রিসাইক্লিং (Recycling)
src
পলিথিন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলোর মধ্যে একটি। বাজারে যত মোড়কজাত পণ্য পাওয়া যায় তার অধিকাংশই পলিথিনে মোড়ানো।আমরা যখন বাজারে কোনো পণ্য কিনতে যাই তখন দোকানদার আমাদের পলিথিনে মুড়িয়েই বেশির ভাগ পণ্য পরিবেশন করেন। কিন্তু এই পলিথিন মানব স্বাস্থ্য এবং পরিবেশের জন্য কতটুকু ক্ষতিকর তা আমাদের সবার জানা।
পরিবেশ রক্ষার্থে কাজ করা একটি দেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য। আমরা পরিবেশ কিংবা রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখতে আমাদের ব্যবহার করা পলিথিন নির্দিষ্ট স্থান কিংবা ডাস্টবিনে ফেলি।
src
আমাদের রাখা সেই বর্জ্যগুলো সিটি কর্পোরেশনে দায়িত্বে থাকা কর্মীরা নিয়ে গিয়ে দূরে কোনো ডোবা কিংবা গভীর নদীতে ফেলে দেয়,যার কারণে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা, দূষিত হয় নদীর পানি, সৃষ্টি হয় দুর্গন্ধ।এরকম নদীগুলো মাছের বসবাস অযোগ্য হয়ে পড়ছে দিন দিন। যার কারণে, অনেক নদী এখন মাছ শূন্য।
পলিথিন, অপচনশীল একটি বস্তু,যেটি জড় হওয়া সত্ত্বেও এর প্রাণশক্তি থাকে যুগ যুগ ধরে।যার কারণে দূষিত হয় মাটি৷আর তাই আমাদের দেশে পলিথিন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল বেশ কিছু বছর আগে কিন্তু সেই আইনের প্রয়োগ কতটুকু ঘটেছে সেটাই এখন ভেবে দেখার বিষয়।
সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক আবর্জনা পরিষ্কারের এই পদ্ধতি কেনো জানি আমার কাছে খুব একটা ফলপ্রসূ মনে হয় না। কারণ, খুব ভালো ভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, দিনশেষে ঘুরে ফিরে একই ঘটনাই ঘটছে। যদিও আমরা পরিবেশকে দূষণের হাত থেকে বাচাতে আমাদের ব্যবহার করা পলিথিন যেখানে সেখানে না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলেছিলাম৷ তবুও পরিবেশ, দূষণের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। এসমস্যা থেকে পরিত্রাণের উপায় কি নেই...? আছে৷
যেহেতু পলিথিন আমাদের ব্যবহারের নিত্যপ্রয়োজনীয় একটি জিনিস। তাই এর বিকল্প কিছু খুজে পাওয়াও দূষ্কর।তাই এটাকে একেবারে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা কোনো সমাধান হতে পারে না বলে আমি মনে করি।
পরিবেশকে দূষণের হাত থেকে বাচাতে আমাদের বুদ্ধি খাটিয়ে চলতে হবে,বাস্তবায়ন করতে হবে রিসাইক্লিং পদ্ধতি, যার মাধ্যমে পলিথিন কিংবা প্লাস্টিক পণ্য থেকে পুনরায় পলিথিন কিংবা প্লাস্টিক পণ্য উৎপন্ন করা সম্ভব হবে। এইতো কিছু দিন আগে ফেসবুকে একটি ভিডিওতে দেখেছিলাম, একজন অল্প বয়স্ক তরুণ পলিথিন রিসাইক্লিং করে তেল উৎপন্ন করছে, যা দ্বারা যান্ত্রিক ইঞ্জিন চালানো সম্ভব হবে। তাহলে ভাবুন, পলিথিন নিষিদ্ধ ঘোষণাই কি সবকিছুর সমাধান, নাকি নয়....!
src
পলিথিন কিংবা প্লাস্টিক পণ্য রিসাইক্লিং করলে পরিবেশকে অল্প পরিমাণে হলেও দূষণের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।আমি মনে করি এই রিসাইক্লিং পদ্ধতি একটি দেশের পরিবেশ, নদী, মাটি দূষণ রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
আজ এপর্যন্ত।
অনেক সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে আজকে পোস্ট করেছেন।। আপনি ঠিকই বলেছেন আমরা বাজার থেকে যেকোনো পণ্য নিলে বেশিরভাগ সময় পলিথিন মরিয়ে দেয় যেটা আমাদের জন্য অনেক ক্ষতিকর।।।
আপনি আরও একটি কথা বলেছেন যে বেশ কিছু বছর আগে পলিথিন আমাদের দেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।।। কিন্তু সেটা আমি জানতাম না আপনার পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম।।।
পরিবেশ ঠিক রাখতে রিসাইক্লিং করা খুব জরুরী বলে আমি মনে করি।।। আর আপনাকে ধন্যবাদ জানাই এত সুন্দর একটি পোস্ট করার জন্য।।।
পলিথিন এমন একটা জিনিস বছরের পর বছর শেষ হয়ে গেল এটা পচন ধরে না। এটাকে পুড়িয়ে ফেলতে হয়। আসলে আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত এই পলিথিন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা। হয়তো কাগজের প্যাকেট ব্যবহার করা,, অথবা পাট জাতীয় যে ব্যাগ গুলি রয়েছে। সেগুলো ব্যবহার করা,, এতে করে আমাদের দেশের এবং পরিবেশের অনেক উন্নতি হতে পারে।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে,, এত সুন্দর একটা টপিক আমাদের সাথে উপস্থাপন করার জন্য। এ বিষয়টা অবশ্যই আমাদের সবার সচেতন হওয়া উচিত। আমাদের পরিবেশ ভালো রাখার জন্য আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।ভালো থাকবেন।
নিঃসন্দেহে সঠিক বলেছেন, কারণ পরিবেশ আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই ক্ষতিকর পলিথিন ব্যবহার করছি আমরা প্রতিনিয়ত।
অসাধারণ বলেছেন, একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে অবশ্যই এই পলিথিনের ব্যবহারে সচেতন হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। আশাকরি আপনার এই বার্তাটি অনেকের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটি পৌঁছে দিবে।
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এতো সুন্দর একটি তথ্যবহুল লেখা আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটি মতামত প্রদানের জন্য।