The May contest #1 by sduttaskitchen| Way to decrease pollution on earth!
আসসালামু আলাইকুম
সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে আজকের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছি, যেখানে আলোচনা করব আমাদের প্রিয় পৃথিবীকে দূষণমুক্ত রাখার কিছু বাস্তবমুখী ও প্রয়োজনীয় পদ্ধতি নিয়ে। শুরুতেই আমি আমাদের এডমিন @sduttaskitchen দিদিকে ধন্যবাদ জানাই এত সুন্দর একটি প্রতিযোগিতায় আয়োজন করার জন্য।এই প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুসারে আমি আমার তিনজন বন্ধুকে আমন্ত্রণ জানাই, @tanay123,@baizid123,@karobiamin71
আমি একজন ঘরে বসে কাজ করা মা এবং প্রতিদিনের জীবনে পরিবেশবান্ধব জীবন যাপন করার চেষ্টা করি। আমাদের ছোট্ট ছোট্ট সিদ্ধান্ত এবং অভ্যাস বদলে দিতে পারে আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ।
|
|---|
জীবনে শূন্য অপচয় বাস্তবায়ন করা মানে হলো এমন একটি জীবনধারা অনুসরণ করা যেখানে আমরা প্রতিদিনের প্রয়োজন মিটানোর সময় যতটা সম্ভব কম অপচয় করি। আমি নিজে যেসব পদ্ধতি অনুসরণ করি তা হলো:
★বাজারে গেলে প্লাস্টিকের বদলে কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করি।
★রান্নার সময় অতিরিক্ত না করে যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকুই করি।
★বাসায় আলাদা করে জৈব বর্জ্য জমিয়ে কম্পোস্ট তৈরি করি।
★পুরনো জিনিস নতুন ভাবে ব্যবহার করি, যেমন পুরনো কাপড় দিয়ে ব্যাগ তৈরি করি।
★বোতলের পানির পরিবর্তে ফিল্টার করা পানি ব্যবহার করি।
এই ছোট ছোট অভ্যাসগুলো যদি সবাই গ্রহণ করে, তবে সমাজে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।
|
|---|
source
কার্বন ডাই অক্সাইড কমানো আমাদের জলবায়ু রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ। কিছু কার্যকর উপায় হল :
★যত বেশি সম্ভব গাছ লাগানো ও পরিচর্যা করা কারণ গাছ কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে।
★অপ্রয়োজনীয় ভাবে গাড়ি ব্যবহার না করে হাটা বা সাইকেল চালানো।
★পরিবেশবান্ধব জ্বালানি যেমন সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়ানো।
★ফ্রিজ এসি ব্যবহারে সচেতনতা, কম সময় ব্যবহার করা ও সময় মত বন্ধ রাখা।
★ইলেকট্রনিক জিনিস অপ্রয়োজনে চালু না রেখে বন্ধ রাখা।
এই অভ্যাসগুলো পরিবেশে কার্বন নির্গমন কমাতে সাহায্য করে।
|
|---|
জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ সমূহ:
বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর পেছনে কিছু প্রধান কারণ রয়েছে :
★কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্যান্য গ্রিন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ :কলকারখানা যানবাহন বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বিপুল পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড বাতাসের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। এই গ্যাসগুলো পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি করে।
★বন উজার :বন্যাঞ্চল ধ্বংস হওয়ার ফলে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণের ক্ষমতা কমে যায় ফলে বাতাসের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং তাপমাত্রা আরও বাড়ে।
★জ্বালানির অপব্যবহার :অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার ডিজেল ও পেট্রোল ভিত্তিক যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পরিবেশের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
★প্লাস্টিক ও বর্জ্য দূষণ :প্লাস্টিকের ব্যবহার ও যথাযথভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় মাটি পানি ও বায়ু দূষিত হচ্ছে।
|
|---|
★গাছ লাগানো :প্রতিটি মানুষ বছরে অন্তত একটি গাছ লাগালে এবং যত্ন নিলে পৃথিবী অনেকটা সবুজ ও দূষণ মুক্ত হতে পারে।
★পূর্ণ ব্যবহারযোগ্য জিনিস ব্যবহার করা:
প্লাস্টিকের বদলে কাপড়ের ব্যাগ ধাতব বা কাঁচের বোতল ব্যবহার করুন।
★বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করা :প্রয়োজনে আলো ব্যবহার করুন অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখুন।
★সাইকেল চালানো ও হেঁটে চলা:যেখানে সম্ভব যানবাহনের পরিবর্তে সাইকেল চালানো বা হাটা পরিবেশ বান্ধব স্বাস্থ্যকর। সাইকেল চালানো বা হাঁটা পরিবেশ বান্ধব ও স্বাস্থ্যকর।
★পূর্ণ ব্যবহার ও পুনরায় ব্যবহার নীতিমালা মেনে চলা:যে জিনিসগুলো পূর্ণ ব্যবহার করা যায় সেগুলো ফেলে না দিয়ে পুনরায় ব্যবহার করুন।
আসলে পরিবেশ রক্ষা করতে হলে আমাদের প্রত্যেককেই এগিয়ে আসতে হবে। শুধু বড় উদ্যোগ নয় ঘরে বসেই ছোট ছোট কাজের মাধ্যমে আমরা বড় পরিবর্তন আনতে পারি। তাই আসুন, সবাই মিলে দূষণ রোধ করি, জলবায়ু রক্ষা করি, এবং আমাদের প্রিয় পৃথিবীকে একটি সুন্দর বাসস্থান এ পরিণত করি।
I wish you luck in the contest Ma'am
প্রথমে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাকে প্রতিযোগিতা আমন্ত্রণ জানানোর জন্য, তার পাশাপাশি বলব আপনার লেখাগুলো বেশ সুন্দর হয়েছে, আমাদের এই দেশ বা সমাজের মানুষগুলো যদি আপনার মত এরকম পদক্ষেপ নিতো তাহলে চারিদিকে পরিবেশটা আরো সুন্দর হতো,,
কিন্তুু আমরা বাঙালি যতটুকু প্রয়োজন তার থেকে দ্বিগুণ নষ্ট করি৷ তাই আমাদের পরিবেশটা এমন হয়ে আসছে,,আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজেদেরকে আরও বেশি সচেতন করা কারণ আমরা নিজের সচেতন হলে আমাদের পরিবেশটা অনেক সুন্দর হবে,,। যাইহোক পরিশেষে আপনার জন্য রইল অনেক অনেক শুভকামনা।।