বৃষ্টির মাঝে অসুস্থতা
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগ পরিবার। আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করছি আপনারা সবাই অনেক ভালো আছেন। আসলে বর্তমানের ওয়েদারটা ভালো নেই। সব জায়গায় কেন জানি জ্বর সর্দি এবং পানিবাহিত রোগ গুলো খুব বেশি দেখা দিচ্ছে। এর পিছনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে বাংলাদেশের গত কয়েকদিন ধরে প্রচন্ড বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এছাড়াও আমাদের উত্তরাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে আসলে। উত্তরাঞ্চলের তিস্তা ব্যারেজের থেকে প্রচন্ড পানি বেরিয়ে আসছে। পিঠা ব্যারেজের আর ৪৪ টা গেটের মধ্যে প্রায় ৪০ টাকা গেট বর্তমানে খোলা হয়েছে এবং নদীর আশেপাশে ইতিমধ্যে বন্যা শুরু হয়ে গিয়েছে। আশা করছি উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য আপনারা সবাই প্রার্থনা করবেন।
এ সপ্তাহে আমার মর্নিং শিফটে ডিউটি ছিল। সকাল ছয়টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত।গতকাল পর্যন্ত সবকিছুই মোটামুটি ঠিক ছিল। যদিও এর মাঝে একটু অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম তবে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ছিলাম। আজকে অফিস থেকে আসার সময় বৃষ্টির পানিতে একটু ভিজে যাই যার কারণে বাসায় আসার পর থেকেই অনেকটা জ্বর জ্বর লাগছিল এবং আসলে অনেক সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। এছাড়াও কাশি এবং ঠান্ডাও লেগে গিয়েছে। এত কম সময়ের মধ্যে শরীরটা এতটা খারাপ হয়ে যাবে কখনো কল্পনা করতে পারিনি। তারপরও বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে একটু ঘুমানোর চেষ্টা করেছি। ঘুমের মধ্যেই জ্বর এবং ঠান্ডা লেগেছে এই বিষয়টি বুঝতে পেরেছি তাই ঘুম থেকে উঠতে একটু লেট হয়েছে। যেহেতু প্রতিনিয়ত ভোরবেলা করে যেতে হয় তাই রাতের ঘুমটা ঠিক ভাবে হচ্ছে না।
গত কয়েকদিন ধরে আমার পরিচিত যাদের সাথেই কথা বলেছি তাদের কোন না কোন সমস্যা হয়েছে। পানি বাড়িতে রোগ কিংবা জ্বর কিংবা ঠান্ডা সবাই কোন না কোন অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়ে পড়ে রয়েছে। সব মিলিয়ে দেশের পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ। একদিকে ডেঙ্গুর প্রভাব অন্যদিকে প্রচন্ড বৃষ্টিপাত এবং সিকিমের পাহাড়ি অঞ্চলের ধ্বস এবং সেই ধসের কারণে ভারত এবং বাংলাদেশের বেশ কিছু অঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা করছেন। বর্তমানে আপনারা যারা রয়েছেন তারা সবসময় চেষ্টা করবেন এই বৃষ্টির পানিতে না ভেজার জন্য। কারণ এই বৃষ্টির পানি একটু মাথায় পড়লেই বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। যেমন আজকে আমারটা আমার সাথে করেছে অফিস থেকে বাসায় এসেছি মাত্র ৫ মিনিটের ব্যবধানে। এই ৫ মিনিটে পানি মাথায় পড়ে আজকে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গেছি।
এছাড়াও গত দুই মাস থেকে আমার জীবনটায় অনেকটাই ব্যস্ততম হয়ে গিয়েছে। একদিকে চাকরির টেনশন অন্যদিকে পড়াশুনা টেনশন আর এর মাঝে রয়েছে কমিউনিটির কাজ সবমিলিয়ে সময় মিলাতে এবং রুটিনটা ঠিকভাবে ম্যানেজ করতে অনেকটাই সমস্যা হচ্ছে। মাঝে মাঝে তো তিন চার ঘন্টাও ঘুম হচ্ছে না। এদিকে আবার নিজের রান্না নিজেকেই করতে হয় এটা হচ্ছে আরো একটা বেশি প্যারা দায়ক বিষয় মনে হচ্ছে।
আমি বেশিরভাগ সময় ভয়েস টাইপিং করে পোস্টগুলো লেখার চেষ্টা করছি তবে আজকে ভয়েস টাইপিং করে লেখা কোনভাবেই সম্ভব হচ্ছে না আমার দ্বারা। কারণ একটি কথা বললেই প্রচণ্ড কাশি হচ্ছে তাই হাতে যতটুকু পারছি হাতে লেখার চেষ্টা করছি। তাই আজ আর বেশি কিছু লিখব না, আপনারা সবাই নিজেদের যত্ন রাখবেন এবং নিজের পরিবারের খেয়াল রাখবেন এবং পানি বাহিত রোগ থেকে বাঁচার চেস্টা করবেন, ধন্যবাদ সবাইকে।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আমি আল সারজিল ইসলাম সিয়াম। আমি বাঙালি হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। আমি বর্তমানে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিএসসি-র ছাত্র। আমি স্বতন্ত্র স্বাধীনতা সমর্থন করি। আমি বই পড়তে এবং কবিতা লিখতে পছন্দ করি। আমি নিজের মতামত প্রকাশ করার এবং অন্যের মতামত মূল্যায়ন করার চেষ্টা করি। আমি অনেক ভ্রমণ পছন্দ করি। আমি আমার অতিরিক্ত সময় ভ্রমণ করি এবং নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হতে ভালোবাসি। নতুন মানুষের সংস্কৃতি এবং তাদের জীবন চলার যে ধরন সেটি পর্যবেক্ষণ করতে ভালোবাসি। আমি সব সময় নতুন কিছু জানার চেষ্টা করে যখনই কোনো কিছু নতুন কিছু দেখতে পাই সেটার উপরে আকর্ষণটি আমার বেশি থাকে।
বিষয়: বৃষ্টির মাঝে অসুস্থতা
কমিউনিটি : আমার বাংলা ব্লগ
আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই এই কমিউনিটির সকল সদস্য কে, ধন্যবাদ.......
বর্তমানে ওয়েদার ঘনঘন পরিবর্তন হচ্ছে। সেজন্য অনেকেই জ্বর ঠান্ডায় ভুগছে। বৃষ্টির পানি তো একেবারেই সহ্য হয় না এখন আমার। একটু ভিজলেই জ্বর চলে আসে। আপনারও তো দেখছি একই অবস্থা। ভাই যে পরিমাণে বৃষ্টি হচ্ছে,পানি তো এমনিতেই বাড়ছে। বন্যার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে মোটামুটি সবদিকেই কমবেশি। যাইহোক আশা করি খুব শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠবেন।
ভাই আপনার পোস্টটা পড়ে সত্যি ভীষণ খারাপ লাগলো ।পাঁচ মিনিটের বৃষ্টির পানিতেই জ্বর সর্দি বাঁধিয়ে বসেছেন। সত্যি ভীষণ খারাপ অবস্থা ।আর আপনার কাজের চাপ এত বেড়েছে জেনেও বেশ খারাপ লাগলো ।এখন তাড়াতাড়ি একটি বিয়ে করা দরকার, তাহলে রান্নার ঝামেলা থেকে অন্তত বেঁচে যাবেন। আপনার জন্য শুভকামনা।
আর বলেন না ভাইয়া। বেশ কিছুদিন আমি নিজেও জ্বরে ভোগছি। জ্বরের সাথে তো আছে ঠান্ডা। অবেশেষে এন্টিবায়োটিক মামার সাহায্য ছাড়া হলো না। বেশ যন্ত্রণা দিচেছ এখন কার রোগ ব্যাধি গুলো। তবে সাবধান থাকবেন। চারদিকের অবস্থা কিন্তু বেশ শোচনীয়। হাসপাতাল গুলোতেও কোন জায়গা নেই।
বর্তমান ওয়েদার খুব খারাপ যাচ্ছে। বৃষ্টিতে আপনি অল্প একটু ভেজাতে জ্বর,কাশি হয়ে গেলো।জেনে খুব খারাপ লাগলো। আমিও পরশু অনেকটাই ভিজলাম বৃষ্টিতে।বর্তমানে আপনার কাজের চাপ বাড়াতে আরো বেশি সমস্যা হচ্ছে।এরপর লেখাপড়া, কমিউনিটির কাজ, রান্না সত্যি ই খুব কষ্টসাধ্য। দোয়া করি খুব শীঘ্রই সুস্থ হয়ে যাবেন।অনেক অভিনন্দন রইলো আপনার জন্য।
আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে সবাই কম বেশি অসুস্থ হচ্ছে আর আপনি অফিস থেকে ফেরার পথে বৃষ্টিতে ভিজে ছিলেন বলেই ঠান্ডা জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। আপনার জন্য দোয়া রইল যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে যান।
আসলেই ভাই এখনকার বৃষ্টি টা খারাপ। মাথায় পড়লেই ঠান্ডা লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর গতকাল হ্যাংআউটে আপনার গলার খারাপ অবস্থা টা বুঝতে পারলাম। আশাকরি আপনি দ্রুত সুস্থ্য হয়ে যাবেন। আর এই বৃষ্টি নিয়ে আমিও বেশ শঙ্কায় আছি। এই অসময়ে যদি বন্যা হয় তাহলে অনেক মানুষ বিপদে পড়ে যাবে। আল্লাহ্ যেন সবাইকে হেফাজত করে।