নিজ হাতে তৈরি করা "তেলেভাজা সুস্বাদু পিয়াজি"। (১০% বেনিফিশিয়ারি লাজুক শিয়ালের জন্য)।
১৬ রমাদান, ১৪৪৩ হিজরি
১৮ এপ্রিল,২০২২সাল
রমজান মাসে ইফতারের জন্য পিয়াজু তৈরি।
হ্যালো
নিজ হাতে তৈরি করা পিয়াজী রেসিপি।
উপকরণঃ
- মসুর ডাল
- পিয়াজ
- মরিচ
- তেল
- লবণ
- আদা
- রসুন
- হলুদ
ধাপ ১
পিয়াজু তৈরি করার জন্য প্রথমে আমি মুসুর ডাল ভিজিয়ে নিয়ে তা একটি বাটিতে করে তুলে রেখেছি।
ধাপ ২
ভেজানো মসুর ডাল গুলো মিহি করে নিয়েছি।
ধাপ ৩
মিহি করা ডালগুলো একটি বাটিতে সুন্দর করে রেখে দিয়েছি এবং তার পাশে পেঁয়াজগুলো ঝুরীঝুরী করে কেটে রেখে দিয়েছি।
ধাপ ৪
আদা এবং রসুন বাটা করে সুন্দরভাবে পিষে নিয়েছি এবং তার পাশে মরিচ গুলো ছোট ছোট করে কেটে নিয়েছে অতঃপর লবণ-হলুদ একটি প্লেটে রেখে দিয়েছি।
ধাপ ৫
মিহি করা ডাল ঝুড়ি ঝুড়ি ঝুড়ি করা পিয়াজ আদা রসুন লবণ এবং হলুদ সব একটি পাত্রে রেখে দিয়েছি।
ধাপ ৬
মিহি করা ডাল এবং তৈরি করা মসলার উপাদান গুলো সব মিক্সিড করে নিয়েছি।
ধাপ ৭
এবার উনুনের উপরে করাই বসিয়ে তার উপরে তেল ঢেলে নিয়েছি। এই তেল একটু গরম হলেই এখানে তৈরি করা উপকরণ গুলো দিয়ে পীয়াজি বানানোর কাজ শুরু হবে।
ধাপ ৮
পীয়াজী বানানোর উপকর গুলো গরম তেলের মাঝে ছেড়ে দেবার পর থেকে শুরু করে মাঝা মাঝি সময়ে তোলা ফটো।
ধাপ ৯
সম্পূর্ণ পিয়াজি তৈরি হবার পূর্ব মুহূর্তে তোলা ফটো। পিয়াজি একটু লাল লাল আকৃতির হয়েছে এখানে।
ধাপ ১০
পিঁয়াজি তৈরি হবার পর তা করাই থেকে নামিয়ে একটি প্লেট এর উপরে রেখে দিয়েছি।
ধাপ ১১
আমার সাধের পিয়াজি তৈরি হবার পর একটি প্লেটে রেখে তার উপরে দুইটা শুকনা মরিচ তেলে ভেজে পিয়াজির উপরে রেখে দিয়েছি।
বন্ধুরা আমার তৈরি করার রেসিপি টা কেমন হয়েছে তা অবশ্য আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্য করে জানাবেন। এই রমজান মাসে আমার এই রেসিপিটি আমার কাছে অনেক সুন্দর মনে হয়েছিল আশা করি আপনাদের অনেক ভালো লাগবে। সকলের সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করে আজকের মত এখানেই শেষ করছি আল্লাহ হাফেজ।
Join the Discord Server for more Details
জীবন পাতার শেষ হওয়া একটা পাতার সংরক্ষণঃ
ভাইয়া আপনার তেলে ভাজা পেঁয়াজি দেখে মনে হচ্ছে খুবই সুস্বাদু হয়েছে। এভাবে পেঁয়াজি খেতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। সন্ধ্যায় ইফতারিতে পান্তা ভাতের সাথে শুকনো মরিচ ও পেঁয়াজি ভাজা দিয়ে ভাত খেতে অনেক ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আসলে এটা অনেক সুস্বাদু হয়েছিল আমি তো অনেক কয়টা খেয়ে ফেলেছি।
বাহ ভাইয়া আপনার নিজের হাতে বানানো পেঁয়াজি গুলো একদম নিখুঁত হয়েছে। দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হবে। পেঁয়াজি তৈরির ধাপ গুলো আপনি খুবই গোছালোভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন যা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ ভাইয়া।
সত্যিই এই পিয়াজু টি অনেক সুস্বাদু হয়েছিল।
ওয়াও আপনার তৈরি পিয়াজু দেখে তো আমার খেতে ইচ্ছে করছে। প্রতিদিন অবশ্য ইফতারে পিয়াজু থাকে। কেনা পিয়াজু তেমন একটা সুস্বাদু হয় না।বাড়িতে ভাজা পিয়াজু অনেক মুচমুচে ও অনেক টেষ্টি লাগে। আপনার পিঁয়াজু দেখে একটা কথা মনে পড়ে গেলো সেই দোকান থেকে পিয়াজু কিনে নিয়ে এসে ইফতারে খেতে কেমন যেনো টকটক লাগলো।২ টা খেয়ে আর খেতেই পারলাম না।আপনার তৈরি এই পিঁয়াজু পাইলে অনেক গুলো খেয়ে ফেলতাম। হাহা খুব সুন্দর হয়েছে আপনার তৈরি রেসিপি। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য। আপনার আগামীর জন্যও রইল অনেক অনেক শুভকামনা।
তেল ছাড়াও পিঁয়াজু ভাজা করো জানা না থাকলেও আমার জানা আছে। সময়মতো পোস্ট করার ইচ্ছে রইল।
ধন্যবাদ আমরাও আপনার পোষ্টের অপেক্ষায় রইলাম।
রমজান মাসে ইফতারের জন্য পিয়াজু সবার টেবিলের একটি কমন খাবার, আর সেই খাবার তৈরীর রেসিপি আপনি আমাদের মাঝে চমৎকারভাবে উপস্থাপন করেছেন,দেখে অনেক ভাল লাগল।
ধন্যবাদ আপনাকে আপনার গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য।
আমি মনে করি যে পিয়াজু খেতে সবার ভালো লাগে। কারণ পিয়াজু একটা মুখরোচক খাবার জিনিস। যা দেখলে মনে হয় জিভে জল চলে আসে। আপনি খুব সুন্দর করে প্রতিটি ধাপের বর্ণনা আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। সুন্দর একটি পিয়াজু রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। শুভকামনা রইল ভাই আপনার জন্য।
ধন্যবাদ আপনার আগামীর জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল ভালোবাসা নেবেন।
রোজার দিনে দোকানে পেঁয়াজির আকার ছোট হয়ে যায়। হাহাহ। আসলে এই সময়ে পেঁয়াজির চাহিদা থাকে অনেক। যাইহোক, আপনার পেঁয়াজির কালার দেখে মনে হচ্ছে সেই মচমচে হইছে। শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাই।
হ্যাঁ ভাই আসলে কি অনেক মজা হয়েছিল এবং অনেক সুস্বাদু হয়েছিল।
আপনার তেলে ভাজা পেঁয়াজিটি দেখে মনে হচ্ছে সত্যিই খুবই সুস্বাদু হয়েছে ।এ ধরনের পেঁয়াজি খেতে বেশ ভালোই লাগে ।প্রতিদিন ইফতারিতে পেঁয়াজি না হলে যেন জমে না ।দারুন বানিয়েছেন আপনি ।আপনার রেসিপিটি আমার কাছে বেশ ভাল লেগেছে ।ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য।
এত সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
পিয়াজি আমার খুবই প্রিয়। পিয়াজি খেতে আমি খুবই পছন্দ করি। এখন তো প্রতিদিনই ইফতারের সময় পিয়াজি খাওয়া হয়।আপনার তৈরি পিয়াজি দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হবে।আপনি খুবই সুন্দরভাবে পিয়াজি তৈরি করার পদ্ধতি গুলো আমাদের মাঝে ধাপে ধাপে উপস্থাপন করেছেন। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আপনার কাঙ্খিত মন্তব্যের জন্য আপনাকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।
ভাজাপোড়া মধ্যে সবচেয়ে পছন্দের হলো আমার পিয়াজু, যখন খেতে বসেছি একসাথে যে কতগুলো খাই হিসেবে থাকে না। তবে সত্যি কথা বলতে বাসায় বানিয়ে এভাবে কখন খাওয়া হয়নি, আপনার রেসিপিটি দেখে মনে হচ্ছে এভাবে একদিন বাসায় বানিয়ে খাওয়া যেতেই পারে
সত্যি পিয়াজু খেতে অনেক সুস্বাদু মিষ্টি লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার মন্তব্যের জন্য।