খেজুরের রসের স্বাদে চালের গুঁড়ের স্পন্সের মিষ্টি পিঠা রেসিপি।
বিসমিল্লাহি রহমানের রাহিম আসসালামু আলাইকুম
শ্রদ্ধেয় প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
আপনারা সবাই কেমন আছেন ? সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আশা করি ভাল আছেন । আমিও সৃষ্টিকর্তার রহমতে ভালো আছি ।
প্রিয়, আমার বাংলা ব্লগ কমিটির সদস্যরা
আপনাদের মাঝে আবার এসে হাজির হলাম। আজ আমি আপনাদের, খুবই মজাদার এবং সুস্বাদু খেজুরের রসের স্বাদে চালের গুঁড়ের স্পন্সের মিষ্টি পিঠা রেসিপি সম্পর্কে বলতে চাই। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। আপনারা আপনাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করে পুরো পোস্ট টি দেখবেন আশা করি।
প্রথমে এতো চমৎকার দুর্দান্ত সময় উপযোগী শীতের পিঠা রেসিপি প্রতিযোগিতার আয়োজন করার জন্য শ্রদ্ধেয় দাদা সহ সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। বিশেষ করে অনেক অনেক ধন্যবাদ আমাদের নুসুরা আপুকে। শীত মানে হচ্ছে পিঠা তৈরি করার ধুম । শীতকাল মানেই হচ্ছে কুয়াশা ভেজা সকালে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের পিঠা খাওয়ার অনুভূতি। গ্রাম অঞ্চলে নতুন ধানের নবান্ন উৎসব পালন করা হয় নতুন পিঠা তৈরি করার মাধ্যমে। আমাদের মা বোনেরা সকালবেলা কনকনে ঠান্ডার মধ্যে বিভিন্ন রকম পিঠা তৈরি করে থাকে।
ঘুম থেকে উঠে গরম গরম পিঠা খাওয়ার অনুভূতি সত্যিই বেশ দুর্দান্ত। শীতকালে খেজুরের রস পাওয়া যায়। খেজুরের রস দিয়ে নানা রকম পিঠা তৈরি করা হয়ে থাকে যা স্বাদের ভিন্নতা থাকে। শীতকালে কাঁচা খেজুর রস এবং খেজুরের রসের গুড় দিয়ে নানা রকমের পিঠা পাওয়া যায়। এবারের প্রতিযোগিতা দেখে আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। আমার কাছে সব রকমের পিঠা খেতে ভীষণ ভালো লাগে। এবারের উপযোগিতার জন্য সবাই বেশ দুর্দান্ত ইউনিক পিঠা রেসিপি উপস্থাপন করতেছে যা দেখে ভীষণ ভালো লাগছে। প্রতিযোগিতা মানে হচ্ছে ইউনিক দুর্দান্ত কিছু উপস্থাপন করা।
তার জন্য আমিও এবারে ভিন্ন ধরনের পিঠা রেসিপি উপস্থাপন করার চেষ্টা করলাম। আসলে মিষ্টি খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় না। যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা কম হলেও মিষ্টি খেয়ে থাকে। তাইতো আমি চালের গুঁড়ের স্পন্সের মিষ্টি পিঠা রেসিপি তৈরি করছি। দুধ দিয়ে নানা রকম পিঠা তৈরি করা যায়। দুধ পুলি পিঠা, দুধের সুজির পিঠা, দুধের নারিকেলের পিঠা। দুধ দিয়ে চালের গুঁড়ের স্পন্সের মিষ্টি পিঠা বেশ অসাধারণ। চালের গুঁড়ের তুলতুলে নরম স্পন্সের মিষ্টি পিঠা খেতে বেশ ভালো লাগে। খেজুরের রসের সাথে তুলতুলে নরম স্পন্সের মিষ্টি পিঠা খেতে ভীষণ ভালো লাগে।
আমি যখন পরিবারের সবাইকে বলছি, চালের গুঁড়ের স্পন্সের মিষ্টি পিঠা রেসিপি তৈরি করবো। সবাই বলেছে, মিষ্টি পিঠা তৈরি হবে না। এ ধরনের পিঠা তৈরি করতে বেশ সময়ের ব্যাপার অনেক উপকরণের প্রয়োজন হয়। পরে আমি সকলকে বলছি, দেখি নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করে হয় কিনা? যখন স্পন্সের মিষ্টি পিঠা তৈরি করছি পরিবারের সবাই দেখে তো সবাই খুশি। স্পন্সের মিষ্টি পিঠা খেয়ে সবাই বলছে বেশ অসাধারণ হয়েছে। পিঠা গুলো তৈরি করতে পেরে সত্যিই আমার কাছেও খুবই ভালো লাগলো।
পিঠা তৈরি করতে অনেক সময় লাগলেও পিঠা গুলো স্বাদ বেশ অসাধারণ। স্পন্সের মিষ্টি পিঠা তৈরি করতে আমি গরুর দুধ, খেজুর রস, বাদাম, চিনি, নারিকেল ইত্যাদি ব্যবহার করেছি । বিশেষ করে গরুর দুধ, খেজুর রস এবং বাদাম দেওয়াতে খেতে সত্যিই বেশ মজাদার এবং সুস্বাদু হয়েছে। স্পন্সের মিষ্টি পিঠার স্বাদ সত্যি বেশ দুর্দান্ত হইছে। যদিও পিঠা তৈরি করতে একটু বেশি কষ্ট হয়েছিলো আমার। কিন্তু সবাই মিলে খেতে পেরে খুবই ভালো লেগেছে।
আমি পুরো রেসিপি কি ভাবে তৈরি করলাম? তার বর্ণনা নিচে প্রতিটা ধাপে উপস্থাপন করলাম। আশা করি আমার আজকের রেসিপিটি দেখে আপনাদের ভালো লাগবে।
আসুন শুরু করি
প্রয়োজনীয় উপকরণ সমূহ :-
| নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| চালের গুঁড়া | চার কাপ |
| নারিকেল | একটি |
| দুধ | এক কাপ |
| খেজুরের রস/ রাব | আদা কাপ |
| ঘি | তিন টেবিল চামচ |
| বাদাম | পরিমাণ মতো |
| চিনি | ছয় টেবিল চামচ |
| বেকিং পাউডার | পরিমাণ মতো |
| লবণ | পরিমান মত |
| এলাচি তেজপাতা | পরিমান মতোন ইত্যাদি । |
↘️ প্রস্তুত প্রণালীঃ ↙️
↘️ধাপ :- ১↙️
- আমি প্রয়োজনীয় উপকরণ যোগাড় করি। পিঠা তৈরির প্রক্রিয়ার কাজ আরম্ভ করছি।
- প্রথমে আমি একটি নারিকেল কেটে নারিকেল কোরাই নিলাম।
↘️ধাপ :- ২↙️
- এখন আমি একটি পাতিল চুলার উপরে বসায়। পাত্রের মধ্যে পরিমাণ অনুযায়ী পানি দিলাম। পানি ফুটন্ত হলে চালের গুঁড়া এবং পরিমান অনুযায়ী লবণ দিলাম।
↘️ধাপ :- ৩↙️
- এখন আমি খুন্তি দিয়ে চালের গুঁড়া বারবার নাড়িয়ে নিচ্ছি। চালের গুঁড়া সিদ্ধ করে আটা তৈরি করে নিচ্ছি।
↘️ধাপ :- ৪↙️
- এখন আমি চালের আটা পাতিল থেকে একটি বাটিতে ঢেলে নিলাম। তারপর আঠার মধ্যে চিনি, নারিকেল, পরিমান অনুযায়ী বেকিং পাউডার, খেজুরের রাবের সাথে দুধ মিশিয়ে ঢেলে দিলাম।
↘️ধাপ :- ৫↙️
- সব উপাদান দেওয়ার পর হাত দিয়ে আটা ভালো করে মলে নিলাম।
↘️ধাপ :- ৬↙️
- এই পর্যায়ে রুটি বানানোর পিড়ির উপর হাত দিয়ে আটা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে গোল করে পিঠা তৈরি করে নিচ্ছি।
↘️ধাপ :- ৭↙️
- ধীরে ধীরে গোল গোল করে পিঠা তৈরি করে নিলাম।
↘️ধাপ :- ৮↙️
- এই ধাপে আমি একটি ছোট পাতিল নিলাম। পাতিলের মধ্যে একটি পরিষ্কার জালি দিয়ে পিঠা গুলো জালির মধ্যে ঢেলে দিয়ে জালি বেঁধে নিলাম।
↘️ধাপ :- ৯↙️
- এখন আমি একটি বড় পাতিল চুলার উপরে বসায় । পাতিলের মধ্যে পরিমান অনুযায়ী পানি দিলাম। পানি গরম হয়ে গেলে ছোট পিঠার পাতিল উল্টিয়ে বড় পাতিলে উপর বসে দিলাম।
- গরম পানির ভাপে পিঠা গুলো আস্তে আস্তে হচ্ছে। অনেকক্ষণ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে পিঠা গুলো হওয়ার জন্য।
↘️ধাপ :- ১০↙️
- অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর অবশেষে পিঠা গুলো তৈরি হলো। পিঠা গুলো জালি থেকে বাটিতে ঢেলে নিলাম।
↘️ধাপ :- ১১↙️
- স্পন্সের মিষ্টি পিঠা তৈরি করার জন্য এখন আমি পিঠা গুলো কাঠি এবং কাটা চামচ দিয়ে সবদিকে ছিদ্র বা, ফোঁটা তৈরি করে নিলাম।
↘️ধাপ :-১২↙️
- ধীরে ধীরে সব গুলো পিঠা ছিদ্র করে নিলাম।
↘️ধাপ :- ১৩↙️
- এখন আমি বাদাম তাবার উপরে দিয়ে হালকা গরম করে নিলাম । বাদাম গরম হয়ে গেলে বাদামের উপরের আবরণ ফেলে দিলাম। তারপর বাদাম গুলো বেঁটে নিয়েছি।
↘️ধাপ :- ১৪↙️
- এখন আমি পিঠার জন্য শিরা তৈরি করবো। তাই একটি পাতিল চুলার উপরে বসাই । পাতিল এর মধ্যে পরিমাণের মত দুধ, নারিকেল, বাদাম বাটা, চিনি, তেজপাতা, এলাচি এবং দারচিনি দিলাম।
↘️ধাপ :- ১৫↙️
- কিছুক্ষণ পরপর আমি চামচ দিয়ে দুধ চিনি নাড়িয়ে নিচ্ছি । প্রায় দশ মিনিট ভালো করে ফুটিয়ে শিরা তৈরি করে নিলাম।
↘️ সর্বশেষ ধাপ :- ↙️ </h2
- পিঠা তৈরি হয়ে গেলে পরিশেষে আমি পিঠা গুলো একটি বাটির মধ্যে নিলাম। তারপর গরম শিরা পিঠার উপরে ঢেলে দিলাম। শিরা ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত পরিবেশনের জন্য অপেক্ষা করতেছি। শিরার মধ্যে পিঠা গুলো যতো বেশিক্ষণ ধরে শিরার মধ্যে থাকবে ততোই পিঠা তুলতুলে নরম স্পন্সের মতন হবে।
- এক ঘন্টা পর পিঠা গুলো খাওয়ার জন্য পরিবেশন করলে খেতে বেশ তুলতুলে নরম হয়ে থাকে। এরপর পরিবেশন করলাম যা এখন আপনাদের কাছে দৃশ্যমান। আশা করি আমার আজকের রেসিপি আপনাদের ভালো লাগবে।
পোস্টটির কোথায় ভুল ত্রুটি হলে সুন্দর ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন।
পোস্ট বিবরণ :-
| শ্রেণী | রেসিপি |
|---|---|
| ক্যামেরা | realme C55 |
| পোস্ট তৈরি | @ah-agim |
| লোকেশন | ফেনী, বাংলাদেশ |
এতক্ষণ আপনাদের মূল্যবান সময় দিয়ে আমার পোস্টটি শেষ পর্যন্ত দেখার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা পেলে আমি আরো বিভিন্ন ধরনের রেসিপি আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করবো, ইনশাআল্লাহ।
অন্য সময়ে আবার অন্য কোন বিষয় নিয়ে কথা হবে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন। সুস্থ থাকবেন, নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নিবেন । এই আশাবাদ ব্যক্ত করে আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি।
সবাইকে শুভ বিকাল
আপনারা সবাই ভালো থাকবেন।
আপনাদের সকলকে আমার পক্ষ থেকে ভালোবাসা💜💙 এবং অভিনন্দন রইলো ।
আমার পরিচিতি
আমি আওলাদ হোসেন আজিম ।আর আমার ইউজার নাম @ah-agim আমি একজন বাংলাদেশী। মাতৃভাষা বাংলায় বলে পেরে আমি খুব গর্বিত। আমার মনে ভাষা বাংলায় প্রকাশ করতে খুব ভালো লাগে। আমি আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিকে ভালোবাসি। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির সন্মানিত ফাউন্ডার, এডমিন, মডারেটর সহ সকল সদস্যদের প্রতি আমার অফুরন্ত ভালোবাসা বিরাজমান। আমি বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করতে ভালোবাসি। সৃষ্টিকর্তার দেওয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে আমার কাছে খুব বেশি ভালো লাগে। তাছাড়া আমি বিভিন্ন ধরনের কাগজের ( কারুকাজ ) এবং বিভিন্ন রকমের রান্না ( রেসিপি ) করতে পছন্দ করে থাকি। আমি ফটোগ্রাফি করে থাকি। ফটোগ্রাফি করতে আমার কাছে অনেক অনেক বেশি ভালো লাগে। বিশেষ করে সৃষ্টিকর্তার দেওয়ায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দৃশ্য সমূহ ফটোগ্রাফি করতে আমার কাছে ভালো লাগে।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
SET @rme as your proxy




গ্রামাঞ্চলেও এখন নবান্ন উৎসব পালন করা হয় না বললেই চলে। আসলে আমি গ্রামেই থাকি কিন্তু কখনো এমন উৎসব দেখি না। শুধু সামান্য ।ভাপা পিঠাটাই তৈরি করা দেখেছি। তবে আপনার রেসিপিটি দেখে বেশ ভালো লাগছে। একদম ভিন্নধর্মী ও নতুন ছিল।
পিঠার রেসিপি দেখে আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুব খুশি হলাম ধন্যবাদ আপনাকে।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
শীত আসতে না আসতেই আমার বাংলা ব্লগ হরেক রকমের পিঠার আয়োজনে মেতে উঠেছে।আপনার থেকে ইউনিক একটি পিঠার রেসিপি দেখতে পেলাম ভাইয়া।ডেকোরেশন টি চমৎকার লেগেছে।পিঠা খেতেও নিশ্চয় ভালো ছিল অনেক।ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
এত চমৎকার মন্তব্য করে উৎসাহ প্রদান করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই।
https://twitter.com/MdAgim17/status/1732342444434595949?t=_2wYD_KrP4oAhTyJI9CyQg&s=19
খেজুরের রসের স্বাদে চালের গুড়ার সুন্দর পিঠা তৈরি করেছেন ভাইয়া। পিঠা গুলো দেখতে ভীষণ লোভনীয় লাগছে। খেতেও মনে হয় ভীষণ সুস্বাদু হয়েছিল। পিঠা তৈরি করার পর পরিবেশন টাও দারুণ হয়েছে ভাইয়া। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
আপনার জন্যও শুভকামনা রইলো আপু ধন্যবাদ।
দারুন একটি রেসিপি। আপনার রেসিপি দেখে তো মাথা ঘুরার উপায় হয়েছে। বেশ সময় এবং ধৈর্য নিয়ে আপনি আজকের পিঠার রেসিপি নিয়ে আমাদের মাঝে হাজির হয়েছেন। যা দেখে শুধু আমি নয় কমিউনিটির সবাই মুগ্ধ হবে বলে আমার বিশ্বাস। শুভ কামনা রইল আপনার জন্য।
এত চমৎকার গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
প্রথমেই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য আপনাকে জানাই অনেক অনেক অভিনন্দন। আপনি অনেক লোভনীয় একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। এটা দেখেই একটু টেস্ট করতে ইচ্ছা করছে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।আপনার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।
এত দুর্দান্ত অনুভূতি শেয়ার করে পাশে থাকার জন্য আপু আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
প্রথমে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই আপনাকে। অনেক সুস্বাদু একটি রেসিপি নিয়ে আপনি প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করলেন। এই পিঠা আমার অনেক প্রিয় একটি পিঠা। যদিও আপনি খেজুর রসের মধ্যে দিয়েছেন খেতে আরো অনেক ভালো লাগবে। দুর্দান্ত একটি রেসিপি নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য অনেক ভালো লাগলো।
অনেক অনেক ধন্যবাদ এত চমৎকার মন্তব্য করে উৎসাহ প্রদান করার জন্য।
বাহ্! বেশ মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন তো ভাই। স্পঞ্জের মিষ্টি আমার খুব পছন্দ এবং মাঝেমধ্যে আমার খাওয়া হয়। তবে স্পঞ্জের পিঠা আমার কখনো খাওয়া হয়নি। আপনার রেসিপিটা দেখতে বেশ লোভনীয় লাগছে ভাই। খেতেও নিশ্চয়ই দারুণ লেগেছে। যাইহোক এতো চমৎকার একটি রেসিপির মাধ্যমে চলমান প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
এত দুর্দান্ত অনুভূতি শেয়ার করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
ভাইয়া প্রথমে আপনাকে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য ধন্যবাদ জানাই। আপনি প্রতিযোগিতার জন্য খুবই মজাদার পিঠা রেসিপি তৈরি করেছেন। এই পিঠা খাওয়া হয়নি। আমার কাছে আপনার এই পিঠা অনেক ইউনিক লেগেছে। পিঠাগুলো দেখতে রসগোল্লার মতো লাগছে। ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। আপনার উপস্থাপনা খুব সুন্দর হয়েছে। ধন্যবাদ মজাদার ও ইউনিক রেসিপি শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই । এতো অসাধারণ মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।