয়েল থেকে জল এনে ব্যবহার করত। আসলে জলের মূল্যটা আমরা তখনই বুঝতে পারি যখন জল আমাদের খুবই প্রয়োজনীয় থাকে। আজকে বৃষ্টি হওয়ার পর থেকেই আমাদের টিউবয়েলে জল উঠতে শুরু করেছে।
আমি ঢাকা শহর থেকে গ্রামের বাড়ি আসার পরে গ্রামের কিছু কিছু অবস্থা দেখে খুবই খারাপ লাগছিল। যেমনটা: আমাদের কুষ্টিয়া জেলার, খোকসা থানার গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই টিউবয়েলে জল উঠা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, গ্রামের মাঠের জমিগুলো প্রচন্ড রোদে পুড়ে চৌচির হয়ে গিয়েছিল, গ্রামের ফসল গুলোর ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছিল, পুকুরগুলো একদম শুকিয়ে গিয়েছিল। আজকের এই বৃষ্টিটা প্রকৃতিকে প্রকৃতির আসল রূপে ফিরিয়ে দিয়েছে।
খুব কম লোকের বাড়ির টিউবয়েলেই জল উঠছিল আর সেই জল দিয়েই অন্য সবার জলে চাহিদা পূরণ হচ্ছিল। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য জলের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। জল ই জীবন। জল ছাড়া মানুষের বেঁচে থাকা কল্পনা করা যায় না। বেঁচে থাকতে হলে মানুষকে জলপান করতেই হবে।
অনেকদিন ধরে প্রচন্ড দাবদাহের পর এরকম বৃষ্টি হৃদয়ের স্বস্তি যোগায়। কয়েকদিন ধরেই মেঘ মেঘ করছে কিন্তু বৃষ্টি আসছে না। কালো মেঘ দেখা মানেই একটু বৃষ্টির আসা তো করাই যায়। গ্রীষ্মের শুরুতেই থেকেই এরকম বৃষ্টি পায় মানুষের মন অনেক খুশি। আজকের এই বৃষ্টিটা বহুত প্রতীক্ষিত বৃষ্টি।
আমার মনে হয় প্রত্যেক মানুষই গ্রীষ্মকালে বৃষ্টির জন্য অপেক্ষায় থাকে। প্রতিবছরের তুলনায় এবারের পরিবেশের তাপমাত্রা অনেক বেশি ছিল। অনাবৃষ্টি আর শুষ্ক আবহাওয়াতে ফসলের অনেক ক্ষতি হয়ে যাচ্ছিল। শহর এবং নগর সব জায়গাতেই বৃষ্টি খুবই প্রয়োজনীয় হয়ে গিয়েছিল।
আজকে বৃষ্টি হওয়ার পর থেকেই তাপমাত্রা বেশ কমে গিয়েছে । চারপাশের পরিবেশটা অনেক শীতল অনুভূত হচ্ছে। আজকের এই স্বস্তির বৃষ্টি হওয়ার পর থেকে মনের ভিতর অনেক ভালো লাগছে । আজকের এই বৃষ্টিটা আমার কাছে স্বস্তির বৃষ্টি মনে হয়েছে। প্রকৃতি যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। আর এই প্রকৃতি মানুষকে নতুন করে প্রাণ দিয়েছে।
পোস্টের ছবির বিবরন
| ক্যামেরাম্যান | @aongkon |
|---|---|
| ডিভাইস | স্যামসাং জে-৭ প্রো |
| ক্যামেরা | ১৩ মেগাপিক্সেল |
| তারিখ | ২৪ এপ্রিল |
| লোকেশন | কুষ্টিয়া |
প্রিয় বন্ধুরা,
আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে প্রতিনিয়ত আমার সৃজনশীলতা দিয়ে ভালো কনটেন্ট শেয়ার করে এই কমিউনিটিকে সমৃদ্ধ করতে চাই এবং উচ্চতার শিখরে নিয়ে যেতে চাই। আমার ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই নিজের খেয়াল রাখবেন সুস্থ এবং সুন্দর থাকবেন এটাই কাম্য করি।
@aongkon

গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রায় এত গরম পড়েছিল মনে হচ্ছিল প্রাণ ওষ্ঠাগত। আজ এখানেও এতদিন পরে ভালো বৃষ্টি হয়েছে। চারিদিক যেন শান্ত ঠান্ডা হয়ে গেছে। এত আরাম লাগছে পরিবেশটায় বলার মতো না।যতই ঘরে এসি থাকুক প্রকৃতির হাওয়ার মিষ্টতা পাওয়া যায় না।
সত্যি বলেছেন দিদি যতই ঘরে এসে থাকুক প্রাকৃতিক মিষ্টতা পাওয়া যায় না। বৃষ্টিটা খুব জরুরি হয়ে গিয়েছিল। সুন্দর মতামত প্রকাশ করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দিদি।
এখন তো দেখছি সব জায়গাতে বৃষ্টি হয়েছে কিন্তু আমাদের এইদিকে তো বৃষ্টির কোন আনাগোনা ও দেখা যাচ্ছে না। পরিবেশটা একেবারে ঠান্ডা হয়ে গিয়েছে দেখে বুঝতে পারছি। এখন যেহেতু এরকম গরম পড়ছে তাই বৃষ্টি হলে বেশ ভালোই লাগবে। আপনাদের ওখানকার পরিবেশটা একেবারে ঠান্ডা হয়ে গিয়েছে যা আপনার পোস্ট পড়ে এবং ফটোগ্রাফি দেখে বুঝতে পারছি। যাইহোক ভালো লাগলো পড়ে।
আপনাদের ওখানে এখনো বৃষ্টি শুরু হয়নি এটা খুবই দুঃখের সংবাদ। সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
গত দুই সপ্তাহ যাবত যেভাবে গরম পড়েছে তা সহ্য করা সত্যি খুবই কষ্টকর। প্রচন্ড গরমের পর এখন এখন বৃষ্টি হচ্ছে । আশা করি এখন চারদিকের পরিবেশ নমনীয় পর্যায়ে থাকবে। গরমের কারণে বিশেষ করে ছোট বাচ্চাদের এবং বৃদ্ধ লোকদের খুবই কষ্ট হয় । আপনার পোস্টটি পড়ে ভালো লাগলো ধন্যবাদ।
হ্যাঁ ভাই সত্যি দুই সপ্তাহ ধরে যে গরম পড়ছে সহ্য করাটা খুবই বেশি কষ্টকর। বৃষ্টির পর অনেকটা পরিবেশ ঠান্ডা হয়েছে। সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
প্রচন্ড তাপদাহের পর বৃষ্টি সত্যি ই যেন স্বস্তি নিয়ে এলো।গরমে জন জীবন অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিল। এখন সবাই স্বস্তি ফিরে পেল।একটু বৃষ্টিতেই চারিদিক শীতল হয়ে গেলো। সব জায়গাতেই কম বেশি বৃষ্টি হওয়াতে পরিবেশটা কিছুটা হলেও শীতল। ধন্যবাদ ভাইয়া অনুভূতি শেয়ার করার জন্য।
সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
আপনি ঠিকই বলেছেন ভাইয়া। রমজানের একমাস রোজা করার পরে ভেবেছিলাম বৃষ্টি হলেই ভিজবো। কিন্তু সেই বৃষ্টিও পেয়েছিলাম সেইদিন আমি শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলাম তাই ভিজতে পারিনি। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপহার দেওয়ার জন্য।
আপনি বৃষ্টিতে ভিজতে চেয়েছিলেন কিন্তু শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার কারণে বৃষ্টিতে ভিজতে পারেননি। আমি কিন্তু গত কালকে বৃষ্টিতে ভিজেছি। বেশ মজা হয়েছে।
আমাদের এই দিকে তো বৃষ্টি হওয়ার কথা ছিল কিন্তু এখনো পর্যন্ত বৃষ্টি হলো না। রোদের কারণে পাখার বাতাস ও কেমন জানি গরম গরম মনে হয়। মনে হচ্ছে পাখার বাতাসের সাথে কেউ আগুন নামিয়ে দিচ্ছে। আপনাদের ওইদিকে তাহলে বৃষ্টি হয়েছিল এটা দেখে ভালো লাগলো। প্রচন্ড দাবদাহের পর অনেক মানুষ স্বস্তি ফিরে পেয়েছে। ফটোগ্রাফি দেখে বুঝতে পারছি চারপাশ একেবারে ঠান্ডা এবং নিস্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল বৃষ্টি হওয়ার কারণে। আপনার অনুভূতি পড়ে ভালো লেগেছে।
আপনাদের দিকেও আশা করি বৃষ্টি হবে। যেরকম গরম তো সে বৃষ্টি হওয়াটা খুবই জরুরী। সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করে সব সময় পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
যে তাপদাহ শুরু হয়েছিল তাতে যদি বৃষ্টি না হতো তবে একদম মাঠে মারা যেতে হতো। আমাদের এদিকে খুব একটা বৃষ্টি হয়নি তবে কয়েকদিন হল বেশ ঠান্ডা আবহাওয়া। এটাই যেন অনেক প্রশান্তি দিয়েছে আমাদের সবাইকে। লেখাগুলো পড়তে ভীষণ ভালো লাগছিল ভাই। অনেক সাজানো গোছানো ছিল পুরোটাই।
সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।
ভাইয়া প্রচন্ড দাবদাহের পর স্বস্তির বৃষ্টি পেয়ে অনেক ভাল লেগেছে। তাপমাত্রা কমে গেছে। গরমের জন্য জীবন অতিষ্ঠ হয়ে গেছিলো। ৪০/৪২ ডিগ্রি তাপমাত্রা ছিল। এখন একটু আরামে আছি। ধন্যবাদ ভাইয়া।
হ্যাঁ ভাই বৃষ্টি পেয়ে অনেক ভালো লাগছে।সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।