আমার বাংলা ব্লগ - একটু হাসি || কৌতুক সপ্তাহ -২৬
আমার বাংলা ব্লগের আরো একটি নতুন আয়োজন- এবিবি একটু হাসি’তে সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি। এটা একটু ভিন্ন ধরনের উদ্যোগ, মনের উচ্ছ্বাসে প্রাণ খুলে হাসার আয়োজন। যেখানে সবাইকে নিয়ে প্রতি সপ্তাহের একটা দিন একটু অন্য রকমভাবে কৌতুকের সাথে আনন্দ করার প্রয়াস চালানো হবে। নিজেকে একটু অন্য রকমভাবে প্রকাশ করতে হবে, সবাইকে নিজের কথায় কিংবা কৌতুকে মাতিয়ে রাখতে হবে। বিষয়টি যেন আরো বেশী আকর্ষণীয় হয়ে উঠে সেই জন্য প্রতি সপ্তাহে পাঁচজনকে $২.০০ ডলার করে মোট $১০.০০ ডলার এর ভোট দেয়া হবে। তবে যারা এই আয়োজনের ক্ষেত্রে আন্তরিকতার পরিচয় দিবে এবং মজার কিছু শেয়ার করার চেষ্টা করবে, পুরস্কারের ক্ষেত্রে তাদেরকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
এবিবি-ফান এর মাধ্যমে প্রতি সপ্তাহের বুধবার এবিবি একটু হাসি পোষ্ট শেয়ার করা হবে, যেখানে প্রতি সপ্তাহে ভিন্ন ভিন্ন বিষয় নির্বাচন করা হবে। আপনারা সেই বিষয়টির সাথে সামঞ্জস্য রেখে নিজের মতো করে কৌতুক অথবা মজার কোন হাসির অনু গল্প শেয়ার করবেন। এখানে মূল উদ্দেশ্য থাকবে হাসি, এমন কিছু শেয়ার করতে হবে সবাই যেন প্রাণ খুলে হাসার সুযোগ পায়। সেটা আপনার নিজের হতে পারে কিংবা সংগৃহীত হতে পারে, তবে এই ক্ষেত্রে অবশ্যই নিয়মের ভিতর থাকতে হবে, যেন কপিরাইট এর বিষয়টি সামনে আসতে না পারে।
আমাদের জীবনে মজার নানা ঘটনা রয়েছে, যেখানে হাসির একটা বিষয়ও সংযুক্ত রয়েছে। যেগুলো স্মরণ হলে এখনো আমরা মনে মনে হাসি অথবা লুকিয়ে হাসার চেষ্টা করি। আমরা আড়ালে থাকা সেই বিষয়গুলোকে সম্মুখে আনতে চাই এবং সকলের সাথে তা শেয়ার করার মাধ্যমে একটু অন্য রকমভাবে দিনটি উপভোগ্য করতে চাই। কৌতুকের ব্যাপারে একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, কৌতুক মোটেও কপিরাইটেড না। তবে সেটা সংগৃহীত পুরনো কৌতুক হবে, যদি ক্রিয়েটিভ কৌতুক হয় যেটার লেখকের নাম জানা আছে সেটা কপিরাইটেড। আশা করছি বিষয়টি পরিস্কার এখন।
আজকের বিষয়ঃ
ঝড়ের দিনে আম কুড়ানো নিয়ে মজার কোন কৌতুক বা হাসির অনু গল্প।
বিষয় নির্বাচনকারীঃ
অংশগ্রহণের নিয়মাবলীঃ
- কৌতুক/হাসির অনু গল্প সর্বোচ্চ ৭৫ শব্দের মাধ্যমে দিতে হবে।
- একজন ইউজার শুধুমাত্র একটি কৌতুক/হাসির অনু গল্প শেয়ার করতে পারবে।
- কৌতুক/হাসির অনু গল্প অবশ্যই উপরের বিষয়ে সাথে সামঞ্জস্য/সংযুক্ত থাকতে হবে।
- এডাল্ট কিছু শেয়ার করা যাবে না, তবে সকলের সাথে ভাগ করে নেয়া যায় সেই ধরনের কিছু শেয়ার করা যাবে।
- পোষ্টটি অবশ্যই রিস্টিম করতে হবে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
| আমার বাংলা ব্লগের ডিসকর্ডে জয়েন করুনঃ | ডিসকর্ড লিংক |
|---|
সুমন ভাইয়া গেলেন আরিফ ভাইদের বড় আম বাগানে আম কুড়াতে।
সুমন ভাইয়া: বস্তায় আমার আম আছে।
হাফিজ ভাইয়া, প্রতিদিন বাসে উঠে দেখে প্রতিবন্ধী সিটে কেউ না কেউ বসে আছে। সেদিন দেখে প্রতিবন্ধী সিটে একটি বস্তা বসানো আছে। সবাই ভাবছে কেউ হয়তো সিট রেখে দিয়েছে। সবাই দাঁড়িয়ে আছে।
৫-৬টা স্টপেজ যাওয়ার পর বাসে খুব ভিড়। সবাই খুব চেঁচাচ্ছে- কার বস্তা, হটান সিট থেকে। একজনের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সুমন ভাইয়া বলে উঠলো-
সুমন ভাইয়া : আমার।
হাফিজ ভাইয়া : আপনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে বস্তাটা সিটে রেখেছেন কেন?
সুমন ভাইয়া : সিটটা প্রতিবন্ধীর জন্য। আর বস্তায় আমার আম আছে। আমগুলো ল্যাংড়া।
হা হা হা, সুমন ভাই এইসব করেই বেড়ান শুধু।
☺️☺️
মায়ের বারণ সত্বেও ছেলে ঝড়ের মাঝে আম কুড়োতে যায়। তারপর সবার থেকে বেশি আম নিয়ে বাড়িতে আসার পর।
ছেলে:মা তুমিতো আম কুড়োতে যেতে মানা করলে।দেখো কত গুলো আম কুড়িয়ে এনেছি।
মা:তা তো বুঝলাম।কিন্তু তোর লুঙ্গি কই?
হায় ঈশ্বর, মনে হয় লুঙ্গিটা আমগুলির ইজ্জত রক্ষা করছিল।
এই সেরেছে। এটা কি হইল 😂😂
লুঙ্গি মনে হয় আম গাছের ডালে বেঁধে থেকে গেছে। হা হা হা...
শেষ মেষ আমের গাছে ইজ্জত ঝুলিয়ে রাখলো, হা হা হা।
হাহাহা😄
আম গাছও সুযোগ বুঝে প্রতিশোধ নিয়ে নিয়েছে।এর থেকে প্রমাণ হয় যে গাছেরও জীবন আছে। হা হা হা...
জগদীশ চন্দ্র বসুর এত বছরের পরিশ্রমে আপনি জল ঢেলে দিলেন।হাহাহা
আজ যদি জগদীশচন্দ্র বসু বেঁচে থাকতেন, তাহলে এই লেখা দেখে হয়তো আরো একবার হার্টফেল করে মরে যেতেন। হা হা হা..
দমকা বাতাসে লুঙ্গি আকাশে হাহাহা
হালকা বাতাসে লুঙ্গি আকাশে 🤣🤣
একবার আমাদের সুমন ভাই বিরাট এক ঝড়ের দিনে অন্যের গাছ থেকে আম কুড়িয়ে নিয়ে গেল বাজারে বিক্রি করতে। আবার এদিকে আমাদের হাফিজ ভাইও কম চালাক না, তিনিও বাজারে চলে এসেছেন কম দামে আম কেনার জন্য। কারণ হাফিজ ভাই ভালো করেই জানেন যে ঝড়ে পড়া আমের দাম খুবই কম হয়। এখন সুমন ভাই ও হাফিজ ভাই এর কথোপকথন-
হাফিজ ভাই : দোকানে যতো পচা আম আছে, সব প্যাক করুন।
সুমন ভাই : সে কী! এতো পচা আম নিয়ে করবেনটা কি!
হাফিজ ভাই : আপনি সব পচা আম প্যাক করবেন, নাকি অন্য দোকানে যাব?
সুমন ভাই : সরি, এখনি রেডি করছি। এই নিন, সব পচা আম মিলিয়ে দুই কেজি হয়েছে।
হাফিজ ভাই : এবার ওই আমগুলো সাইডে রেখে আমাকে বাকি আমগুলো থেকে এক কেজি আম প্যাক করে দিন।
এরপর থেকে হাফিজ ভাইকে আম কিনতে আসতে দেখলে সুমন ভাই সেখান থেকে তার আমের বস্তা নিয়ে পালিয়ে যেত। কারণ হাফিজ ভাইয়ের কাছে আম বিক্রি করে সুমন ভাইয়ের কোনদিনও লাভ হয়নি।
হা হা হা সুমন ভাইও ব্যবসা বুঝে গেছেন এরপর হতে।
সুমন ভাই ভালই ব্যাবসা জানেন। তবে তারপর থেকে আপনাকে দেখলে সব কিছু উল্টে পাল্টে যায়।🤭
হাফিজ ভাইও বিপদে আছে। পচা আম নিয়ে গেলে বাড়িতে উঠতে দেবে না তো ভাবি ।, 😜
এর থেকে প্রমাণিত হয় যে, বিয়ে করলে ছেলেদের বুদ্ধি অনেক গুনে বেড়ে যায়।😜
তাহলে ব্যবসা টিকিয়ে রাখার জন্য হয়তো সুমন ভাইয়াকেও বিয়ে করতে হবে😁😁
আপনারা দেখে শুনে ভালো কোনো একটা পাত্রি নির্বাচন করেন😁😁
সুমন ভাই অলরেডি বিবাহিত। নতুন করে আবার কি বিয়ে করবে।🥺
একটা বিয়েতে বুদ্ধি বাড়ছে না,,,,তাই ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে হলে আরেকটা করা ছাড়া কোনো উপায় নেই🤣🤣
আম কুড়ানো নিয়ে আমার ছোটবেলার একটা গল্প মনে পড়ে গেলো সুমন ভাই। আমাদের গ্রামের বাড়িতে প্রচুর আমের গাছ ছিল, তাই ঝড় হলেই সবাই মিলে চলে যেতাম আম বাগানে আম কুড়াতে। হঠাৎ করে একদিন না বলে কয়ে তুমুল বেগে ঝড় শুরু হয়ে গেল। এদিকে আমরাও প্রস্তুত ছিলাম না যে এরকম করে হঠাৎ করে ঝড় আসবে। তাই তাড়াহুড়ো করে বাড়ির লোক সবাই মিলে বস্তা, ঝুড়ি নিয়ে চলে গেলাম আমাদের আম বাগানে আম কুড়াতে। আসলে আমাদের আম বাগান আমাদের বাড়ি থেকে বেশ কিছুটা দূরে ছিল, এজন্য সচরাচর সেখানে যাওয়া হত না। যাইহোক আমরা সবাই বাগানে আম কুড়াচ্ছিলাম হঠাৎ করেই দেখলাম যে আমাদের হিমসাগর আম গাছের মাথার উপর কে যেন উঠে বসে রয়েছে। প্রথমে তো ভয় পেয়েছিলাম যে ভূত পেত্নী কিছু হবে হয়তো। পরে দেখতে পারলাম আমাদের গ্রামের এক চোর গাছের মাথায় উঠেছে আম চুরি করতে। আসলে সে অনেক সময় ধরেই গাছে ছিল, তবে হঠাৎ করে ঝড়ু বাতাস হওয়ার কারণে সে আর গাছ থেকে নামতে পারেনি, ওইভাবে গাছ জড়িয়ে ধরে বসেছিল। আর সেই সময় আমরা এসে উপস্থিত হই। যাই হোক এটা দেখে প্রচন্ড হাসি পাচ্ছিল, তারপর আবার টেনশন হচ্ছিল যে এত জোরে বাতাস দিচ্ছে লোকটা আবার গাছ থেকে ছুটে চলে না যায়।
হাহাহা। সত্যিই মজা পেলাম। 😂
ঘটনাটি গত বছরের,,,
আমাদের পাড়ার দুইটি ছেলে ওয়ালিদ আর সিহাব গেছে রাশিদ মোল্লার বাগানে আম পাড়তে।
ওয়ালিদ সিহাবকে গাছে উঠিয়ে দিয়ে বললো, তুই গাছ থেকে আম পাড়, আমি নিচে পাহাড়া দিচ্ছি।
সিহাবও এই কথা শুনে গাছে উঠে পড়লো,গাছে উটে সে একটা পাকা আর রসাম আম দেখিয়ে ওয়ালিদকে বললো এইটা তোকে দিবো না আমি একা খাবো🙃🙃
আমটি দেখে ওয়ালিদ সিহাবকে অনেক অনুনয় বিনয় করলে আমটির কিছু অংশ তাকে দেবার জন্য🙏🙏।
কিন্তু সিহাব যখন তাকে আমি দিতে পুরোপুরি অস্বীকার করলো তখন ওয়ালিদ রশিদ মোল্লার বাড়িতে গিয়ে মোল্লার স্ত্রীকে ডেকে এনে সিহাবকে দিলো ধরিয়ে 😜😜
নাও এবার ঢেলা সামলাও😜😜
কিছুক্ষণ বকাবকির পরে যখন মোল্লার বউ চলে গেলো। তখন সিহাব শুধু একটা কথাই বললো,"
হালায় কামডা করলো কি😅😅
ঝড়ের দিনে একদিন আম কুড়াতে গিয়ে হঠাৎ দেখতে পাই অনেকগুলো আম একই জায়গাতে পড়ে রয়েছে। তখন চিন্তা করলাম এতগুলো আম একসাথে পড়ে রয়েছে এগুলো নিয়ে ভেগে যাই,না হলে যার গাছের আম সে কিন্তু এসে বকাঝকা করতে পারে। অবশেষে আমগুলো নিয়ে বাড়িতে রেখে আসলাম এবং পুনরায় আবার আম খুঁজতে গেলে। তখন দেখি এক দাদীমা বলে আমার আম গুলো কে যেন নিয়ে গেছে, আমি সবগুলো আম এখানে একসাথে জমা করে রেখেছিলাম। তখন বুঝতে পারলাম একসাথে জমা করা আমগুলো দাদীমা একত্রিত করেছিল নিজে নেওয়ার জন্য।আর আমি চুরি করে আম নিয়ে গিয়েছিলাম।😂🤣😂🤣
আমার ঠাম্মা বাড়িতে একটা আমগাছ ছিলো। জন্মের পর থেকে সেই গাছে কোন কালেই বিশেষ ফলন হতে দেখি নি। হঠাৎ সেই বছর অনেক আম হল গাছে। গাছের ডাল গুলো আমাদের রান্না ঘরের টালির উপর পড়ছিলো।আমার পিসেমশাই আমায় এবং আমার বোন কোয়েল কে সেই টালির চালের উপর উঠিয়ে দিলো আম পেড়ে আনার জন্য। আম যখন পাড়া হলো এবার পিসেমশাই বললো যে, "তোরা এবার উপরেই থাক আর নামাবো না।" আমি আর বোন প্রথমে ভয়ে কিছুক্ষণ কাঁদলাম। তারপর আমগাছের শুঁয়োপোকা আমপাতায় নিয়ে পিসেমশাইর গায়ে ছুঁড়ে মেরেছিলাম।তারপর সেই কি লাফালাফি তার! তারপর থেকে পিশেমশাই আর এমন ইয়ার্কি করে নি আমাদের সাথে।
বল্টু গতকাল স্কুলে যায় নি। পরের দিন স্কুলে যাওয়ার পর
শিক্ষক:- বল্টু গতকাল স্কুলে আসিস নি কেন...?
বল্টু:- স্যার গত কাল ঝড় এসেছিলো তাই আম কুড়াতে গিয়েছিলাম।
শিক্ষক:- কান ধরে দাড়া। একটি প্রশ্ন করবো যদি উত্তর দিতে পারিস তাহলে বসবি আর না হয় কান ধরে দাড়িয়ে থাকবি।
বল্টু:- আচ্ছা ঠিক আছে স্যার।
শিক্ষক :- বল তো আম উপরের দিকে না গিয়ে নিচে পড়ে কেন?
বল্টু :- উপরে মনে হয় খাওয়ার লোক নেই স্যার।
শিক্ষক সহ সবাই হাসঁতে হাসঁতে বেহুশ,হা হা হা।😂😂😂
বশির যখন বাগানে পটি করতে গেল, তখন একটা খুব পাকা আম মাটিতে পড়ে আছে। বশিরের মুখে জল এসে গেল, কিন্তু আমটা পট্টিতে পড়ে আছে। সেখানে কেউ ছিল না, সে আমগুলো ধুয়ে খেয়েছে।
প্রতিবেশী সন্ধ্যায় গান করছিল
"আগামীকাল সবাইকে জানাবো"
ভয়ে বশির ১০০ টাকা দেন।
প্রতিবেশী ভেবেছিল যে সম্ভবত তিনি গানটি খুব পছন্দ করেছেন এবং তিনি আরও জোরে গাইলেন।
এখন বশির তাকে 200 টাকা দিল।
এবার প্রতিবেশীরা জোরে জোরে গান গাইতে লাগল।
বশির বলল তুমি আমাকে যা বলবে আমি নিজেই বলবো, সে চিৎকার করে উঠলো।
"হ্যাঁ, আমি গতকাল পট্টিতে পড়ে থাকা আম খেয়েছি।"
হাসতে হাসতে সবার পেট ব্যাথা হয়।