এই ধরনের ঘটনা দেখে বা শুনে যে কেউ মানসিকভাবে দুমড়ে মুচড়ে যেতে পারে, বিশেষ করে যারা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং কাউন্সেলিং বা থেরাপির ব্যবস্থা করা খুবই জরুরি। আমরা যদি সমাজ হিসেবে একটু সচেতন হই, তাহলে হয়তো এই বাবা-মায়েদের ব্যথা কিছুটা লাঘব করা সম্ভব।