আজকে সকাল বেলার আমাদের গ্রামের কিছু ফটোগ্রাফি
হ্যালো বন্ধুরা ,,,
আজকে হঠাৎ করেই আমাদের বাড়ির পাশের একটি নদী রয়েছে সেই নদীতে পানি বাড়তে শুরু করে ৷ কাল থেকেই প্রায় মুসুল ধারে বৃষ্টি হচ্ছে ৷ তাই তো আজকে সকালে সবাই নদী দেখতে গেছে ৷ আমাদের এই নদী টি অনেক আগের আর নদী তে রয়েছে একটি লোহার ব্রীজ যা প্রাচীনকাল থেকেই মানুষজন এখনো লোহার ব্রীজ নামে চিনে থাকে ৷ কারন এই ধরনের লোহার ব্রীজ খুবই কম রয়েছে বললেই চলে ৷ আপনারা দেখতেই পারতেছেন ব্রীজের উপর অনেক ছোট বড় মানুষজন ভিড় জমিয়েছে ৷
ব্রীজের উপর থেকে নিচে একজন জেলে টনি জাল টানতেছে ৷ সাধারনত আমাদের গ্রাম অঞ্চলে এই জালকে টনি জাল বলে থাকি ৷ প্রতিবছরে বর্ষার সময় এই জেলে এইভাবে মাছ ধরে থাকে ৷ এবং সে সারাদিন এবং সারারাত পর্যন্ত মাছ ধরে থাকে ৷ তারপর সকাল বেলা সেই মাছগুলো বাজারে নিয়ে যায় বিক্রি করার জন্য ৷
আমরা যতটুকু জানি এবং দেখেছি সে দিন ও রাতে প্রায় দশ থেকে বারো কেজির মত মাছ ধরে থাকে ৷ কারন আমাদের এলাকায় মাছের হার খুবই কম তারজন্য জেলে গুলো বেশি করে মাছ ধরতে পারে না আর জালেও মাছ গুলো আটকায় না ৷ তারা সারাদিন সারারাত এভাবে কষ্ট করে মাছ ধরে তারা অবশেষে সেগুলো বিক্রি করে তারা তাদের সংসার চালিয়ে থাকেন ৷ এই ধরনের হাজারো জেলে বর্ষা বাদলে মাছ ধরে তারপর তাদের পরিবারের অভাব অন্টন দুর করে থাকে ৷
লোহার ব্রীজ থেকে পানিতে লাফ দেওয়ার কিছু দৃশ্য ৷ আমরা প্রতিবছরে বর্ষাকালে এই লোহার ব্রীজ থেকে পানিতে লাফ দিয়ে থাকি ৷ হয়তো সারাবছর আমরা এইভাবে আনন্দ করতে পারি না কিন্তু এই সময়ে ভরাট নদীতে গোসল করা অনেক আনন্দের তাই তো আমরা সবাই মিলে এই সময় করে অনেক মজা করে থাকি ৷ আর আসলে এটা শৈশবের আনন্দ বর্তমান সময়ে আমাদের মাঝে এই আনন্দ গুলো আর নেই ৷
এখন যারা শৈশবে পা দিয়েছে তারাই বেশি আনন্দ করে থাকবে ৷ তারা বৃষ্টি হলেই মাছ ধরতে যাবে বৃষ্টি হলেই কাদো দিয়ে খেলা করবে ৷ বৃষ্টি হলেই নদীতে বা পুকুরে লাফালাফি শুরু করে দিবে ৷ আসলে আমাদের শৈশবকালে সবারই একটি মনোরম পরিবেশে কেটেছে ৷ তাই আমরা এখনো সবাই শৈশবের মধুর স্মৃতি গুলো এখনো স্মরন করে থাকি ৷ আমরা মনে করি আবার যদি আমরা শিশু হতে পারতাম ৷
তারপর বলা যায় বর্ষাকাল একটি ভয়ানক কাল কারন এই সময়ে যখন তখন বন্যায় কবলিত হয়ে আমাদের ঘর বাড়ি সব কিছু ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারে ৷ তারপর আমাদের ফসলি জমি নষ্ট করে দিতে পারে খুব সহজেই ৷ বর্তমানে নদীর পাশে যে ধান চাষ করেছিল সেই সব ধানচাষ এখনো পানির নিচে রয়েছে এভাবে বেশিদিন পানির নিচে থাকলে ধানের গাছ গুলো খুব সহজেই পঁচে যাবে ৷ ফলে তা সবই নষ্ট হয়ে যাবে আর কৃষকের দূর্দাশা বেড়ে যাবে ৷
| বিষয় | ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| ডিভাইস | ভিভো Y11 |
| লোকেশন | বাংলাদেশ |
| W3W | https://w3w.co/slotted.inward.quartered |
আপনি আপনার গ্রামের একদম ন্যাচারাল কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। এই ছবি গুল দেখে নিজের ছোটবেলায় ফিরে গেছিলাম। কত মজা করতাম সেই সব দিনগুলোতে। ধন্যবাদ শেয়ার করে আমাদের দেখার সুযোগ করে দেয়ার জন্যে
ভাইয়া আপনার লেখার প্রথমেই একটি বানানের ভূল রয়েছে ৷ সেটা ইডিট করে দিন তাহলে লেখার মান টা আরো অনেক ভালো দেখাবে ৷
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর ভাবে আপনার মূল্যবান মন্তব্য করার জন্য ৷ ভালো থাকবেন আপনিও ...
রাতেরবেলা বৃষ্টি হলে পরের দিন সকালে ঘুম থেকে ওঠে দেখি মানুষ মাছ মারছে। এগুলো যারা গ্রামে বসবাস করে তারা দেখতে পায়। আর বৃষ্টির সময় পুকুর বা খালবিলে গোসল করার মজাই আলাদা। আপনাকে ধন্যবাদ পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
ঠিক বলেছেন ভাই ৷ আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর ভাবে আপনার মূল্যবান মন্তব্য করার জন্য ৷ ভালো থাকবেন আপনিও ...
প্রাকৃতিক পরিবেশ মানেই অসম্ভব সুন্দর! আজকে আপনাদের লোহার ব্রিজের নিচে একজন জেলে জাল ফেলেছে! আসলে আমরা এটাকে ধর্মজাল বলে থাকি! ওখানে নিশ্চয়ই অনেক মাছ উঠেছে।
এরপরে আমরা দেখলাম লোহার ব্রিজ থেকে অনেক ছেলেরা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে গোসল করছে! আসলে এই জিনিসটা খুবই সুন্দর আপনি আজকে আপনাদের গ্রামে থাকা নদী,,, এবং লোহার ব্রিজ সম্পর্কে আমাদের সাথে আলোচনা করেছেন! অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে,,, এত সুন্দর একটা ফটোগ্রাফির পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য! আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল! ভাল থাকবেন।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর ভাবে আপনার মূল্যবান মন্তব্য করার জন্য ৷ ভালো থাকবেন আপনিও ...
কিছু দিন যাবত ক্রমাগত বৃষ্টি হওয়ায় দেশের প্রায় বিভিন্ন জায়গায় পানওর উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা জানি নদীতে নতুন পানি আসলে নতুন মাছও আসে, কিন্তু বহু বছর যাবৎ মাছ নেই বললেই চলে। আপনাদের এলাকার মতো আমাদের এলাকাতেও তেমন মাছ নেই, আর মাছ না থাকার একটি বড় কারণ হচ্ছে নদীতে অতিরিক্ত জাল দ্বারা মাছ ধরা। তাই এলাকায় নদীতেমাছের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য আমাদের উপজেলা প্রসাসক, মৎস অফিসার, পুলিশ এবং স্থানীয় কিছু সমাজ কর্মীদের উদ্যোগে নদীর সব জাল কেটে ফেলা হয়েছে। একটি নির্দিষ্ট সময় পরে আবার এলাকায় জাল স্থাপনের অনুমতি দিবে বলেও শুনেছি আমি। আমার মতে সকল উপজেলা সকল ইউনিয়ন এ এই কর্মসূচি শুরু করা উচিত, তবেই দেশে মৎস ঘাটতি পূরণ এবং মাছ আর দেশ থেকে হারাবে না।
খুবই সুন্দর পোস্ট লিখেছেন। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর ভাবে আপনার মূল্যবান মন্তব্য করার জন্য ৷ ভালো থাকবেন আপনিও ...
আমরা যারা গ্রামের মধ্যে বাস করি, তারা এরকম প্রাকৃতিক দৃশ্য বর্ষাকালে দেখতে পারি। যখন একটানা বৃষ্টি হয় তখন খাল বিল পানিতে ভরে যায় আর জেলেরা মাছ ধরে।
আমাদের অঞ্চলে এই জাল কে বলা হয় চটকা। এই জালটি দিয়ে অনেক মাছ ধরা সম্ভব। আপনাদের একটি ব্রিজ আছে সেখানে মাছ ধরার পাশাপাশি, ছেলেরা ব্রিজ এর উপর থেকে পানিতে লাফালাফি করে অনেক মজা করে। একটা সত্যি অনেক আনন্দের।
অনেক ভালো লাগলো আপনার পোস্টটি পড়ে।।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর ভাবে আপনার মূল্যবান মন্তব্য করার জন্য ৷ ভালো থাকবেন আপনিও ...
আপনার তোলা আপনাদের গ্রামের ছবি গুলে অনেক সুন্দর। ইচ্ছে করছে আপনাদের গ্রামে ঘিরে আসি। কি সুন্দর মনোরম দৃশ্য। আমি গ্রামের পরিবেশ কুব ভালোবাসি। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটা গ্রামের পরিবেশের ছবি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর ভাবে আপনার মূল্যবান মন্তব্য করার জন্য ৷ ভালো থাকবেন আপনিও ...
এরকম ছবি দেখলে মনটা বেশ খারাপ হয়ে যায় শহরে থাকার জন্য। এত সুন্দর দৃশ্যগুলো খুব একটা দেখা হয় না।
এই সুন্দর সব দৃশ্য আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ভালো আর সুস্থ থাকবেন। শুভকামনা রইলো আপনার জন্য
ভাই আপনার গ্রামের দৃশ্য গুলো অনেক সুন্দর। বিশেষ করে আপনি অনেক সুন্দর করে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন ফটোগ্রাফির মাধ্যমে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের সাথে আপনার গ্রামের দৃশ্য গুলো শেয়ার করার জন্য। ভাই আপনি ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আর পরিবার ও নিজের খেয়াল রাখবেন।