RE: অভ্যন্তরীণ শক্তি বৃদ্ধির একমাত্র উপায় নীরবতা পালন
@papiya.halder আপনার লেখাগুলো প্রায়শই আমার অন্তরাত্মা কে ছুঁয়ে যায়, বিশেষত জীবন দর্শন নিয়ে যখন আপনি কোনো লেখা তুলে ধরেন।
আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে দুটো সত্ত্বা বিরাজমান, যার একটি আমাদের সঠিক পথ প্রদর্শন করলেও অপরটি ঠিক বিপরীত পথে পরিচালিত করবার প্রয়াস করে যায়।
ধ্যান এমন একটি বিষয়, যেটিকে আপনি নির্বাক হয়ে থাকার সাথে খানিক তুলনা করেছেন, আপনার শব্দটি যদি ধরে নিজের অভিমত পোষণ করতে হয়, তাহলে বলবো, নিজেকে শান্ত করবার জন্য হোক অথবা নিজেকে খুঁজে পাবার জন্য হোক কিংবা মনের কোন সিদ্ধান্ত মেনে আগামীতে চলা উচিত সেটা বুঝতে কখনও কখনও নিজ ব্যক্তিত্ব কে অনেকখানি শিক্ষিত করা যায়।
আরেকটি বিষয় আপনি একদম সঠিক বলেছেন, চুপ মানে কিন্তু অন্যায় কে মেনে নিয়ে মুখ বুজে থাকা নয়।
সেক্ষেত্রে রুখে দাঁড়ানোর মনোবল অবশ্যই দেখাতে হবে শালীনতার বজায় রেখে।
শব্দের ধার ছুরিকাঘাতের চাইতেও অধিক, আর একবার কথা বেরিয়ে গেলে তাকে ফেরত নেওয়া সম্ভব নয়, তাই অর্থের চাইতেও কথা হিসেবের প্রয়োজনীয়তা বেশি।
আপনার মত আমিও এটাই শুনেছি বোবা, কালা দের শত্রু নেই, কিন্তু তার মানে এই নয় সুস্থ্য দেহে জন্মগ্রহণ করে ঘর তথা সমাজের মানুষকে আহত করবো!
সবটাই আসলে শৈশব শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত, আমি বিশ্বাস করি বাঁশ গাছের গোড়া থেকে বাঁশ গাছই জন্মায়! কথাটা পূর্বেও উল্লেখিত।
তাই অন্যদের পরিবর্তন, সমালোচনার পরিবর্তে নিজের নিজের কম দিকগুলো নিয়ে যদি কখনও চুপ থেকে ভাবা যায়, তাহলে সেটা বোধহয়, নিজ নিজ অন্তরাত্মা বিশুদ্ধিকরণের কাজে লাগবে!