RE: "সুস্থতার অপেক্ষায় দিন গোনা"
@sampabiswas মাঝেমধ্যে মনে হয় কিছু মানুষের কপালে কেবল ভোগান্তি লেখা থাকে!
যে অসুস্থ্য হয় তাকে যেমন কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়, তেমনি তার আশেপাশের মানুষগুলোর মানসিক পরিস্থিতি নেহাত কম কঠিন নয়!
যবে থেকে পরিচয় হয়েছে তোর সাথে এক্ একটা দুর্ঘটনা আর বিপদের মধ্যে দিয়েই যেতে দেখছি, তবে আমি সবসময় বিশ্বাস করি জীবন সবচাইতে কঠিন এবং কঠোর শিক্ষক।
হয়তো, এই ঘটনা তোকে অনেকদিক্ থেকে মানসিক ভাবে শক্ত তৈরি করতেই তিনি দিচ্ছেন!
সময় আর ঈশ্বর জানেন কারোর জন্য আগামীতে কি নির্ধারণ করে রাখা আছে।
আমি সত্যি তোর জামাইবাবু কে দেখে হতভম্ব হয়ে গেছি, একটি মানুষ যিনি সবসময় নিয়ম নিষ্ঠায় নিজেকে আবদ্ধ করে রেখেছিলেন, তারমত মানুষের এরকম পর্যায়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে, এটা অকল্পনীয়!
যার দুটো ছোটো সন্তান আছে, এবং তাদের গোটা ভবিষ্যত পড়ে রয়েছে, এমন একটি অবস্থায় পিতার উপস্থিত খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তবে, পরীক্ষায় উনি সফল হয়ে সুস্থতার সাথে ফিরে আসবেন সেই বিশ্বাস রাখি। পারিপার্শ্বিক মানুষগুলো তারজন্য যা করছে, তার ফলস্বরূপ তিনি নিশ্চই পুরোপুরি সুস্থ্য হয়ে ফিরে আসবেন।
সবার জন্য সব করতে গিয়ে নিজের দিকে তাকাতে ভুলে যাস না, আমার আবার তোকে কবে দরকার পড়বে বলা যায় না!
তুই তো মোমবাতি, যে নিজে জ্বলে, অন্যের আঁধার দুর করে। ঈশ্বরের প্রিয় সন্তান না হলে এই কপাল সকলের হয় না।
তাই, কখনও মন খারাপ করবি না, জানবি ঈশ্বর এই সুযোগ সবাইকে দেন না। ভালো থাক, আলো থাক সবসময়।
তোমার কমেন্ট পড়ে একদম চুপ হয়ে গেলাম। নিজের সম্পর্কে এতোগুলো ভালো কথা শোনার অভ্যাস নেই আমার,তাই কিছুটা অবাকও হলাম। ঈশ্বরের প্রিয় সন্তান হওয়ার যোগ্যতা হয়তো নেই, তবে হ্যাঁ মানবিকতা ও পারিবারিক শিক্ষার কারনে অনেকের অনেক ব্যবহার উপেক্ষা করে, তাদের বিপদে ছুটে যাই। ঈশ্বর আমাকে এই সুযোগ যেন ভবিষ্যতেও দেয় এটাই চাই। তোমার জন্যে কিছু করার সৌভাগ্য আমার হবে কিনা জানিনা, তবে যদি কিছু করতে পারি মনে হবে মায়ের জন্যে করলাম। তুমি এ কথা ঠিক বলেছ গত বেশ কয়েক বছর ধরে এই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতে মানসিকভাবে অনেকটাই শক্ত হয়েছি। তোমার মন্তব্য পড়ে খুব ভালো লাগলো। ভালো থেকো।