এক্সাম দিতে শিলিগুড়ি - শেষ পর্ব

in Incredible Indiayesterday

প্রথমেই সকলকে নমস্কার। আশা করি সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন। আমিও বেশ ভালো আছি। আজ আমি আবার একটি নতুন গল্প নিয়ে চলে এসেছি। আশা করছি আপনাদের সবার ভালো লাগবে। আজ শেয়ার করব শিলিগুড়িতে এক্সাম দেওয়া নিয়ে।
আবার পোস্টে গল্প যেখানে শেষ করেছিলাম সেখান থেকেই শুরু করছি..... পরের দিন সকাল সকাল উঠেছিলাম কারণ আমাদের এক্সাম সেন্টারে তাড়াতাড়ি ঢুকতে হতো। সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখি বৃষ্টি হচ্ছে খুব।

1000494933.jpg

আমরা তো ভাবছিলাম এক্সাম দিতে বুঝি বৃষ্টির মধ্যেই যেতে হবে, মনে হচ্ছিল বৃষ্টি এখন আর থামবে না। তারপর ফ্রেশ হতে যাই, ফ্রেশ হয়ে এসে কেক আর বিস্কুট খেয়ে নিলাম। কেক আর বিস্কুট আগের দিন রুটি খেতে গিয়েই নিয়ে এসেছিলাম।

1000494939.jpg

তারপর আমরা এক্সাম দিতে যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে নেই। এর মধ্যেই বৃষ্টি কমতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যে বৃষ্টি থেমেও যায়।
তারপর আমরা এক্সামের প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে বেরিয়ে পরি। আমাদের এক্সাম ছিল তিন ঘণ্টার। প্রথমেই ঢুকতে আমাদের এডমিট চেক করে। ভেতরে ঢুকে আমরা আমাদের রোল নম্বরের সাথে রুম নম্বর মিলিয়ে দেখে নেই কোন রুমে পড়েছে। শিলিগুড়িতে প্রথমবার এক্সাম দিতে এসেছি ভয় তো ভীষণ হচ্ছিল।

1000494935.jpg

তারপর আমরা লাইন করে যায়... যেতে যেতে আমাদের আবার চেক করা হয় মেশিন দিয়ে। তারপর আমরা আমাদের এক্সাম রুমে ঢুকি। সেখানেও একজন- একজন করে লাইন করে ঢুকতে হচ্ছিল। তারপর আমার রেজিস্ট্রেশন করে দেয় এবং আমাকে বলে দেয় কত নাম্বার কম্পিউটার ডেক্সের সামনে গিয়ে বসতে হবে। আমি নম্বর মিলিয়ে সেই ডেক্সের সামনে গিয়ে বসি, সেখানে আমার নাম ও ছবি দেখাচ্ছিল। বেশ খানিকক্ষণ বসে থাকার পর এক্সাম শুরু হয়। তবে আমার আর বিদীপ্তার এক রুমে এক্সামের সিট পড়েনি।
তিন ঘণ্টা পর এক্সাম শেষ হয় এবং এক্সাম রুম থেকে বেরিয়ে আসি। এরকম এক্সাম দেওয়ার অভিজ্ঞতা আমার প্রথম। এক্সাম আমার মোটামটি হয়েছিল।

1000494932.jpg

তারপর আমি আর বিদীপ্তা আমাদের ভাড়া নেওয়া রুমে চলে আসি এবং সেখানে ফ্রেশ হয়ে নেই তারপর সব জিনিসপত্র গুছিয়ে একেবারে বেরিয়ে পরি বাড়ি ফেরার জন্য। যেহেতু কাছে কোথাও তেমন খাওয়ার হোটেল ছিল না তাই আমরা একেবারে বাসস্ট্যান্ডের ওখানে গিয়ে একটি হোটেলে ভাত খেয়ে নেই।
তারপর আমরা বাসে উঠে পরি। তবে আমরা বাসে সিট পেয়েছিলাম একদম শেষে। প্রচণ্ড ঝাঁকি লেগেছিল আসতে। টানা চার ঘণ্টা পর আমরা রায়গঞ্জে পৌঁছাই। তারপর সেখান থেকে আবার বাসে করে বাড়ি ফিরে আসি। শিলিগুড়ি থেকে আসার সময়ের তুলনায় যাওয়ার সময় বেশি জার্নি করতে হয়েছিল। বাড়ি ফিরে এসে বিশ্বাসই করতে পারছি না শিলিগুড়ি থেকে আমরা একা একা এক্সাম দিয়ে ফিরে আসলাম।

আজ এখানেই শেষ করছি বন্ধুরা। সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।

Sort:  
Loading...

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.088
BTC 59609.55
ETH 1570.16
USDT 1.00
SBD 0.42