থানকুনি পাতার পুষ্টি এবং ভেষজ গুনাগুন
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ
সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আমি আজকের আমার ব্লগ শুরু করছি। বন্ধুরা আমি প্রতিদিন আপনাদের সাথে নতুন কিছুর সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করি। প্রতিদিনকার মত আজকেও আমি আপনাদের সাথে একটি লতা গুল্ম উদ্ভিদ এর পরিচিতি তুলো ধরবো। লতাটি হল থানকুনি পাতা।
বর্ষজীবী বিরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ হল থানকুনি পাতা। সাধারণত স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় বেশি জন্মায়। এর অনেক গুলো আঞ্চলিক নাম রয়েছে খলকুড়ি, টাকপাতা, আদামনি পাতা ইত্যাদি। থানকুনি পাতার গোড়া থেকে এর সুরু শাখা প্রশাখা বের হয় শাখায় একটি করে পাতা থাকে। রাস্তার পাশে বেশি জন্মাতে দেখা যায় এই বিরুৎ উদ্ভিদকে। বাংলাদেশস এবং ভারতসহ অনেক দেশে থানকুনির বিস্তৃত রয়েছে।ম্যাকিনলেয়াসি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত থানকুনির উদ্ভিদ যার বৈজ্ঞানিক নাম হল "সেনটেল্লা এশিয়াটিকা"। আর এর ইংরেজি নাম হল (Indian pennywort)। শীতের শেষে বসন্তের শুরুতে এর ফুল ও ফল হয়। থানকুনি একটি সুপুষ্পক চিরসবুজ বিরুৎ উদ্ভিদ। এর কোনো রকম যত্ন ছাড়াই অযত্নে অবহেলিত ভাবে বেড়ে উঠে।
থানকুনি পাতা যদিও ভেষজ উদ্ভিদ অনেক এলাকা একে শাক হিসাবে রান্না করে খাওয়া হয়। করান এ পাতার পুষ্টি গুনাগুন অনেক ভিটামিন " সি" তে ভরা এই উদ্ভিদ তাই এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক। এছাড়াও এতে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন, ফাইটোক্যামিকেল, এ্যামিনো এসিড, ফ্যাটি এসিড ইত্যাদি। এই উপাদান গুলো ত্বকের জন্য বেশ উপকারি বয়সে ছাপ এড়াতে উপাদন গুলো প্রয়োজনিয়তা অনেক। এতে আরো রয়েছে জিংক, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম সহ খনিজ পদার্থে ভরপুর এই থানকুনি পাতা।
থানকুনি পাতার ভর্তা আমার অনেক প্রিয়। কাঁচা অথবা হালকা সেদ্ধ করে এর ভর্তা করে খাওয়া যায় আরেক দিন থানকুনি পাতার ভর্তার রেসেপি শেয়ার করবো। এছাড়াও একে শাক হিসাবে ভাজি করে খওয়া যায়। তেঁতো স্বাদযুক্ত থানকুনি পাতা। অনেক স্থানে এর পানীয় তৈরি করে খাওয়া হয়। আমাদের দেশে এর কদর না থাকলেও অনেক দেশে এই পাতার বেশ চাহিদা রয়েছে।
যৌবন ধরে রাখার জন্য থানকুনি পাতার রসের জুড়ি মেলা ভার। প্রতিদিন এর পাতার রস সেবন করলে ত্বক কখন বয়সর ছাপ পড়বে না।
থানকুনি পাতায় রয়েছে ব্যাকোসাইড নামক উপাদান যা মস্তিষ্কের কোষ গঠনে সাহায্য করে এবং রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে যার ফলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং এই পাতার এমন উপাদান রয়েছে যা আমাদের দেহের স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় রাখতে পারে।
থানকুনির রস দৈনিক দুইবার সেবনে রক্তের শর্করার মাত্রা ঠিক রাখে যার ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। বলা যায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এ উদ্ভিদ এর পাতা মহৌষধ।
পুরোনো ক্ষতে এ পাতার সেদ্ধ করা পানি দিলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। সদ্য ক্ষতে এর পাতা বেঁটে লাগালে রক্ত পড়া বন্ধ হয় এবং ক্ষত সেরা যায়।
দাঁতের ব্যাথ বা মাড়ি ফোলায় কিংবা দাঁতের রক্ত পড়ায় থানকুনি পাতার সেদ্ধ করা পানি ছেঁকে সেই পানি দিয়ে কুলকুচি করলে এই সমস্যা থেকে উপকার পাওয়া যায়।
থানকুনি পাতা হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাতায় কিছু উপাদন হজমের সহায়ক এসিড খাবার হজমে সহায়তা করে যার ফলে বদ হজম থেলে মুক্তি মেলে। থানকুনি পাতার রস আমাশয় নিরাময়ে বেশ কর্যকরী।
সতর্কীকরন: উপরে উল্লেখ্য তথ্য গুলো কোনোভাবেই যোগ্য চিকিৎসা হতে পারে না। বাড়িতে নিজ দায়িত্বে ব্যবহার করার অনুরোধ রইলো আরও বিস্তারিত জানতে একজন বিশেষজ্ঞ অথবা চিকিৎসক এর মতামত নেওয়া জরুরি।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার পোস্ট পড়ার জন্য। ভালো থাকবেন নিজের যত্ন নিবেন।
Conclusion: I am a Bangladeshi my language is Bangla so I am quite comfortable writing in Bengali. So I will prefer to write my post in Bengali. Today in my post I have discussed the nutritional value of indian pennywort leaves and its herbal properties.
| Device name: | Vivo Y21 |
|---|---|
| Camera: | 13 megapixel |
| Shot by: | shasan705 |
| Location: | Bangladesh🇧🇩 |
Team Newcomer- Curation Guidelines For Septembert 2023 Curated by - @karianaporras
Note:
Thank you for supporting me
থানকুনি পাতার ভর্তা আমার খুবই প্রিয়। বিশেষ করে আলু সিদ্ধ করে শুকনা মরিচ ভালোভাবে তেলের উপর ভেজে,, থানকুনি পাতার ভর্তা তৈরি করলে,,সেটা খাওয়ার মজাটাই অন্যরকম।
আজকে আপনি আমাদের সাথে থানকুনি পাতার উপকারিতা,, থানকুনি পাতার পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। আসলে বর্তমান সময়ে থানকুনি পাতা তেমন একটা দেখা যায় না। যদিও রাস্তার পাশে দুই একটা দেখা যায়।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে,, থানকুনি পাতার উপকারিতা সম্পর্কে,, এত সুন্দর একটা টপিক আমাদের সাথে আলোচনা করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল। ভালো থাকবেন।
ধন্যবাদ আপু আমার পোস্ট পড়ার জন্য এবং আপনার মূল্যবান মতামতের জন্য।
থানকুনি পাতার ভর্তাটা আমার কাছে খুবই প্রিয়।থানকুনি পাতা আমি ভর্তা করে খাই এবং ভাজি করে খাই।
আজকে আপনি থানকুনি পাতার উপকারিতা ওঔষধি গুনাগুন আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন।আসলে আমি আগে জানতাম থানকুনি পাতা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকার করে।হোক আপনার পোস্টটি পড়ে আরো অনেক কিছু জানতে পারলাম অজানা গুলো।
অসংখ্য ধন্যবাদ খুব সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
থানকুনি পাতা আমি চিনি কিন্তু এর পুষ্টি ও ভেষজ গুনাগুন আমি একদমই জানতাম না। আজকে আপনার পোস্টের মাধ্যমে আমি সবকিছু অনেক সুন্দর ভাবে বুঝতে পারলাম।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই এত সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে এত বিস্তারিত আলোচনা করার জন্য।
থানকুনি পাতা আমি চিনি এবং এই পাতা দিয়ে আমাদের এলাকায় ভর্তা বানিয়ে খেয়ে থাকে।
কিন্তু এর এত ওষুধে গুনাগুন রয়েছে তা আসলে আমার জানা ছিল না।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর এবং স্বাস্থ্য সচেতন মূলক একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
থানকুনি পাতার অনেক উপকারিতা আমি ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি আরও অনেকবার পরমাণু পেয়েছি। আমার মা দেখতাম ভর্তা বানিয়ে খেতে ভাতের সাথে। এতে নানা ধরনের রোগ থেকে মুক্তি পেত পেটে সমস্যা আরো নানা উপকারিতা। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের সাথে এতো সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আর পরিবার ও নিজের খেয়াল রাখবেন।