ব্যস্ততম শুক্রবার
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগ পরিবার। আপনাদের সবাই কেমন আছেন? আশা করছি আপনারা সকলেই অনেক ভালো আছেন। তবে গত দুইদিন ধরে আমি অনেকটাই ব্যস্ততম সময় পার করছি। বর্তমানে আমার সেমিস্টার পরীক্ষা চলছে। এতে করে সবকিছু সামলে নেওয়াটা একটু কষ্টকর বিষয় হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের শুক্রবারে সরকারি ছুটি কিন্তু সেই ২০১৫ সাল থেকেই শুক্রবার ডিউটি এমন জবেই করে আসছি। এখনো শুক্রবারেই পরীক্ষা ক্লাস সবকিছুই হয়। সবমিলিয়ে শুক্রবারে যে বন্ধের যে বিষয়টা রয়েছে সেটার সাথে কোনভাবে মিশিয়ে যেতে পারি না বরঞ্চ এর উল্টো হয়।
এইতো শুক্রবারেই আমার পরীক্ষা ছিল। বর্তমানে আমাদের সাবজেক্ট এবং পড়াশুনা চাপ দুটোই অনেক বেশি। এছাড়াও বাংলাদেশ সরকার পরিবর্তনের কারণে অনেক কম সময়ের মধ্যে এই সেমিস্টারটা শেষ করার চেষ্টা চলছে। এতে করে সময় পাব মাত্র দুই মাসের কিছু বেশি। এতে করে সবকিছু কভার করাটা একটু কষ্টকর বিষয় হয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সারারাত ঘুমাতে পারে নাই বিভিন্ন ধরনের দুশ্চিন্তা মাথায় গ্রাস করছিল এবং পড়াশোনাও খুব একটা বেশি করা হয়নি। তবে পড়াশোনা করার চেষ্টা করেছিলাম। সকালবেলা ছয়টার সময় আমার এখান থেকে বের হতে হয়েছিল যদিও আজ যেতে প্রায় দেড় ঘন্টার মত সময় লেগেছিল। কিছুটা সময় হাতে নিয়েই বের হয়েছিলাম। যাই হোক সেই দিনে তিনটা পরীক্ষা ছিল। এতে করে আমাদের প্রেসার আরো বেড়ে গেছে।
সকাল আটটা থেকে সকাল দশটা পর্যন্ত প্রথম পরীক্ষাটা ছিল। প্রথম পরীক্ষাটা মোটামুটি অনেক ভালোই দিয়েছিলাম। পরবর্তীতে এক ঘন্টা বিরতি পরে আরো একটি পরীক্ষা ছিল। সেই সাবজেক্ট রিভিশন দেওয়ার জন্য এক ঘন্টার অনেক কম সময় পেয়েছিলাম। কিন্তু আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে সেই পরীক্ষাটা মোটামুটি ভালো হয়েছে। আবার তৃতীয় পরীক্ষাটা ছিল একদম নামাজের পরেই অর্থাৎ দুপুর দুইটা থেকে। তাই আর সেদিন আর দুপুরের নামাজটা পড়তে পারিনি বরঞ্চ সেই সময়টাকে একটু রিভিশন দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম এবং দুপুরের খাবার খেয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। যেহেতু সকালবেলা অনেক তাড়াহুড়ো করে যেয়ে পরীক্ষা দিতে হয়েছিল সকালের নাস্তা করার সময় এটা হয়ে ওঠেনি।
সবার শেষের পরীক্ষাটা তুলনামূলক একটু খারাপ হয়েছে। খারাপ হওয়াটা আমি মনে করি একদম স্বাভাবিক। একদিনেই তিনটা সাবজেক্ট এর পরীক্ষা দেওয়া কোন ভাবেই সহজ বিষয় নয় এবং পরীক্ষাগুলো অনেক হার্ড সাবজেক্টের ছিল। পরবর্তী দিনেও আরো বেশ কিছু পরীক্ষা রয়েছে। আশা করা যায় সেসব পরীক্ষাও ভালো দেবো। এই শুক্রবার অনেক ব্যস্ততম সময় পার করেছি। বাসায় এসে ঢুকতেই দেখি রাত সাড়ে আটটা পার হয়ে গেছে। এরপরেই ফ্রেশ হয়ে আবার বিভিন্ন ধরনের আনুষাঙ্গিক কাজ ছিল সেগুলো করে রাতে ঘুমাতেই অনেক লেট হয়ে গিয়েছিল।
তাছাড়া সারাদিন এতটা হয়রানি হয়েছিলাম যা বলার মত নয়। সব মিলে শরীরটাও অনেকটা ক্লান্ত এবং জ্বর জ্বর অনুভব করছিলাম। গত শুক্রবার আবার প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছিল ঢাকায় এবং লাঞ্চ করতে গিয়ে বৃষ্টির পানিও মাথায় পড়ে ছিল। সেখান থেকেই হালকা জ্বর এবং সর্দি অনুভব করছি বর্তমানে। আশা করা যায় খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবো আজকের মত এখানে শেষ করছি আপনারা সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন ধন্যবাদ সবাইকে।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
আমি আল সারজিল ইসলাম সিয়াম। আমি বাঙালি হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। আমি বর্তমানে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিএসসি-র ছাত্র। আমি স্বতন্ত্র স্বাধীনতা সমর্থন করি। আমি বই পড়তে এবং কবিতা লিখতে পছন্দ করি। আমি নিজের মতামত প্রকাশ করার এবং অন্যের মতামত মূল্যায়ন করার চেষ্টা করি। আমি অনেক ভ্রমণ পছন্দ করি। আমি আমার অতিরিক্ত সময় ভ্রমণ করি এবং নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হতে ভালোবাসি। নতুন মানুষের সংস্কৃতি এবং তাদের জীবন চলার যে ধরন সেটি পর্যবেক্ষণ করতে ভালোবাসি। আমি সব সময় নতুন কিছু জানার চেষ্টা করে যখনই কোনো কিছু নতুন কিছু দেখতে পাই সেটার উপরে আকর্ষণটি আমার বেশি থাকে।
বিষয়: ব্যস্ততম শুক্রবার
কমিউনিটি : আমার বাংলা ব্লগ
আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই এই কমিউনিটির সকল সদস্য কে, ধন্যবাদ.......
প্রথমেই আপনার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি ভাই। শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় আমাদের এখানেও বৃষ্টি হয়েছিল। যাইহোক একদিনে তিনটা পরীক্ষা, ভাবতেই তো কেমন লাগছে। এতো চাপ একসাথে সামলানো খুবই কষ্টকর। তৃতীয় পরীক্ষাটা তুলনামূলকভাবে কিছুটা খারাপ হয়েছে, জেনে বেশ খারাপ লাগলো ভাই। যাইহোক আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।
শুক্রবার এখন আমারও অনেক ব্যস্ততার সাথে যায়। পরবর্তী চার বছর এমনটা চলতেই থাকবে। একদিনে তিনটা পরীক্ষা দেওয়া সত্যি কঠিন। আমার তো দুইটা দেওয়া লাগবে এবং আমি এটাই চিন্তা করছি কীভাবে দেব। মানিয়ে নেওয়ার একটা ব্যাপার থাকে।
শুক্রবার মানেই তোমার অনেক বেশি চাপ।
আর এই চাপ কে তুমি খুবই চমৎকার করে সামলিয়ে নাও বাপ।
এটা ঠিক সরকার পরিবর্তনের জন্য সেমিস্টার গুলো একটু দ্রুত হচ্ছে। পড়াশোনার চাপ হলেও, এটার একটা ভালো দিকও আছে।। সব মিলিয়ে তোমার সুখময় জীবন সব সময় কামনা করি।