"রাতে আম কুড়ানোর মজা"
হ্যালো..!!
আমার সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আমি @aongkon বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ-২৭ ই জুন, মঙ্গলবার, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ।
আমি অংকন বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @aongkon। আমি মা, মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে সব থেকে বেশি ভালোবাসি। আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমার মাতৃভাষা বাংলার একমাত্র ব্লগিং কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ফাউন্ডার, এডমিন প্যানেল, মডারেটর প্যানেল এবং সকল সদস্য ও সদস্যাদের আমার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন রইল।
কয়েকটি ছবিকে একত্রিত করে সুন্দর একটি কভার ফটো তৈরি করে নিয়েছি।
আজকে আমি আপনাদের সামনে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকে আমার পোস্টটি হলো, গ্রামের বাড়িতে এসে আমি কুড়ানো ও নিয়ে। আমাদের যাদের বাড়িতে বা বাড়ির আশেপাশে আমের গাছ আছে তারা হয়তো জীবনে কখনো না, কখনো অবশ্যই কুড়িয়েছেন। এখনকার দিনে সত্যিই আম কুড়ানের মাঝে ছোটবেলার অনেক স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়। ছোটবেলায় ঝড় বৃষ্টির দিনে, আম কুড়ানোর জন্য কত যে মায়ের বকা শুনেছি সেটা আর বলে শেষ করা যাবে না। আম কুড়ানোটা সত্যিই অনেক মজার।
আমি গতবারে যখন বাড়িতে আসছিলাম তখন আমাদের বাড়ির সকল গাছের আম পাকা লেগেছিল। আমাদের বাড়ির বেশিরভাগ আপনার গাছি অনেক আগেকার। আর পরে লাগানো কয়েকটি গাছ আছে সেগুলা আমি আর আমার দাদা লাগিয়েছিলাম তারপর নিজেরাই কলম দিয়েছিলাম।
আমাদের বাড়িতে ঢুকতেই একটি মাচা আছে। এই মাচার ইতিহাস অনেক বছরের পুরনো। আজ থেকে প্রায় ২০-৩০ বছর আগে থেকে ওই একই জায়গায় এই মাচা টি রয়েছে। আরে মাচার উপরে বসলে গরমের দিনে বাতাসের আর অভাব হয় না। আর আমাদের আম গাছগুলো বেশিরভাগই আমাদের বাড়ির সামনে দুইটা পুকুর আছে পুকুরের পাড়ে। তাই আর কি অনেক আম বাতাসে পুকুরের জলের ভেতর পড়লে সেগুলা আর পাওয়া যায় না।
গতবারে বাড়িতে আসার পরে কারেন্ট খুবই কম থাকতো। তাই অনেক রাত পর্যন্ত আমি বাসাতেই বসে থাকতাম একা একা। আর আমাদের বাসার চারপাশে শুধুই আমের গাছ। রাতে মাচাতে বসে ইন্টারনেট চালাচ্ছি আর এদিকে চারপাশের আমগাছ থেকে আম পড়ার শব্দ পাচ্ছি।
এমনকি আমি যে মাচার উপর বসে ছিলাম সেই মাচার উপরেও ২-৩ টি আম পড়েছিলো। প্রথমে যখন কয়েকটি আম পরলো তো ভাবলাম যে, আম কুড়িয়ে আনি কিন্তু আবার তখনই মনে হলো যে, একবারে যখন বাড়ি যাব তখন আম কুড়িয়ে নিয়ে যাবো।
কারণ যতক্ষণ পর্যন্ত মাচার উপর বসে থাকবো ততক্ষণ পর্যন্ত পাকা আম গাছ থেকে পড়তে থাকবে। তাই বারবার আম না কুড়িয়ে একবারে বাড়ি যাওয়ার আগে শেষের দিকে কুড়িয়ে নিয়ে যাবো। তারপর রাত ৩ টার যখন কারেন্ট আসলো তখন ভাবলাম যে, আম কুড়িয়ে নিয়ে এখন বাড়ি যাই।
তারপর মোট ১১ টার মতো আম কুড়ালাম। আম কুড়ানোর পরে মাচার উপর এনে জড়ো করে দেখলাম যে, শুধু হাতে করে আম বাড়িতে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় অনেকগুলো হয়ে গেছে। তাই আর কি আশেপাশেই কিছু একটা খুঁজতে থাকলাম যেটাই করে আম বাড়িতে নিয়ে আসতে পারবো।
তারপর পাশে দেখি একটা ছেঁড়া মিষ্টির কভার পড়ে রয়েছে। তারপর সবগুলা ছেঁড়া বৃষ্টির কভারের ভেতরে ভরে বাড়িতে নিয়ে আসলাম। সেদিনের আম কুড়াতে গিয়ে ছোটবেলার অনেক স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছিলো। ছোটবেলায় আম কুড়াতে গিয়ে কত মজা করতাম।
পোস্টের ছবির বিবরন
| ক্যামেরাম্যান | @aongkon |
|---|---|
| ডিভাইস | স্যামসাং জে-৭ প্রো |
| ক্যামেরা | ১৩ মেগাপিক্সেল |
| তারিখ | ৩১ শে মে |
| লোকেশন | কুষ্টিয়া |
প্রিয় বন্ধুরা,
আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে প্রতিনিয়ত আমার সৃজনশীলতা দিয়ে ভালো কনটেন্ট শেয়ার করে এই কমিউনিটিকে সমৃদ্ধ করতে চাই এবং উচ্চতার শিখরে নিয়ে যেতে চাই। আমার ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই নিজের খেয়াল রাখবেন সুস্থ এবং সুন্দর থাকবেন এটাই কাম্য করি।
@aongkon

ভাইয়া আপনার আপ কুরানো দেখে ছোট বেলায় স্মৃতি মনে পড়ে গেলো। ছোট বেলায় একটু বৃষ্টি হলে আমরা বন্ধুরা মিলে আম কুড়াতে যেতাম। এধরনের মুহূর্ত গুলো এখন অনেক মিস্ করি। ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া।
সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
সত্যি ভাইয়া ছোটবেলার স্মৃতি মনে পড়ে গেল। ছোটবেলার সেই আম কুড়ানোর আনন্দ এখনো মনে পড়ে। আসলে সবকিছুই আজ অতীত। তবে আপনার পোস্ট পড়ে অনেক ভালো লাগলো ভাইয়া। অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া নিজের অনুভূতি আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য।
সত্যি বলেছেন আপু ছোটবেলার স্মৃতি গুলো সব অতীত হয়ে গেছে। সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া এই সকল বিষয়গুলো ছোটবেলার স্মৃতিকে মনে করিয়ে দেয়। ছোটবেলায় ঝড় শুরু হলেই চলে যেতাম আম কুড়ানোর জন্য। কতই না মজার ছিল সেই দিনগুলো।
আপনিও ছোটবেলায় ঝরের ভেতরে আম কুড়িয়েছেন যে ভালো লাগলো। সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
গ্রামীন পরিবেশের এই অপরূপ সৌন্দর্য এক সময় হারিয়ে যাবে। আম কুড়ানোর মধ্যে আলাদা একটা মজা রয়েছে। যেটা আপনি ঢাকা থেকে বাড়ি এসে উপভোগ করেছেন অনেক ভালো লাগলো দেখে।
হ্যাঁ ভাই ঢাকা থেকে বাড়িতে আসার পরে আম কুড়ানোর এই মজাটা উপভোগ করতে পেরেছি। সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।