স্পোর্টস রিভিউ: ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল ম্যাচ।
হ্যালো..!!
আমার সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আমি @aongkon বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ- ২৬ শে ই জুলাই, শুক্রবার, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ।
আমি অংকন বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @aongkon। আমি মা, মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে সব থেকে বেশি ভালোবাসি। আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমার মাতৃভাষা বাংলার একমাত্র ব্লগিং কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ফাউন্ডার, এডমিন প্যানেল, মডারেটর প্যানেল এবং সকল সদস্য ও সদস্যাদের আমার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন রইল।
কয়েকটি ছবিকে একত্রিত করে সুন্দর একটি কভার ফটো তৈরি করে নিয়েছি।
আমি আজকে আপনাদের সামনে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন যে, ফুটবলের দুটি বড় টুর্ণামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হলো। একটি টুর্নামেন্ট ইউরোপে হয় আরেকটি টুর্নামেন্ট আমেরিকাতে হয়। আপনারা যারা ফুটবলপ্রেমী তারা অবশ্য এই দুটি টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো দেখে থাকবেন। আমি ফুটবলপ্রেমী একজন মানুষ তাই ফুটবল খেলা দেখতে ভীষণ পছন্দ করি। আজকে আমি ইউরো কাপের ফাইনাল ম্যাচের রিভিউ শেয়ার করবো। ইউরো কাপের ফাইনালে আজকে মুখোমুখি হয়েছিলো স্পেন বনাম ইংল্যান্ড। আজকের ম্যাচটি ফাইনাল ম্যাচ বলে বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি ম্যাচ। আর ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচ মানেই সব থেকে বেশি জমজমাট খেলা। তাহলে চলুন দেরি না করে শুরু করা যাক।
আজকে যে ইসটুডিয়ামে খেলা হবে এই স্টুডিয়াম জার্মানির বার্লিনে অবস্থিত। এই স্টেডিয়ামের নাম অলিম্পিয়াইস্টাডিওন। আজকের খেলায় দর্শক ছিলো চোখে লাগার মতো, পুরো স্টুডিয়াম যেনো কানায় কানায় ভরা। আজকে ইউরোপ ফাইনাল ম্যাচের কারণে স্টোডিয়াম অনেক সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত চৌদ্দটি ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্পেন ইউরো কাপ করেছে তিনটি আর ইংল্যান্ড এখন পর্যন্ত ইউরো কাপ অর্জন করতে পারেনি। আর এই কারণেই ইংল্যান্ডের সামনে থাকবে প্রথম ইউরো কাপ জয়ের দারুন সুযোগ। আর ইংল্যান্ডের সামনে থাকবে সর্বাধিক ইউরো কাপ জয়ের রেকর্ড। এবারে স্পেন এবং ইংল্যান্ডের দুই দলেই বর্তমান সময়ের দারুন দারুন ইয়াং প্লেয়ার রয়েছে যারা পুরো টুর্নামেন্ট ধরে ফুটবল খেলা প্রেমিক সবাইকে মুগ্ধ করেছে।
মূল খেলার রিভিউ
আজকের ফাইনাল ম্যাচে রেফারি বাঁশিতে ফুঁ দেওয়ার সাথে সাথেই খেলা শুরু হলো। প্রথম থেকে ইংল্যান্ড দল স্পেনকে বেশ চাপিয়ে রেখেছিলো। বর্তমানে শক্তির বিচারে এই স্পেন এবং ইংল্যান্ড দুটোই ফুটবলের দিক দিয়ে প্রায় সমান পর্যায়ের। স্পেনের কিছু ইয়াং প্লেয়ার আছে খুবই ভালো খেলে।
এখন পর্যন্ত এই টুর্নামেন্টে স্পেন হারের মুখ দেখেনি। আর এই কারণেই ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে ইংল্যান্ডের থেকে স্পেন একটু এগিয়ে ছিলো। আজকে ইংল্যান্ড দল প্রথম কয়েক মিনিটে বেশ কয়েকটি আক্রমণ করে কিন্তু স্পেনের ডিফেন্স এবং গোলকিপার ভালো থাকাতে সেসব আক্রমণ গুলো রুখে দেওয়ায় সামর্থ হয়।
তবে আজকের খেলা যতই সময় অতিবাহিত হচ্ছিলো ততই স্পেন দল ভালো খেলছিলো। আপনারা যারা খেলা দেখে থাকেন তারা হয়তো অনেকেই জানেন যে, স্পেন দল পাসিং ফুটবল খেলে এবং তাদের খেলা সৌন্দর্য আসলেই চমৎকার। আজকের খেলায় প্রথমার্ধ পর্যন্ত স্পেনের থেকে ইংল্যান্ড বেশি প্রভাব বিস্তার করে তবে দুইদলের কোন দলেই গোলে দেখা পায়নি। তারপর ৪৫ মিনিটের খেলা সমাপ্ত হওয়ার পরে রেফারি বাঁশি ফুঁ দিয়ে খেলায় বিরতি দেয়।
আজকে বিরতির পরে দুই দলের মাঠে নামে তারপর রেফারির বাঁশিতে ফুঁ দেওয়ার মাধ্যমে আবার খেলা শুরু হয়। স্পেন দল বিরতির পরে খেলা শুরু করতে বেশ ভয়ংকর হয়ে ওঠে। বিরতির খেলা শুরুর দুই মিনিট পরেই স্পেনের উইলিয়ামস্ ইংল্যান্ডের জালে বল জড়ায়। তখন স্পেনের খেলোয়াড় সমর্থক থেকে শুরু করে সবাই বাঁধভাঙ্গা উল্লাসে মেতে ওঠে।
এমনটা হয় স্বাভাবিক কারণ ফাইনাল ম্যাচ বলে কথা আর স্পেনের কাছে রয়েছে সর্বোচ্চ ইউরো কাপ জয়ের দুর্দান্ত একটি সুযোগ। তারপর ৭২ মিনিট পর্যন্ত এভাবেই দুই দলের বেশ দারুণ খেলা চলতে থাকে। ইংল্যান্ড ৭৩ মিনিটের সময় গোল করে সমতায় আনে খেলাটা। আর এই গোলটি করে ইংল্যান্ডের নামকরা খেলোয়াড় পালমার।
দুই দল সমতায় থাকার পর খেলা আরো বেশি জমে ওঠে। তারপর ইংল্যান্ডের কোচ ও স্পেনের কোচ কিছু খেলোয়ারকে সাবস্টিটিউট হিসাবে মাঠে নামায়। আর এরপরওই ৮৬ মিনিটের মাথায় স্পেনের ওয়ারজাবাল ইংল্যান্ডের জালে বল জড়িয়ে স্পেনকে জয়ের পথ দেখায়। তখন ৯০ মিনিট পর্যন্ত খেলা খুব উত্তেজনা পূর্ণভাবে চলতে থাকে, তারপর রেফারি যোগ করা সময়ের খেলা শেষ করে বাঁশিতে লম্বা ফুঁ দিয়ে খেলা সমাপ্ত করে।
চ্যাম্পিয়নদের বিজয় উল্লাস
এবছর ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে পেলেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট হয়েছে স্পেনের খেলোয়াড় রাদ্রি। আর ইয়াংগেস্ট প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট হয়েছে লামিন ইয়ামাল।
স্পেন দলের সবাই বিজয় উল্লাসে ব্যস্ত রয়েছে।
আমি নিতান্তই একজন খেলা প্রেমী মানুষ। ফুটবল খেলা খুবই পছন্দের একটি খেলা আমার। ফুটবল খেলতে এবং খেলা দেখতে খুবই পছন্দ করি। কোপা আমেরিকা ফুটবল টুর্নামেন্টের এই ম্যাচটি সত্যি আমার কাছে দারুন লেগেছে। আমি মনে করি এই ম্যাচটিতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। আমি অবশ্য ইউরও চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ শুরুর আগেই ধারণা করেছিলাম যে, স্পেন এবারে ইউরো কাপ জিতবো। আর আমার আইডিয়াটা সঠিক হওয়ার কারণে বেশ ভালো লাগছিলো। যদিও আমি আর্জেন্টিনার সাপোর্ট করি তারপরও আমি নিজে থেকে চাচ্ছিলাম যে, স্পেন ইউরো কাপ জিতুক আর সামনের বছরে ফাইনালি সীমায় আর্জেন্টিনা এবং স্পেনের খেলা হোক। যাইহোক আজকের খেলাটা আমি বেশ উপভোগ করেছি।
পোস্টের ছবির বিবরন
| ডিভাইস | স্যামসাং গ্যালাক্সি এফ-৫৪ |
|---|---|
| স্ক্রিনশট সোর্স | Sony Liv |
| তারিখ | ২৬ ই জুলাই ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ |
| লোকেশন | কুষ্টিয়া |
প্রিয় বন্ধুরা,
আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে প্রতিনিয়ত আমার সৃজনশীলতা দিয়ে ভালো কনটেন্ট শেয়ার করে এই কমিউনিটিকে সমৃদ্ধ করতে চাই এবং উচ্চতার শিখরে নিয়ে যেতে চাই। আমার ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই নিজের খেয়াল রাখবেন সুস্থ এবং সুন্দর থাকবেন এটাই কাম্য করি।
@aongkon

কোন কিছু জয়াই করার পর বিজয় উল্লাস করতে ও দেখতে বেশ ভালোই লাগে। এই সিজনে স্পেন খুবই ভালো খেলেছে যার কারণে তারা তাহলে তারা সাফল্যের প্রান্তে পৌঁছেছে। ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলাটি আপনি বেশ দারুণভাবে আমাদের মাঝে রিভিউ করেছেন রিভিউটি পড়ে খেলা সম্পর্কে অনেক কিছুই ধরনা পেলাম। যদিও আমি খেলাটি সম্পূর্ণ দেখেছি। ধন্যবাদ ভাই অনেক সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ ভাই এটা সত্যি বলেছেন স্পেন এই মৌসুমে চমৎকার খেলেছে আর এই কারণেই সাফল্য পেয়েছে। অনেক সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।