কাগজের ভালোবাসা!
Hello Everyone,,,
আশা করি, সকলে অনেক ভালো আছেন। আমিও মোটামুটি ভালো আছি। সময় যত পার হচ্ছে ততই যেন কঠিন হয়েই চলেছে। ধৈর্য্য ধরলে সকল পরিস্থিতিকে সামাল দেওয়া সম্ভব তবে খারাপ পরিস্থিতির সময় সীমা যদি অনেক বেশি হয় তখন আমরা সত্যি ধৈর্য্য হারা হয়ে পড়ি এবং অনেক বেশি দিশেহারা হয়ে পড়ি।
তবে প্রকৃত পক্ষে সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রেখে চেষ্টা করা ছাড়া আর উপায় থাকে না। চেষ্টা করলে অনেক অজানা বিষয়ও যেমন জানতে পারি তেমনই সমস্যা দুর করার নানা উপায়ও বের করতে পারি।
কাল অনেক দিন পর হঠাৎ করে বৃষ্টি হয়েছে। তারপর থেকে আবারও শীত পড়ছে। তবে কালকের পর থেকে কেন জানি আবারও সর্দি আর জ্বর আসছে। নিশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। কাল তো বৃষ্টিতেও ভিজিনি তারপরও কেন এমন হলো জানি না।
আজ সারাদিন বাড়িতে ছিলাম কোনো কিছুই যেন ভালো লাগছিলো না। বাড়িতে বসে বসে তেমন কোনো কাজ ছিলো না তাই ভাবলাম নতুন কিছু করি। তাই কাগজ আর কাঁচি নিয়ে বসে পড়লাম।
ফেব্রুয়ারী মাসকে ভালোবাসার মাস বলা হয় তাই ভালোবাসার সাথে সম্পর্কিত কিছুই তৈরি করবো। অনেক দিন আগে কাগজ কেটে নকশা তৈরি করেছিলাম। সত্যি বলতে আমি আর্ট করতে একদমই পারি না তবে কাগজ কেটে নকশা তৈরি করতে আমার বেশ ভালো লাগে।
আমাদের সর্বপ্রথম যেটা লাগবে সেটা হলো কাগজ ও কাঁচি। প্রথমে একটা কাগজ নিয়ে কাঁচির সাহায্যে চৌক করে কেটে নিলাম যেন সব দিকে সমান থাকে।
তারপর ছবিতে দেখানো পদ্ধতিতে কাগজটি ভাজ করতে হবে। কাগজ ভাজ করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন সব দিকে কাগজের অংশ সমানভাবে মিলে যায়। যদি সব দিকে কাগজ না মিলে যায় তাহলে যে নকশাটা তৈরি করতে চাচ্ছি সেটা দেখতে সুন্দর লাগবে না তাই বিষয়টা খেয়াল রাখতে হবে।
কাগজ দিয়ে কোনো নকশা তৈরি করার জন্য সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সঠিক ভাবে কাগজে ভাজ দেওয়া। ভাজ দেওয়া যতটা নিখুঁতভাবে করতে পারবেন নকশাটাও ঠিক ততটাই সুন্দর হবে। ছবিতে দেখানো উপায়ে কাগজে চিহ্নিত ১ ও ২ নং প্রান্ত এক জায়গায় রেখে কাগজ আবারও ভাজ করতে হবে। ভাজ করার পর অতিরিক্ত অংশটুকু কাঁচির সাহায্যে সমান করে কেটে ফেলতে হবে।
এবার কাঁচি দিয়ে নকশা অনুযায়ী কাগজ কাঁটার পালা। তবে কাঁটার সময় যেন এদিক - ওদিক না হয়ে যায় তাই পেন্সিল অথবা কলমের সাহায্যে নকশাটা আঁকিয়ে নিতে হবে। তারপর কাঁচির সাহায্যে আঁকিয়ে নেওয়া রেখা বরাবর কেটে ফেলতে হবে।
কাঁচি দিয়ে কাটার সময় সাবধান থাকতে হবে কারন একটু এদিক ওদিক হলে নকশাটা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাবে। আঁকিয়ে নেওয়া রেখা বরাবর কাঁটার পর ভাজ করার কাগজের অংশটা দেখতে এমন দেখাবে।
এবার আস্তে আস্তে ভাজগুলো খোলার পালা। প্রথম ভাজটা খোলার পর একটা লাভ দেখতে পাবেন। ধাপে ধাপে ভাজ খোলার সাথে সাথে লাভের সংখ্যাও বাড়তে থাকবে। তবে বাস্তব জীবনে ঘটে উল্টোটা। যত সময় অতিক্রম হয় ততই ভালোবাসা কমতে থাকে তবে নকশার ক্ষেত্রে যতই পরবর্তী ধাপে যাবেন ভালোবাসা বেড়ে যাবে।
সব শেষে দেখতে ঠিক শেষ ছবির মতো হবে। কতটুকু সুন্দর হয়েছে জানি না তবে সুন্দরভাবে তৈরি করার চেষ্টা করেছি। আপনাদের কাছে কেমন লাগলো অবশ্যই জানাবেন!
Your post has been supported by THE PROFESSIONAL TEAM. We support quality posts, quality comments anywhere, and any tags
ম্যাম, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আমার লেখার মূল্যায়ন করার জন্য। ভালো থাকবেন। 🙏
আপনার পোস্টটি খুবই সুন্দর! কাগজ দিয়ে নকশা তৈরি করার প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত পরিশ্রমী এবং মনোযোগ দিয়ে করা হয়েছে । তা, আপনার পোষ্টের মাধ্যমে অনেক সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে উঠেছেন।
আপনার কাগজ কেটে তৈরি করা নকশা সত্যিই অসাধারণ! আপনি যেভাবে ধৈর্য সহকারে প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করেছেন, তাতে এক ধরনের সৃজনশীলতার ছাপ পড়েছে।
আপনার পোষ্টটা দেখে আমার স্কুল জীবনের কথা মনে পরে গেল। টিফিন পিরিয়ডে এভাবে কাগজ কেটে অনেক মজা করলাম। জিনিস তৈরি করতলাম। অনেক সুন্দর ভাবে ভালোবাসার মাসে কাগজের ভালো বাসা তৈরি করেছেন।
ধন্যবাদ এতো সুন্দর একটা পোষ্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
বৃষ্টি হলেই মনে হয় আমাদের মনের মধ্যে উল্টাপাল্টা যত সব চিন্তাভাবনা চলে আসে আমিও বৃষ্টি হলে এমন চিন্তা ভাবনা নিয়ে অনেক কিছু তৈরি করার চেষ্টা করি আগে করেছিলাম তবে বর্তমান সময়ে এখন আর করা হয়ে ওঠে না। আপনি কাগজের ভালোবাসাটা খুব চমৎকার ভাবে তৈরি করেছেন এবং আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন অসংখ্য ধন্যবাদ ভাল থাকবেন।
আপনি আজকে দেখিয়েছেন কাগজ দিয়ে কিভাবে ভালোবাসার নকশা তৈরি করা যায়।। প্রতিটি পর্যায় খুবই চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন একজন মানুষ খুব সহজে এটি দেখে তৈরি করতে পারবে।।