এ সমাজে নারীরা এখনও নিরাপদ নয় "১০ শতাংশ লাজুক শিয়ালের জন্য বরাদ্দ"
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বড় সমস্যা গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে নারীর প্রতি সহিংসতা এবং ধর্ষণ। বর্তমান সমাজে নারীর প্রতি সহিংসতা বিষয়টি বেড়েই চলেছে। অতীতে নারীদেরকে দাসি কিংবা পণ্য ভাবা হতো, আর বর্তমানে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ দেয়া হলেও কিছু কিছু পুরুষের কারণে বিভিন্ন ধরনের প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। বাড়ির বাইরে বেরোলে পর্যন্ত অনেক বাজে বাজে মন্তব্য শুনতে হয়। অথচ আমরা একবারও এ কথা চিন্তা করি না আমাদের বাসাতেও মা বোন আছে। সমাজে নারীরা পূর্বে কখনো নিরাপদ ছিল না, এমনকি এখনও পুরোপুরি নিরাপদ নয়।
রাস্তাঘাটে একা চলা একটি মেয়ের পক্ষে খুবই কঠিন। রাস্তায় চলতেও বিভিন্ন ধরণের আজে বাজে কথা শুনতে অর্থাৎ ইভটিজিংয়ের শিকার হতে হয়। অথচ এই পুরুষশাসিত সমাজের কিছু কিছু লোকজন নারীদের পোশাকের দোষ দিয়ে থাকেন। দৃষ্টিভঙ্গি যেখানে মুখ্য বিষয়, সেখানে পোশাকের বিষয়টি নিছক অজুহাত ছাড়া আর কিছুই নয়। নারীর প্রতি সহিংসতা বৃদ্ধি পাওয়ার নানা ধরনের কারণ রয়েছে। এদেশে ইভটিজিং এর জন্য তেমন কোন শাস্তির বিধান নেই বললেই চলে, আবার নারীর প্রতি সহিংসতা এবং ধর্ষণের বিচারের শাস্তিও একেবারেই কম। ধর্ষকদের শাস্তি কম হওয়ার কারণেই মূলত নারীর প্রতি সহিংসতা এবং ধর্ষণের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতিনিয়ত। বিগত কয়েক বছরে ধর্ষণ এবং ধর্ষকদের বিচারের শাস্তির পরিসংখ্যান দেখলেই বিষয়টি সহজেই উপলব্ধি করা।অনেক নিশংসভাবে ধর্ষণের শাস্তিও কখনো মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়নি। এদেশে চলন্ত বাসে, রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে, এমনকি প্রশাসনিক ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ও নারীদের ধর্ষণ করা হয়। এমনকি অনেক সময় ছোট ছোট মেয়েরাও ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। মাঝেমাঝেই দেশের বড় বড় পত্রিকা এবং সংবাদমাধ্যমগুলো থেকে এ ধরনের খবর বের হয়। ক্ষমতাধারী লোকজনদের কাছ থেকে এরূপ ব্যবহার কখনোই কাম্য নয়। কারন এ ধরনের লোকজনরা দেশ পরিচালনার এবং দেশকে রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন। রক্ষকরাই যদি ধর্ষক হয় তাহলে ধর্ষণের বিচার করবে কে!
নারীর প্রতি সহিংসতা এবং ধর্ষণ প্রতিরোধে এ বিষয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। অধিকাংশ ধর্ষকদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে ধীরে ধীরে আমাদের সমাজ থেকে ধর্ষণের পরিমাণ কমে আসবে। প্রশাসনের লোকজনরা যাতে তাদের নিজেদের প্রশাসনিক ক্ষমতা দেখিয়ে ছাড় না পায় সেদিকেও সরকারকে খেয়াল রাখতে হবে।
ধন্যবাদ সবাইকে
| ফটোগ্রাফি | @abusalehnahid |
|---|---|
| ডিভাইস | SAMSUNG J7 Next |
| লোকেশন | W3W |
আপনি সুন্দর একটি বিষয় তুলে ধরেছেন।আমাদের উন্নত দেশগুলোতে দেখলে এই ধরনের সমস্যা খুব কম দেখা যায় কিন্তু আমাদের গরিব দেশগুলোতে নারীরা নির্যাতনের শিকার হয়।এটি একমাত্র ভালো চিন্তাশক্তির দ্বারা বন্ধ করা যেতে পারে।ধন্যবাদ ভাইয়া।
খুবই সুন্দর এবং গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দিদি।