ফুলের ফটোগ্রাফি পর্ব - ৩ ।
নমস্কার সবাইকে। আশা করি, আপনারা সবাই অনেক ভালো আছে। আমি তনয় রায়। আমি আজ আপনাদের সাথে ফুলের ফটোগ্রাফি পর্ব-৩ নিয়ে হাজীর হয়েছি।
রাতে বাড়ি থেকে মা ফোন দিয়ে অভিযোগ করল, আমি নাকি অনেক দিন বাড়ি যাই না, তাই আমাকে বাড়ি যেতে বলল। সত্যি বলতে আমি প্রতিমাসে ১/২ বারও বাড়িতে যাই কিন্তু আমি মা- বাবার একমাত্র সন্তান তাই আমাকে কয়েকদিন না দেখলে মনে করে অনেকদিন বাড়ি যাই না। এর তাছাড়া ছোটবেলা থেকে বাড়ি ছেড়ে অন্য কোঁথাও থাকার অভ্যাস নেই, কিন্তু এখন বাধ্য হয়ে মা- বাবাকে ছেড়ে বাড়ির বাইরে থাকতে হয়, এজন্য তাদের খুব খারাপ লাগে আমাকে ছাড়া থাকতে।
মায়ের ফোন পেয়ে তো আর বসে থাকা যায় না। পরেরদিনই বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। বাড়িতে পৌঁছে প্রথমে চোখ গেল আমার ফুলের বাগানে দিকে। গতবার যখন বাড়িতে এসেছিলাম তখন অনেক ফুলের চারা লাগিয়ে রেখেছিলাম, সেগুলোয় এখন ফুল ফুটছে, সেটা দেখে মনটা ভরে গেল।
ফুল আমার প্রিয় বস্তুগুলোর মধ্যে একটা। ফুলের বাগান করার প্রতি আমার ছোটবেলা থেকেই একটা আগ্রহ কাজ করে। প্রকৃতির ছোঁয়া পেতে কে না ভালোবাসে। বাড়ির সামনে অনেক বড় উঠান, উঠানের পাশেই ছোট একটু জায়গা আছে। ফুলের বাগান করার জন্য একদম উপযুক্ত, সেখানেই আমার ছোট্ট ফুলের বাগান।
শীতের সময় নানা ধরনের ফুলের দেখা মিলে আমাদের। বাজারে নানা রকম ফুলের গাছ কিনতে পাওয়া যায়, আমি সেখান থেকে আমার পছন্দমত নানা জাতের চারা গাছ কিনে এনে আমার বাগানে স্থান করে দেই। তাছাড়া, পড়াশুনার প্রয়োজনে আমাকে বাড়ির বাইরে থাকতে হয়, কিন্তু যখন আমি বাড়িতে যাই, যাওয়ার সময় নার্সারি থেকে নানা ধরনের ফুলের চারা কিনে নিয়ে যাই। আমার বাগানে নানা জাতের ফুলের গাছ আছে, যেগুলোর মধ্যে কয়েকটির নাম আমার জানা আর বেশিরভাগ অজানা। বাগানের প্রতিটা ফুলের স্পর্শে যেন মনটা অনেক বেশি ভালো হয়ে যায়।
সকলফুলের রং যেমন একরকম নয় তেমনি সবগুলোর বৈশিষ্ট্যও একই না। কিছুকিছু ফুলে কাটা থাকে আবার কিছু কিছু ফুল অনেক বেশি কমল হয়ে থাকে, এটাই প্রকৃতির সৌন্দর্য। প্রকৃতি নিজেই তার নিজের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
শুধুমাত্র ফুলগাছ লাগালেই হয় না, সেগুলোর সঠিক পর্যবেক্ষণ করা দরকার। যখন আমি বাড়িতে থাকি, তখন এর পর্যবেক্ষণের জন্য আমি কাজ করে থাকি, কিন্তু আমি তো বেশির ভাগ সময় বাড়িতে থাকি না তখন আমার মা কিংবা বাবা এখানে পর্যবেক্ষণের কাজ করে থাকে।
বিকালে যখন সূর্য পশ্চিম আকাশে তখন ভাবলাম প্রিয় ফুল গাছের সাথে কিছুটা সময় কাটানো যাক। বাগানে গিয়ে দেখি সদ্য লাগানো গাছগুলোতে ফুল ফুটেছে এবং দেখতে খুব ভালো লাগছিলো।তখন দৌড়ে গিয়ে ঘর থেকে ফোন নিয়ে এসে কিছু ফটোগ্রাফি করলাম আপনাদের সাথে শেয়ার করবো বলে। আশা করি, আপনাদের ভালো লাগবে,,
কিছু ফটোগ্রাফি শেষ হওয়ার পর, সেখানে কিছু কাজ শেষ করতে করতে সন্ধ্যা নেমে আসলো।।
আশা করি, আমার ফুলের বাগানের নানা ফুলের ফটোগ্রাফি আপনাদের ভালো লেগেছে। ভালো লাগলে অবশ্যই আপনার মতামত জানাবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
| Device Name | Poco X4 Pro |
|---|---|
| Shot By | Tanay Ray |
| Location | Bangladesh |
চমৎকার সব ফুলের ফটোগ্রাফি দিয়ে আজকের পোস্টটি সাজিয়েছেন। ছোটবেলায় যখন স্কুলে যেতাম তখন দেখতাম ক্যান্টনমেন্টের চারপাশে শীতকালে এই সবগুলো ফুল দিয়ে রাস্তাঘাট খুব সুন্দর করে সাজানো থাকতো। ফুল দেখতে দেখতে স্কুলে যেতে আমার আসতাম। এর মধ্যে সবচেয়ে ভালো লাগতো বড় বড় ডালিয়া ফুলগুলো। আজকাল ডালিয়া ফুল দেখাই যায়না। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমি স্মৃতি কাতর হয়ে পড়লাম। খুব ভালো লাগলো পোস্টটি
ফুলের ফটোগ্রাফি পর্ব ৩ - এ আপনি বেশ সুন্দর কয়েকটি ফুলের ছবি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ৷ আর প্রত্যেক টি ফুল দেখতে অসাধারণ ৷ বর্তমানে শীতকাল আর শীতকালে নানা ধরনের ফুল দেখতে পাওয়া যায় ৷
ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ৷
চমৎকার সব ফুলের ফটোগ্রাফি আজকে আপনি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। একদমই ঠিক বলেছেন শুধু ফুল গাছ রোপন করলেই হয় না অবশ্যই সেগুলোর পরিচর্যা করতে হয়। তা না হলে সঠিকভাবে ফুল গাছে ফুল ধরে না। ধন্যবাদ আপনাকে চমৎকার ফটোগ্রাফি এবং বিস্তারিত আলোচনা করার জন্য। অবশ্যই বাবা মায়ের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করবেন ভালো থাকুন।
আমার মনে হয় ফুল পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজলে খুব কমই পাওয়া যাবে।
আমি তো অসম্ভব ভাবে পছন্দ করি। এবং আমার একটা বাজে অভ্যাস আছে কোথাও পছন্দ মত ফুল দেখলে ।ওটার উপরে হাত দেওয়া যদিও খানিকটা কমিয়ে আনার চেষ্টা করেছি অভ্যাস টা।
তবে হ্যাঁ আপনার ফটোগ্রাফির হাত কিন্তু খুবই ভালো, এখানে বেশ কয়েক ধরনের ফুলে ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন । ধন্যবাদ খুব সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।