বঙ্গবন্ধু, বিজয় দিবস ও দেশ
[ছবিটি Canva App দ্বারা সম্পাদন করা হয়েছ]
আজ ১৬ই ডিসেম্বর, বাঙালির ইতিহাসে একটি গৌরবময় দিন। এমন একটি দিনে আমাদের বাংলাদেশ হানাদার মুক্ত হয়েছিলো,পেয়েছিলো স্বাধীনতা। শত্রু পক্ষের হাজারো নির্যাতনে নিষ্পেষিত হয়ে যখন বাঙালি মরিয়া হয়ে উঠেছিল। তখন বঙ্গবন্ধুর বন্ধুর মতো একজন নেতার উদ্ভব ঘটেছিল। যিনি এদেশের পক্ষ হয়ে নেতৃত্ব প্রদানের জন্য নানাভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়েছেন, থাকতে হয়েছে কারাগারে৷ তিনি অন্য আর দশজনের মতো শুধুমাত্র ২ ৪ মাস কারাভোগ করেননি, সবমিলিয়ে তিনি দীর্ঘ অনেক বছর কারাভোগ করেছেন৷ এসব কিছু তার এদেশের প্রতি আত্মত্যাগ।
তার মতো একজন মহান নেতা ছিলো বলেই এদেশের মানুষ স্বাধীন হতে পেরেছিলো, নচেৎ আজীবন পরাধীনতার জিন্জির পড়েই থাকতে হতো।করতে হতো দাসত্ব। ৭ মার্চ ১৯৭১ বঙ্গবন্ধুর ডাকে লাখ লাখ মানুষ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে মিলিত হয়েছিল, অধির আগ্রহে শুনেছিল বঙ্গবন্ধুর চেতনা জাগানিয়া ভাষণ, প্রেরণা পেয়েছিল শত্রু মোকাবিলায়। তার পর থেকেই বাঙালিরা যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেছিলো।
src
src
২৫ শে মার্চ রাতে যখন হানাদার বাহিনী এদেশের নিরহ নিরস্ত্র বাঙালির উপর অমানবিক হত্যাকান্ড চালাতে শুরু করল, তখনই বঙ্গবন্ধু যুদ্ধের ডাক দিলেন৷ নিরহ বাঙালি হয়ে উঠল ভয়ংকর যোদ্ধা। তারাও ঝাঁপিয়ে পড়লো শত্রু মোকাবিলায়৷ মহিলা পরুষ সবাই নিতে শুরু করলেন যুদ্ধের ট্রেনিং। যার যা কিছু ছিলো তাই নিয়ে শত্রু মোকাবিলা করেছিলেন। নানান চড়াই-উতরাই পেরিয়ে দীর্ঘ নয় মাস পর বাঙালি পেল স্বাধীনতা। ফিরে পেলো মায়ের মুখের স্বাধীন ভাষা বাঙলা৷ এস্বাধীনতা আমরা খুব সহজেই পাইনি, বিনিময় ঘটেছে লক্ষ প্রাণের, হাজারো মা-বোনের ইজ্জতের। যাইহোক, যুদ্ধ পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু এদেশকে পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেছিলেন, করতে চেয়েছিলেন স্বয়ংসম্পূর্ণ। এজন্য তিনি এদেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দিয়েছিলেন৷
কিন্তু দিনশেষে, তিনি তার কাছের মানুষদের দ্বারাই স্ব-পরিবারে হত্যা হয়েছিলেন। এদিনটি ছিলো ১৫ই আগস্ট ১৯৭৫। দিনটি বাঙালির ইতিহাসে শোকাবহ একটি দিন। বঙ্গবন্ধুসহ আরো যারা এদেশের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন তারা ছিলেন এ দেশপ্রেমী। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই আমরা আজ বাঙালি স্বাধীন জাতি হিসেবে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে বাংলায় কথা বলতে পারি। বঙ্গবন্ধু ছিলেন এদেশের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি। তার আদর্শ প্রত্যেকটা বাঙালির ধারণ করা উচিত। তবেই প্রত্যেকটা বাঙালির প্রাণে প্রাণে দেশ প্রেম জাগ্রত হবে।
এ দেশ আমাদের, এদেশের উন্নয়ন আমাদেরকেই সাধন করতে হবে৷ দেশের সার্বিক উন্নয়নে সবসময় অংশ নিতে হবে। দেশের মর্যাদা ক্ষুন্ন হোক এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। এদেশকে রাখতে হবে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। তরুণদের অংশ নিতে হবে কৃষিতে। শুধু কৃষিই নয় পর্যাপ্ত ট্রেনিং নিয়ে ছড়িয়ে পড়তে হবে প্রতিটি শিল্প উদ্ধারে।তবেই আমারও অন্যান্য দেশের মতো এগিয়ে থাকতে পারবো।
আজ এপর্যন্তই। সবার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে আজকের মতো এখানেই শেষ করছি।
বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা রইলো ভাই ৷ এই ১৬ ডিসেম্বর আমাদের স্বাধীনতার দিবস এই দিনে আমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছে ৷ অনেক অত্যাচার জুলুম নির্যাতন এবং প্রাণ দিয়ে আমরা আমাদের দেশ কে স্বাধীন করেছি ৷
যাই হোক ধন্যবাদ আপনাকে মহান স্বাধীনতা বিজয় দিবস উপলক্ষে কিছু বিষয় আলোচনা করার জন্য ৷ ভালো থাকবেন ,,,
লক্ষ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে পেয়েছি আমরা স্বাধীন বিজয় দিবস, লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণের তাজা রক্তের বিনিময় পেয়েছি আমরা স্বাধীন বিজয় দিবস, তাই বিজয় দিবস উপলক্ষে আমাদের তাদের প্রতি দোয়া করতে হবে যাদের রক্ত ও ইজ্জতের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা। পেয়েছি স্বাধীন বিজয় দিবস।
বাংলাদেশকে বিজয় করতে বঙ্গবন্ধুর অক্লান্ত পরিশ্রম রয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
আসলে এই বাঙালি জাতির 16ই ডিসেম্বরের কথা বলে কখনো শেষ করা যাবেনা। এই 16 ডিসেম্বর নিয়ে রয়েছে মানুষের হাজারো স্মৃতি। এটি বাঙালি জাতির কাছে একটি গৌরবময় দিন। এই দিনে বাংলাদেশ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কাছে মুক্তি পেয়েছিল। এরকম গুরুত্বপূর্ণ একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সত্যি খুব সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাই আজকের দিনটা ইতিহাসের পাতায় স্মরণীয় হয়ে থাকবে, লক্ষ লক্ষ মানুষের রক্তের বিনিময়ে পেয়েছি আমরা এই স্বাধীন বাংলাদেশ, পেয়েছি আমরা স্বাধীন বিজয় দিবস।
সত্যি কথা বলতে ১৬ই ডিসেম্বরের কথা বলে শেষ করার মত নয়,। ধন্যবাদ ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন আপনার জন্য রইল শুভকামনা।
একটা জাতি যখন পরাধীন থাকে তখন তারা স্বাধীনতার আসল মর্ম বুঝতে পারে। বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পিছনে বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ তা অনস্বীকার্য। তবে আমি বলবো বাংলাদেশের যদি কোন সূর্য সন্তান থাকে তা হলো আমাদের মহান মুক্তিযোদ্দারা তারাই বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। বড়ই দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে আজ আমরা স্বাধীন হয়েও যেন পরাধীন কারন আমাদের কোন বাক-স্বাধীনতা নেই কোন আইনি স্বাধীনতা নেই চলার স্বাধীনতা নেই। মাঝে মাঝে মনে হয় এ দেশ স্বাধীন না হলেই ভালো হতো।
২৫শে মার্চ কালো রাতে আমাদের দেশে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়। তারপর থেকে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ চলে, এবং 1971 সালের ১৬ই ডিসেম্বর আমরা আমাদের স্বাধীনতা ফিরে পাই। যিনি আমাদের জন্য যুদ্ধের ডাক দিয়েছেন। তিনি হচ্ছেন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ওনার এক ডাকে পুরো বাংলাদেশের মানুষ সাড়া দিয়েছিল।
৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এবং 2 লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে, আমরা আমাদের স্বাধীনতা পেয়েছি। কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আমাদের দেশের কিছু রাজাকার বাহিনী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পুরো পরিবারকে হত্যা করে। আল্লাহতালা উনাকে জান্নাতুল বাকি দান করুক। এবং সকল শহীদদের কে জান্নাতের প্রবেশ করার তৌফিক দান করুক। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে, শহীদদের স্মরণে, এত সুন্দর একটা বিষয় আমাদের সাথে আলোচনা করার জন্য।
শত শত শহীদের রক্তে ভেজা আমাদের এই স্বাধীন দেশ। হাজারো মায়ের বুক খালি হয়েছে আমাদের দেশকে স্বাধীন করতে। আমরা এই সকল শহীদদের কাছে সব সময় ঋণ থাকবো। শহীদদের জন্য আমরা এখন স্বাধীন দেশে বসবাস করতে পারছি। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আর পরিবার ও নিজের খেয়াল রাখবেন।
বাঙালির ইতিহাসে একটি গৌরবময় দিন ১৬ ই ডিসেম্বর। শত্রু পক্ষের হাজারো নির্যাতনে নিষ্পেষিত হয়ে যখন বাঙালি মরিয়া হয়ে উঠেছিল।তখন বঙ্গবন্ধুর মতো একজন নেতার উদ্ভব ঘটেছিল।আমাদের এই বাংলাকে স্বাধীন করার জন্য। আত্মত্যাগের কারণেই আমরা আজ বাঙালি স্বাধীন জাতি হিসাবে স্বাধীনতা পেয়েছি। এত সুন্দর একটা পোস্ট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
দেশের স্বাধীনতায় বঙ্গবন্ধুর অবদান অনস্বীকার্য। দেশের উন্নয়ন দেশবাসীকেই করতে হবে। বাইরে থেকে কেউ এসে দেশের উন্নয়ন করে দেবে না। এমনকি বাইরের দেশ যখন অন্য কোন দেশকে টাকা ধার দেয় পরে তারা সেই টাকা সুদে আসলে তুলেও নেয়। তাই প্রত্যেক দেশবাসীকে হতে হবে স্বনির্ভর এবং দেশকে হতে হবে স্বয়ংসম্পূর্ণ। আপনাকে ধন্যবাদ এই পোস্টটি আমাদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য। ভালো থাকবেন।