লোহাকে ধ্বংস করে মরিচা আর মানুষকে ধ্বংস করে দুশ্চিন্তা
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ।
আপনি জানেন লোহাকে কেউ ধ্বংস করতে পারে না। কিন্তু তার মরিচা তাকে ধ্বংস করে দেয়। তেমনি মানুষ কে কেউ ধ্বংস করতে পারে না কিন্তু তার চিন্তাধরা তাকে ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট। আমাদের চিন্তাধারা আমাদের দেহের উপর যেরকম বিরূপ প্রভাব ফেলে। তেমনও এটি প্রাত্যহিক জীবনে উন্নতির ক্ষেত্রে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। তবে যদি আমাদের চিন্তা শক্তিকে সঠিক কাজে লাগানো যায় তাহলে তা উন্নতির উচ্চ শিখড়ে নিয়ে যেতে সহযোগিতা করে।
ইসস যদি কাজটা ওই রকম ভাবে না করে যদি এরকম করতাম তাহলে হয়তো আজ এরকম হতো না। কিংবা যদি এ কথা বলতে হত তাহলে আজ এরকম হতে। পূর্বের কোন না কোন সিদ্ধান্তের হিসাব কষে যাওয়া কে অতিচিন্তা বলে বা দুশ্চিন্তা বলে আর এই দুশ্চিন্তাই মানুষকে ভিতর থেকে আস্তে আস্তে ধ্বংস করে দেয়। যেমন মরিচা লোহাকে ধ্বংস করে দেয়। এই দুশ্চিন্তা কারনে মানুষ একসময় মৃত্যুর সন্নিকটে পৌঁছায়।
মানুষের এই চিন্তার কারনে দেহের দেহের অনেক ক্ষতির কারন হয়। দেহের অভ্যন্তরে বাসা নানা রোগবালাই। অতি দুশ্চিন্তায় মগ্ন থাকলে মস্তিষ্কে লোহার মত জং ধরে। এতে নতুন কিছু চিন্তা করার শক্তি আস্তে আস্তে কমে যায়। তবে এইটা ঠিক কোন বিষয় মনোযোগ দিয়ে চিন্তা করলে নতুন পথের সন্ধান পাওয়া যায়। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ে এই দুশ্চিন্তার কারনে মানসিক ভাবে অনেক ক্ষতির কারন হয়ে যায়।
এই অতিরিক্ত চিন্তা নিয়ে ঘুমাতে গেলেও তার ব্যাঘাত ঘটবে। কারন ঘুমের জন্য প্রয়োজন শরীর শান্ত থাকা, হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম ও শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকা। কিন্তু ঘুমানোর সময় যদি এক রাজ্যের চিন্তা ভাবনা নিয়ে ঘুমাতে যায় তাহলে কোন ভাবেই আপনার শ্বাশ প্রশ্বাস বা হৃদযন্ত্রকে শান্ত করতে পারবেন না ফলে ঘুমানো সম্ভব না। এই দুশ্চিন্তার কারনে আমাদের ঘুমের সমস্যা হবে ফলে দেহে রোগ ব্যাধি বাসা বাঁধবে।
এই দুশ্চিন্তার কারনে অনেকের খাবার-দাবারে অনিয়ম চলে আসে। একটা অরুচি বোধ কাজ করে। ক্ষিদে থাকা সত্বেও অনেকে খাবার গ্রহন করতে পারে না। এই দুশ্চিন্তার কারনে। একটা ঠিকমতো খাবার না খাওয়ার কারনে শরীর দূর্বল হয়ে পড়ে। ফলে দেহ একটা অসুস্থতার দিকে বয়ে চলে। এই দুশ্চিন্তা যখন মাথায় ভর করে তখন কাজের প্রতি একটা অনিহা তৈরি হয়। দুশ্চিন্তা করতে করতে এক সময় কাজের প্রতি অনিহা তৈরি হয় এবং একটা সময় মানুষকে দ্রুত অবসাদগ্রস্থ করে তুলে।
এই দুশ্চিন্তার যেমন খারাপ দিক রয়েছে আবার কখনো কখনো ভাল দিক বয়ে আনে। তবে সবসময় অতিচিন্তা বা দুশ্চিন্তা ভাল ফলাফল বয়ে আনে না। তাই দুশ্চিন্তা থেকে বাঁচতে নিজের পরিবারের সাথে সময় কাটান। বন্ধুদের সাথে সময় কাটান ঘুরতে যান। কিছু বদঅভ্যেস যেমন ধুমপান, মদ্যপান, অস্বাস্থ্যকর খাবার ইত্যাদি যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন।
I am Bangladeshi. My mother's language is Bengali. I can't write well in English. That's why I prefer to write in Bengali. Hope you will love my writing. Today in my post I have discussed about the As rust destroys iron, anxiety destroys people.
খুবই সুন্দর একটি টপিক নিয়ে লিখেছেন। আপনার এই পোস্টটি থেকে অনেক কিছু আছে বলে আমি মনে করি। খুবই বিস্তারিতভাবে টপিকটি নিয়ে আলোচনা করলেন আপনি যা পড়ে খুব ভালো লাগলো। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো, ভালো থাকবেন সবসময়।
ধন্যবাদ ভাই আপনার সুন্দর মতামতের জন্য।
একদমই ঠিক বলেছেন লোহার মধ্যে যখন মরিচা ধরে। তখন ধীরে ধীরে লোহা ধ্বংস হয়ে যায়। ঠিক তেমনি একটা মানুষের জীবনে যখন দুশ্চিন্তা চলে আসে। তখন সেই মানুষ তার সঠিক কাজগুলো কে সঠিকভাবে কখনোই করতে পারে না। কেননা যখনই সে সঠিক কাজ করতে যায়। তখন তার মধ্যে দুশ্চিন্তা বসবাস করতে শুরু করে। আর এই দুশ্চিন্তা তার কাজগুলোকে অনেক বেশি বিগড়ে দেয়।
তবে সব সময় ভালো থাকবে ভালো মন মেজাজ থাকবে। এমনটা আশা করা ও বোকামি। কেননা জীবনে দুঃখ সুখ আনন্দ বেদনা সবকিছুই আছে। কিন্তু দুঃখের সময় আমাদেরকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। আমার কাছে তো মাঝে মাঝে মনে হয়। আমরা যখন দুশ্চিন্তায় পড়ি তখন অতিরিক্ত টেনশন না করে। সৃষ্টিকর্তার কাছে দুই রাকাত নামাজ পড়ে শুকরিয়া আদায় করা উচিত। এতে করে দুশ্চিন্তা অনেকটাই কেটে যায়। চমৎকার বিষয় নিয়ে উপস্থাপন করার জন্য, ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপু আমার পোস্ট পড়ার পর এত সুন্দর একটা মতামতের জন্য।
আপনার লেখার টাইটেল টা চুম্বকের মত ছিল, দেখেই পড়তে ইচ্ছে হলো।
দুশ্চিন্তা সাস্থের জন্য খুবই ক্ষতিকর। কোন বিষয় নিয়ে বেশিরকম ভাবলে মানুষ অনেক সময়ই অসুর হয়ে পরে তাই এ বিষয়ে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে আমাদেরকেই।
আপনার লেখা পড়ে ভালো লাগলো।
শুভকামনা রইলো আপনার জন্য
আপনি খুব সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করেছেন । মানুষকে দুশ্চিন্তায় ধুকে ধুকে শেষ করে দিতে পারে। তাছাড়া দুশ্চিন্তা আমাদের শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর একটি দিক। আমরা যে সব সময় ভালোভাবে উৎফুল্ল মন মেজাজ নিয়ে জীবন কাটাব এমনটা কিন্তুু নয় ।
বিপরীত দিকে দুশ্চিন্তা থাকবেই জীবন চলার পথে ।তবে এই দুশ্চিন্তাকে নিজের জীবনে স্থায়ী করা ঠিক নয় বলে আমি মনে করি।
খুবই বাস্তবময় একটি পোস্ট করেছেন।। দুশ্চিন্তা খুবই জঘন্য একটা জিনিস।। যার মাঝে এই দুশ্চিন্তা রয়েছে তার লাইফে কখনো শান্তি নেই সব সময় অশান্তির মধ্যে।।
আপনি দুশ্চিন্তা নিয়ে আরো বিস্তারিতভাবে সুন্দরভাবে আলোচনা করেছেন খুবই ভালো লেগেছে আপনার পোস্টটি পড়ে।।