কার্তিক পুজোর খাওয়া দাওয়া
নমস্কার বন্ধুরা, আপনারা সকলে কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সকলে ভালোই আছেন। সুখে স্বাচ্ছন্দে আছেন ।আমিও কাজকর্মের মধ্যে দিয়ে চলেছি। দিনগুলি বেশ কেটে যাচ্ছে। ভালো খারাপ সব মিলিয়ে রয়েছি ।আজ আপনাদের জন্য আমাদের পাড়ার বারোয়ারি শিবতলা বারোয়ারী সেখানকার কার্তিক পূজার খাওয়া দাওয়া সম্পর্কে আপনাদের মাঝে একটু শেয়ার করতে চাই। আশা করি আপনাদের সকলেরই ভালো লাগবে।
আমাদের পাড়ার যে মন্দির সংলগ্ন বারোয়ারী সেখানে মা দুর্গা এবং মা জগদ্ধাত্রী পূজার আরাধনা খুব জাঁকজমক সহকারে হয়। তবে কালী পূজাও ছোট্ট করে আয়োজিত করা হয় এবং সরস্বতী পূজা হয় ।আসলে এগুলি হয়ে আসছিল এতদিন ধরে। কিন্তু এই বছর হঠাৎ করে ছোটখাটো করে কার্তিক পূজার আয়োজন সকলে মিলে করা হয়েছে। পূজা টি ও যথেষ্ট সুন্দরভাবে হয়েছে ।কিন্তু খুব একটা জাঁকজমক ভাবেই করা হয়েছে। তবে অন্য প্রত্যেকটা পূজা গুলির মতো এই পূজাতে ও যথারীতি খিচুড়ি ভোগ সকলকে খাওয়ানো হয়েছে।
খিচুড়ি ভোগ এর পাশাপাশি আলুর দম এই রান্নার পদ বিতরণ করা হয়েছে ।খিচুড়ির সাথে আলুর দম সম্ভবত বেশ ভালোই জমে খেতেও দারুন লাগে। তবে কার্তিক পুজো উপলক্ষে যে খিচুড়ি ভোগ এবং আলুর দম রান্না করা হয়েছিল ।সেগুলি প্রত্যেকটি স্পেশাল ভাবেই রান্না করা হয়েছে। যার জন্য খেতেও অসাধারণ লাগছিল। তবে কি জানেন বাড়িতে হয়তো খেলে এতটা স্বাদ আমরা উপভোগ করতে পারি না। কিন্তু যখনই এমন কোন পূজার ভোগ হিসেবে আমরা খাই বা কোন একটা সামাজিক অনুষ্ঠানে আমরা এভাবে খিচুড়ি ,আলুর দম আমরা খায় অর্থাৎ কোন একটি উৎসবে যখন এই রান্নার পদগুলি ব্যবহার করা হয় ।আমাদের খাওয়ানোর এই সমস্ত সাধারণ রান্নার পদ গুলি ও অত্যন্ত সুস্বাদু খাবার রে পরিণত হয়।
সুতরাং এক কথায় বলা যায় দেব সেনাপতি কার্তিক এর পূজার যে ভোগ রান্না করা হয়েছিল খিচুড়ি এবং আলুর দম আমাদের প্রত্যেকেরই অনবদ্য খেতে লেগেছে। এবং আমি তো অনেকটাই খেয়ে ফেলেছিলাম। তবে এমনও হতে পারে এর আগে কোনদিন আমাদের বারোয়ারীতে কার্তিক পূজা অনুষ্ঠিত হয়নি ।এই প্রথম বছর কার্তিক পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুতরাং সেই কারণে হয়তো উন্মাদনা একটু অন্যরকম থাকার ফলে এই ভোগ প্রসাদ টি অন্যান্য পূজার তুলনায় একটু বেশিই হয়তো সুস্বাদু মনে হয়েছে।
এর আয়োজন আমাদের পাড়ারই একটি কাকু করেছিল। এবং আমার নিজের মামারা আয়োজন করেছিল। তারাই নিজেরাই সমস্ত আয়োজন করে নিজেরাই রান্নাবান্না করেছিল পরিবেশনে তারাই করেছে। পাড়ার সকলে তো বটেই ।পাড়ার আশেপাশের লোকজনেরাও এসেছিলেন এই ভোগ গ্রহণ করতে। কেউ কেউ বসেও সেখানেই খেয়েছিলেন। আবার কেউ কেউ টিফিন কৌটো নিয়ে এসে বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন বাড়ির সদস্যদের খাওয়ানোর উদ্দেশ্যে। তো যাই হোক সব মিলিয়ে এই আয়োজনটি বেশ জমে গেছিল।
আজকের মত এখানেই আমি শেষ করছি। আমার পোস্টটি আপনাদের কেমন লাগলো আপনারা সকলেই নিজেদের মতো করে জানাবেন ।সকলেই ভালো থাকবেন ।আনন্দে থাকবেন। এটুকু বলে আমি আমার এই পোস্টটি শেষ করছি ধন্যবাদ।