জন্মদিনের দিনটি কীভাবে কাটালাম - ২য় পর্ব
প্রথমেই সকলকে নমস্কার। আশা করি সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন। আমিও বেশ ভালো আছি। আজ আমি আবার একটি নতুন গল্প নিয়ে চলে এসেছি। আশা করছি আপনাদের সবার ভালো লাগবে। আজ শেয়ার করব আমার জন্মদিন নিয়ে।
আগের পোস্টে যেখানে গল্প শেষ করেছিলাম আজ সেখান থেকেই শুরু করছি। আগের পোস্টেই বলেছিলাম টিউশন পড়িয়ে বাড়ি ফিরে এসে দেখি ভাই এসেছে আর আমার জন্মদিন উপলক্ষ্যে গিফটসও এনেছিল। ভাই এনেছিল এক জোড়া কানের দুল আর দুটো পেন্সিল। যেহেতু আমি আঁকতে পছন্দ করি তাই 8B আর 10B পেন্সিল দিয়েছিল। ভাই ছোট হওয়া সত্বেও দিদির জন্মদিন কিন্তু ভোলেনি। গিফটস পেতে বেশ ভালোই লাগে।
এবার বলি বুনু আমাকে কী দিয়েছে। বুনু আমাকে দুপুরবেলাতেই গিফটস দিয়েছিল। কিন্তু আগের পোস্টে আমার বলা হয়নি তাই এখন বলছি...
বুনু আমাকে যা গিফটস দিয়েছে তা আমি কখনও ভাবিনি। আমি বুনুর গিফটস দেখে একদম হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আমি এরকম উপহার আগে কখনও পাইনি।
এবার আমার বাইশ তম জন্মদিন, তাই বুনু নিজের হাতে বাইশটি উপহার সাজিয়ে একটি বক্সের মধ্যে দিয়েছে। এটা দেখে আমি পুরোই অবাক হয়ে যাই। আমি ভাবছিলাম এরকম বুদ্ধি ওর মাথায় আসলো কী করে!
তারপর আমি এক এক করে... এক থেকে বাইশ পর্যন্ত গিফটস গুলো খুলে দেখি। গিফটস গুলো দেখতে দেখতে আমার চোখে রীতিমতো জল চলে এসেছে। এতো সুন্দর ও যত্ন সহকারে বানিয়েছে। বুনু আমার জন্মদিনটি আরও স্পেশ্যাল করে দিয়েছিল। বোনেরা হয়তো এরকমই হয়। বুনুর এই উপহার গুলোর মধ্যে অনেক ভালোবাসা জড়িয়ে ছিল। যা হয়তো কখনও মুখে প্রকাশ করা হয় না।
বুনুর উপহারের মধ্যে ছিল চুড়ি, মালা, বিভিন্নরকম চকলেট, রঙের বক্স আর আমাকে নিয়ে লেখা কয়েকটি কার্ড ইত্যাদি। বুনুর উপহার গুলো সত্যিই অসাধারণ ছিল এবং আমার কল্পনার বাইরে ছিল।
ওই যে বললাম সন্ধ্যেবেলা বাড়ি ফিরে দেখি ভাই এসেছে তারপর থেকে বলছি আবার..... বাড়ি ফিরে মায়ের হাতে হাতে একটু কাজ করে দেই। জন্মদিনের সেলিব্রেশন এখনও শুরু করতে পারছি না কারণ বনু বাড়িতে নেই। আর কেকটাও বুনু নিয়ে আসবে।
মায়ের সব রান্না শেষ হয়ে গেলে আমরা সবাই বুনুর অপেক্ষায় ছিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই বুনু কল করে যে চলে এসেছে, আমাদের রাস্তায় খুব অন্ধকার থাকায় আমি আর ভাই মিলে বুনুকে এগিয়ে আনতে যায়। ফিরে এসে আমি আমার ছোট বেলার বন্ধুকে কল করি আসার জন্য।
কয়েক মিনিট পরেই চলে আসে বিক্রম।
এরপর কী কী হলো তা পরের পোস্টে শেয়ার করব। আজ এখানেই শেষ করছি। সবাই ভালো থাকবেন। গল্পটি আপনাদের কেমন লাগলো তা অবশ্যই জানাবেন। ধন্যবাদ।