সুস্বাদু ও মজাদার "নুডলস এর পাকোড়া " রেসিপি।।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি অবারাকাতুহ।
হ্যালো বন্ধুরা
কেমন আছেন?
আশাকরি,আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে সকলেই ভাল আছেন।আপনাদের দোয়ায় আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভালো আছি।আজ আমি আপনাদের মাঝে একটি ইউনিক ভাজার রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছি।রেসিপিটি হচ্ছে নুডলস এর পাকোড়া । রেসিপিটি দেখতে যেমন সুন্দর খেতেও খুবই মজাদার হয়েছিল। আশাকরি,রেসিপিটি আপনাদেরও ভালো লাগবে।
উপকরণের তালিকা
| ক্রমিক নং | উপকরণের নাম | পরিমাণ |
|---|---|---|
| ১ | নুডুলস | ২ প্যাকেট |
| ২ | পেঁয়াজ | ৩ টি |
| ৩ | কাঁচা মরিচ | ৬-৭ টি |
| ৪ | ময়দা | ১/২ কাপ |
| ৫ | সয়াসস | ২ চা চামচ |
| ৬ | নুডুলসের মসলা | ২ প্যাকেট |
| ৭ | ডিম | ১ টি |
| ৮ | চালের গুঁড়া | ১/২ কাপ |
| ৯ | লবন | স্বাদমতো |
| ১০ | সয়াবিন তেল | পরিমাণ মতো |
উপকরণের ছবি
রেসিপির প্রস্তুত প্রণালীর প্রতিটি ধাপ নিচে তুলে ধরা হলোঃ
প্রথম ধাপ
প্রথমে কাঁচা মরিচ কুঁচি করে নিবো।
দ্বিতীয় ধাপ
এরপর পেঁয়াজ কুঁচি করে নিবো।
তৃতীয় ধাপ
এরপর চুলাতে একটি সসপ্যান বসিয়ে এতে পানি দিয়ে নিবো।
চতুর্থ ধাপ
এরপর পানি বলক আসলে এতে নুডলস দিয়ে নিবো।
পঞ্চম ধাপ
এরপর ভালো করে সিদ্ধ হলে তা নামিয়ে একটি স্টেনারের সাহায্যে পানি ছেঁকে নিবো।
ষষ্ঠ ধাপ
এরপর একটি প্লাস্টিকের বোল নিয়ে নিয়ে এতে সিদ্ধ করে রাখা নুডলস দিয়ে নিবো।
সপ্তম ধাপ
এরপর পেঁয়াজ কুঁচি দিয়ে নিবো।
অষ্টম ধাপ
এরপর কুঁচি করে কেটে রাখা কাঁচা মরিচ দিয়ে নিবো।
নবম ধাপ
এরপর সয়াসস দিয়ে নিবো।
দশম ধাপ
এরপর ময়দা দিয়ে নিবো।
একাদশ ধাপ
এরপর চালের গুঁড়া দিয়ে নিবো।
দ্বাদশ ধাপ
এরপর নুডলস এর মসলা দিয়ে নিবো।
ত্রেয়দশ ধাপ
এরপর একটি ডিম ভেঙে তাতে লবন দিয়ে মিশিয়ে নিবো।
চর্তুদশ ধাপ
এরপর লবন মিশানো ডিম দিয়ে নিবো।
পঞ্চদশ ধাপ
এরপর পরিমাণমতো পানি দিয়ে সবগুলো উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে পুর তৈরি করে নিবো।
ষষ্ঠদশ ধাপ
এরপর চুলাতে একটি ফ্রাইপ্যান বসিয়ে সয়াবিন তেল দিয়ে নিবো।
সপ্তদশ ধাপ
এরপর সামান্য পরিমাণ পুর নিয়ে তা হাতের সাহায্যে চেপ্টা করে তেলের মধ্যে দিয়ে নিবো।
শেষ ধাপ
এরপর এপিঠ ও ওপিঠ করে ভালো ভাবে ভেজে নিবো এবং ভাজা হয়ে গেলে তা একটি প্লেটে নামিয়ে নিবো। এভাবেই তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু ও মজাদার নুডলস এর পাকোড়া রেসিপিটি।
পরিবেশন
পরিশেষে আমি চেষ্টা করেছি সুস্বাদু ও মজাদার করে নুডুলস এর পাকোড়া রেসিপিটি তৈরি করে আপনাদের মাঝে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য। জানি না কতটুকু পেরেছি। আমার তৈরি করা নুডলস এর পাকোড়া রেসিপিটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তবে কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। আপনাদের উৎসাহমূলক মন্তব্য আমাকে সুস্বাদু ও মজাদার রেসিপি তৈরি করতে অনুপ্রেরণা যোগাবে।
ফটোগ্রাফির বিবরণ
| Photographer | @anisshamim |
|---|---|
| Device | Google Pixel 4a |
আমার পরিচিতি
আমি আনিসুর রহমান। আমার স্টিমিট আইডি @anisshamim।আমার জন্মস্থান মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরে।আমি বাংলা ভাষার মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করতে স্বাচ্ছন্দ্যেবোধ করি এবং বাঙালি হিসেবে নিজেকে খুব গর্বিত মনেকরি।দেশকে খুবই ভালোবাসি।দেশের জন্য নিজের যেকোনো কিছু বির্সজন দিতে সদা সর্বদা প্রস্তুত।ভ্রমন করা আমার খুব সখ।তাছাড়া সময় পেলেই চিত্রাঙ্কন করা,কবিতা লিখা এবং মজার মজার রেসিপি তৈরি করা।গল্পের বই পড়তে ও খুব ভালো লাগে।অন্যের কষ্টে নিজেকে বিলিয়ে দিতে খুব ভালোলাগে।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
নুডলস এর পাকোড়া দেখেই তো খেতে ইচ্ছে করছে ভাইয়া।আপনার রেসিপি পরিবেশন জাস্ট দুর্দান্ত হয়েছে।রেসিপি তৈরির প্রক্রিয়া শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বেশ গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন।ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া সুন্দর রেসিপি পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
নুডলস এর পাকোড়া রেসিপি দেখে সুস্বাদু মনে হচ্ছে। তাই খেতে ইচ্ছা করছে। আপনার রেসিপি পরিবেশন আমার অনেক ভালো লেগেছে। শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া, এত চমৎকার মন্তব্য করে আমাকে উৎসাহিত করার জন্য।
বিকেলের নাস্তায় নুডুলস দিয়ে তৈরি করা পাকোড়া খুবই মজা লাগে। নুডুলস এর পাকোড়া তৈরি করতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে ।আমার পরিবারের সবাই এটি খুবই পছন্দ করে। আপনি খুব চমৎকারভাবে ধাপে ধাপে আমাদেরকে দেখিয়েছেন তাই খুব সহজ মনে হচ্ছে।
বিকেলের নাস্তা হিসেবে গরম গরম পাকোড়া গুলো খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আপনার নুডুলসের পাকোড়া গুলো দেখে খেতে ইচ্ছে করছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তৈরি করার ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। সুস্বাদুও মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
নুডলস এর পাকোড়া অনেক খেয়েছি। তবে বিকেল বেলা নাস্তা হিসেবে নুডলস এর পাকোড়া পারফেক্ট বলে আমি মনে করি।ধন্যবাদ আপনাকে প্রিয় একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
ভাইয়া নুডুলস দিয়ে যে পাকোড়া তৈরি করা যায় আমার জানা ছিল না আপনার পাকোড়া দেখে লোভ লেগে গেল। আপনার পাকোড়া দেখে মনে হচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। আপনার ধাপগুলো দেখে যে কেউ তৈরি করে নিতে পারবে এই পাকোড়া। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুস্বাদু একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেন নেওয়ার জন্য।
সুস্বাদু ও মজাদার নুডুলস এর পকোড়া রেসিপি দেখে জিভে জল চলে এলো ভাইয়া। বিকেলের নাস্তা হিসেবে পারফেক্ট একটি খাবার বানিয়েছেন। পকোড়া সাথে টমেটো সস থাকলে আর কোন কথাই নেই। ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া মজাদার এই রেসিপি তৈরি করার জন্য।
নুডুলস এর পাকোড়া আমার খুবই পছন্দ। খুবই ভালো লাগে নুডুলসের পাকোড়া খেতে। বৃষ্টি হলে অথবা ঠান্ডা ঠান্ডা আবহাওয়া পড়লে আমি এই নুডুলস এর পাকোড়াটি তৈরি করে থাকি। অনেকদিন আগে আমিও নুডুলস এর পাকোড়া রেসিপিটি শেয়ার করেছিলাম। আপনাকে ধন্যবাদ ভাইয়া নুডুলস এর পাকোড়া রেসিপিটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
নুডুলসের পাকোড়া আপনার পছন্দ জেনে খুব ভালো লাগলো আপু, অসংখ্য ধন্যবাদ আপু, এত সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
ভাই আপনাকে খুবই সুন্দর একটি রেসিপি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। বেশ কিছুদিন আগে আমি নুডুলস এর পাকোড়া ভেজে খেয়েছিলাম আসলে দারুন লাগে খেতে।এ তৈরি প্রক্রিয়া সাহস তাই খুব স্বাভাবিকভাবে ঝটপট করে এই নুডুলসের পাকোড়া তৈরি করে খাওয়া যায়। আপনি খুব সুন্দর ভাবে ধাপে ধাপে তৈরি টি আমাদেরকে দেখেছেন আপনাকে অনেক ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
আহা!! ভাই, খুবই মুখরোচক রেসিপি শেয়ার করেছেন। তাই তো দেখে খেতে ইচ্ছে করছে। মচমচে নুডুলস এর পাকোড়া খেতে ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে এই রেসিপি আমার মেয়ের কাছে খুবই পছন্দের। তাই আমার বাসাতেও এই নুডুলসের পাকোড়া মাঝে মাঝে তৈরি করা হয়। মজাদার ও সুস্বাদু নুডুলস পাকোড়া রেসিপির প্রতিটি ধাপ তুলে ধরার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।