জলসিড়ি কেন্দ্রীয় মসজিদের পরে গেলেন জলসিড়ির উত্তরের একেবারে শেষ দিকে। মাঝে যে স্কুলে ঢুকতে চেয়েছিলেন গেট বন্ধ থাকায় তা সম্ভব হলো না। তবে কোলাহল মুক্ত পরিবেশে, সদ্য পিচঢালা রাস্থায় শুধু মেয়ে নয়, সাথে আপনিও বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন দেখলাম। ক্যামেরাবন্দি করার এই অভ্যাসটা খুব ভালো, যা ভবিষ্যতে এই সকলস্মৃতি রোমন্থন করার সুযোগ দেয়। বিজয় দিবস উপলক্ষে ছুটিটি শেষ করলেন বন্ধুর সাথে এক কাপ কফি খেয়ে। এর থেকে ভালো আর কি হতে পারে। ধন্যবাদ আপনাকে এতো সুন্দর একটি ভ্রমনীয় দিনের স্মৃতি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। ভালো থাকবেন।
নতুন পিচঢালা রাস্তা গুলো আসলেই অনেক মন কাড়া হয়।
ভবিষ্যতে স্মৃতি গুলো মনে রাখতে তা ক্যামেরাবন্দী করার কোন বিকল্প নেই। তাই আমি বেশি বেশি পিক তুলি কোথাও ঘুরতে গেলে।
ধন্যবাদ দিদি, আমার ২য় পর্বটিও পড়ে এত সুন্দর মন্তব্যের জন্যে