হঠাৎ চায়ের নিমন্ত্রণ পাওয়া
হ্যালো স্টিমিট বন্ধুরা |
|---|
আবার ও চলে আসলাম আপনাদের মাঝে একটু সময় গল্প করার জন্য। আসলে প্রতিটা মানুষের জীবনে ব্যস্ততা রয়েছে। এমনকি বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন সময়ে মানুষের মানসিক চাপ ও একটু বেড়ে যায়। আর মানসিক চাপ কমানোর জন্য বা খানিকটা প্রশান্তির জন্য গল্পের প্রয়োজনীয়তা ও রয়েছে।তাই ভাবলাম আপনাদের সাথে একটু সময় কাটিয়ে যাই। কেমন হবে বলুন তো বন্ধুরা।আসুন। তাহলে শুরু করা যাক ।
আমার যেহেতু স্কুল খোলা তাই একটু সকালেই ঘুম থেকে উঠতে হয়। স্কুল থেকে বাসায় এসে কিছুক্ষণ পরেই পোস্ট ভেরিফিকেশন শুরু করার জন্য কমিউনিটিতে ঢুকলাম কমিউনিটিতে ঢুকে দেখি যে কোন পোস্ট নেই। তাই কিছু কমেন্ট করলাম। কমেন্টের ফাঁকে ফাঁকে কমিউনিতে ঢুকে দেখলাম যে নতুন কোন পোস্ট পরল কিনা। কিন্তু দেখলাম যে এখন অব্দি কোন পোস্ট পড়েনি। এদিকে মোবাইলের চার্জও শেষ পর্যায়ে। তাছাড়া আজকাল আবহাওয়ার অবস্থা খুব একটা ভালো না । আবহাওয়া একটু খারাপ হলেই কারেন্ট চলে যায়। তাই ভাবলাম যেহেতু পোস্ট নেই এই ফাঁকে মোবাইলটা চার্জে দিয়ে ফেলি।
তাই মোবাইলটা চার্জে দিয়ে রুম গোছাতে লাগলাম রুম গুছিয়ে যখন ঘর ঝাড়ু দিতেছিলাম তখনই আমার এক কলিগ ফোন দিয়ে বলল যে,ওর বাসায় গিয়ে চা খাওয়ার জন্য। পরক্ষণেই আমি তাকে প্রশ্ন করলাম কি ব্যাপার হঠাৎ করে চায়ের দাওয়াত দিলে যে, কোন উপলক্ষ্য আছে কিনা। সে একটু হেঁসে ই বলল আরে না এমনিতেই।
তাই আমি ঘর ঝাড়ু দেওয়া শেষ করে ঝটপট রেডি হয়ে মোবাইল এবং চার্জার সাথে নিয়েই ওর বাসায় চলে গেলাম। ওর বাসায় যেয়ে মোবাইলটা পুনরায় চার্জে দিলাম। কিছুক্ষণ গল্প করার ছলে আবার কমিউনিটিতে ঢুকলাম ঢুকে দেখি যে, নতুন পোস্ট পরেছে। তাই পোস্ট দুটো ভেরিফিকেশন করে ফেললাম। এরপর আবার মোবাইল চার্জে দিয়ে রাখলাম।
এদিকে আমার কলিগ চায়ের পানি বসিয়ে বলল যে,চল ছাদ থেকে ঘুরে আসি। তাই আমরা সবাই মিলে ছাদে গেলাম। ছাদে গিয়ে আম দেখে তো একেবারে অবাক।
কয়েকটি আম হাতে পেরে নিলাম এবং কয়েকটি ছবিও তুলে নিলাম আপনাদের সাথে শেয়ার করব বলে। ও বলেছিল যে আমের ভর্তা করবে কিন্তু সময় স্বল্পতার জন্য আমি ভর্তা বানাতে দেইনি ।তাই কয়েকটি আমার আমাদেরকে প্যাকেটে করে দিয়ে দিল বাসায় নিয়ে আসার জন্য। আল্লাহ পাক যদি হায়াতে বাঁচিয়ে রাখে আগামীকাল স্কুল থেকে এসে আমের ভর্তা করব ইনশাআল্লাহ।
ছাদ থেকে নেমে আমার কলিগ ছোলা বুট ও নুডুস রান্না করলো ,সাথে তো চা ছিলই। আরো একটি নতুন জিনিস ছিল সিলেটের স্পেশাল টোস্ট। আমি যখন সিলেট ছিলাম তখন এই টোস্টগুলো খেয়েছি ।বহুদিন পর আবার টোস্টগুলা খেলাম আসলে খুবই ভালো লাগছিল। আমার এই কলিগের ননদ আবার লন্ডনে ব থাকেন। কিছুদিন আগে এসেছে তাই সে কয়েকটি রাবার বেন্ড আমাকে উপহার হিসেবে দিল। আসলে উপহার ছোট হোক আর বড় হোক আর মূল্য অনেক। তাই আমি ও সাদরে গ্রহণ করলাম এবং নিয়ে নিলাম।
এদিকে সন্ধ্যা ঘনিয়ে রাত হয়ে গেল তাই ভাবলাম আর দেরি করা ঠিক হবে না । প্রায় রাত আটটার দিকে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। অটো রিক্সায় করে মেনগেটে এসে নামলাম এবং মেইন গেট থেকে আমাদের বাসায় হেঁটে আসলাম। গেটের পাশে রিক্সা ছিল ইচ্ছে করেই রিক্সাতে ওঠেনি ভাবলাম হেঁটে গেলে হাঁটার কাজটাও খানিকটা হয়ে যাবে। বাসায় এসে ছেলেকে নাস্তা দিলাম এবং পুনরায় পোস্ট ভেরিফিকেশন করতে বসলাম। পোস্ট ভেরিফিকেশন এর ফাঁকে ফাঁকে সংসারের টুকিটাকি কাজ ও সেরে নিলাম। সত্যি কথা বলতে কি, সংসারের কাজকর্ম সারা দিন ই কিছু না কিছু থাকে। আমার কাছে খানিকটা রাবারের মতো মনে হয়। টানলে ই বাড়ে।অথ্যাৎ,যত কাজ করি ততই যেন বাড়ে।
এরই মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা ছিল তাই আবার ডিসকর্ডে কিছুটা সময় দিলাম। তো বন্ধুরা এই ছিল আমার হঠাৎ চায়ের নিমন্ত্রণ পাওয়ার গল্প। আপনাদের কাছে কেমন লাগলো কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। আপনাদের কমেন্ট আমার লেখার উৎসাহ বরাবরই বাড়িয়ে তোলে। বন্ধুরা আজ এখানেই লেখার সমাপ্তি টানছি। সবাই ভালো থাকবে সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।
Hello👋, you have interesting diary game. It is the season of green mangoes. In our families, many drinks from it is made. The cold taste is favorite for many people. Tea is the integral part of day here also. Usually my mum needs tea twice a day.
Steem/SBD doller sell korle inbox. 01700817832 ডলার বিক্রি করলে যোগাযোগ করেন ধন্যবাদ.💖
Whatapp 01700817832
তারমানে দাঁড়ালো ঘর মোছা বাদ পড়ে গেলো বন্ধুর ডাকে!
বাহ্ বেশ! এরকম মাঝেমধ্যে বন্ধুদের সাথে সময় কাটে পারলে মানসিক চাপ খানিক কমে।
আপনার লেখার বিষয়টি সল্প কিন্তু আপনার লেখার উপস্থাপনের প্রশংসা না করে নিজের মন্তব্যে ইতি টানতে পারলাম না।
সবশেষে বলবো, কোনো কাজ অসম্পূর্ণ রাখাটা খারাপ অভ্যেস, যেমন আপনি ঘর মোছা অসম্পূর্ণ রেখেই বেরিয়ে পড়েছেন, নাকি জানিনা মুছে বেরিয়েছিলেন কিন্তু উল্লেখ করে ভুলে গেছেন!
তবে, আপনার কাঁচা আমের সাথে ছবিটিতে আপনাকে বেশ দেখাচ্ছে।
ভালো থাকুন আর সকল কাজকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে করুন এই কামনা করি।
মাঝেমধ্যে এভাবেই চায়ের দাওয়াত আমিও পেয়ে থাকি। তবে সত্যি কথা বলতে আমি চা তেমন একটা পছন্দ করি না। যার কারণে খুব বেশি একটা যাওয়া হয় না
এখানে না থাকলেও আমার বাবার বাড়িতে থাকে।কাঁচা আমের ভর্তা খেতে বেশ ভালোই লাগে। বেশ কিছুদিন আগে আমিও তৈরি করেছিলাম। ধন্যবাদ কলিগ এর সাথে কাটানো আনন্দঘন মুহূর্তটা আমাদের সাথে উপস্থাপন করার জন্য। ভালো থাকবেন।
ব্যস্ততা থাকাটা সবারই স্বাভাবিক ব্যাপার প্রত্যেক মানুষ কোন না কোন দিক দিয়ে ব্যস্ত থাকবেই ৷ আপনি ফোন চার্জ দিয়ে ঘর ঝারু দিলেন তারপর সব কাজ শেষ করে আবার চলে আসলেন স্টিমিট প্লাটফর্মে বেশ কিছু পোস্ট ভেরিফিকেশন করলেন ৷
তারপর দেখলাম চা টস সাথে সোলা বুট খাওয়া দাওয়ার আড্ডা টা বুঝি বেশ ভালোই হয়েছে ৷
যাই হোক ধন্যবাদ আপনাকে আপনার সারাদিনের কার্যক্রম গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ৷
আপনি হঠাৎ করে চায়ের নিমন্ত্রণ পেয়েছেন সেই সুন্দর মুহূর্তগুলো শেয়ার করেছেন। কাজের ফাঁকে এরকম চা খেতে খেতে আড্ডা দিতে বেশ ভালই লাগে।
সত্যি কথা বলতে গেলে আমি নিজেও একজন চাপ প্রেমি। সারাদিনে দেখা যায় চার থেকে পাঁচ বার চা না খেলে আমার মন শান্তি হয় না। যদিও জানি এত চা খাওয়া শরীরের জন্য ভালো না কিন্তু তবুও মন মানে না।
হুটহাট দাওয়াত পেতে ভালোই লাগে, আর সে দাওয়াত চায়েরই হোক কিংবা অন্য কিছুরই হোক।
তবে এমন দাওয়াত পেলে সাথে সাথে মাথায় একটা প্রশ্ন আসে যে,আসলেই কি এম্নিই দাওয়াত নাকি সাথে আরো কিছু প্রোগাম আছে। আর এই প্রশ্নটা আপনার মাঝেও এসেছিলো।
আম মাখা খেতে ভালোই লাগে। আমের সাথে আপনার ছবিটাতে সুন্দর লআপনার লেখা পড়ে ভালো লাগলো।
এত চমৎকার করে এই লেখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।