আত্মার প্রতিশোধ
পুরান ঢাকার সেই ২৬৭ নাম্বার বাড়ির পাঁচতলার দ্বিতীয় নম্বর ফ্লাটে!তানিয়ার সাথে ঠিক কি হয়েছিল? এমনই একটা গোলক ধাঁধার গল্প নিয়ে,,, আজকে আমি হাজির হয়ে গেলাম আপনাদের সাথে! গল্পটা কিছুটা আতঙ্কের,, চলুন দেরি না করে,,, গল্পটা শুরু করা যাক।
আত্মার প্রতিশোধ |
|---|
তানিয়া মধ্য বয়সী একজন মহিলা,,, বয়স ৩০ হবে! বিয়ে করেননি,,, কারণ তিনি স্বাধীনতা খুব পছন্দ করেন! তিনি একজন জার্নালিস্ট,,, সাংবাদিকতা কে নিজের পেশা হিসেবে মেনে নিয়েছেন! এটা তার কাছে এতটাই ভালো লাগে যে,,, বিয়ে করলে সাংবাদিকতার মধ্যে কোন আঘাত করবে কিনা! সেই ভাবনায় তিনি বিয়েই করেননি।
বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান,,, মেয়ের সুখের জন্য বাবা-মা বিয়ের জন্য চাপ দেয় নি! বাবা-মা থাকে টাঙ্গাইলে! মেয়ে থাকে ঢাকা শহরে, একাই থাকে! তেমন কারো সাথে পদ পরিচিত নেই! তবে সবার সাথে মিশতে অনেক ভালোবাসে।
অফিস থেকে তার সাথে একটা ফটোগ্রাফার কে দেয়া হয়েছিল! যার নাম হচ্ছে রনি! ছেলেটা দেখতে শুনতে ভালই! রনি আর তানিয়ার মধ্যে সম্পর্ক ছিল,, ভাই বোনের! তাই তানিয়া রনি কে তুই করে সব সময় সম্বোধন করতো।
একদিন অফিসের কাজ শেষে,, দুইজন রাস্তা দিয়ে হাঁটছিল,,, হঠাৎ করে রনি তানিয়াকে বলল।
রনি:- আপু চলো,,, আমি ওই টং এর দোকানে গিয়ে চা খাই।
- তানিয়ার ও কাজ করতে করতে,, প্রচন্ড মাথা ধরে গেছে তাই আর রনিকে বারণ করল না! দুজন মিলে টং এর দোকানে বসে চা খাওয়া শুরু করল।
চা খাওয়ার একটা পর্যায়ে,,, রনির সিগারেট খাওয়ার অভ্যাস ছিল! সে সিগারেট ধরিয়ে বসলো।
তানিয়া:- আচ্ছা রনি তুই সিগারেট খেয়ে কি মজা পাস বলতো আমাকে? সিগারেটটা কি তুই ছাড়তে পারবি না।
রনি:- আপু আমি সিগারেট খেয়ে কি মজা পাই! সেটা যদি তুমি বুঝতে! তাহলে তুমি নিজেও সিগারেট খেতে! আচ্ছা তুমি আমাকে বলতো? তুমি কি সাংবাদিকতা ছাড়তে পারবে।
তানিয়া:- আরে বোকা আমি কেন,,, সাংবাদিকতা ছাড়তে যাব।
রনি:- তাহলে আমি কেন সিগারেট ছাড়তে যাব! এই বলে দুজন হেসে উঠলো।
তানিয়া:- আচ্ছা ঠিক আছে! এবার অফিসে চল! নতুন বস অনেক রাগী,, নুন থেকে চুন ঘষলেই,, আবার বকাবকি শুরু করে দেবে।
রনি:- আচ্ছা আপু তুমি উনার এত প্যারা সহ্য করা কেন! তুমি চাকরিটা ছেড়ে দিলে তো,, আরো ভালো চাকরি পাবে।
তানিয়া:-দেখ ঠিক আছে আমি আরো ভালো চাকরি পাব! কিন্তু আমার পদ পরিচিতি,, আমি এখান আসার পরেই হয়েছে এই ছোট্ট পত্রিকা অফিসের মাধ্যমে,, হয়েছে তাই চাইলেও এটাকে ছাড়তে চাইছি না।
এ কথা বলে দুজন অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা দিলো! এবং অফিসে এসে পৌঁছালো! আজকের যে কাজগুলো ছিল সেগুলো জমা দিয়ে,, অফিসের ব্যক্তিগত কিছু কাজ করতে করতে,, প্রায় অনেক রাত হয়ে গেল।
বাড়িতে এসে তানিয়া কেমন জানি হাঁপিয়ে উঠেছে! আজকে কয়েকদিন তার এমন লাগছে,,, বাসায় একা থাকে এটাও তার ভালো লাগে না।
আজকে অনেক রাত হয়ে গেছে,,, মাথাটা ও প্রচন্ড ধরেছে! তাই তানিয়া ভাবল এক কাপ কফি বানিয়ে খাওয়া যাক! নিজের মনে নিজের চিন্তা করতে করতে,,, কিচেনে গিয়ে এক কাপ কফি বানিয়ে ফেললো।
তানিয়ার একটা অভ্যাস ছিল! সে প্রচুর পরিমাণে বই পড়তো! এটা হয়তোবা বলতে পারেন তার নেশা! তেমনি সে রাত সাড়ে এগারোটার দিকে বইটা হাতে নিয়ে পড়তে বসল,,, তার রুমের জানালার পাশে।
বই পড়তে পড়তে রাত তখন প্রায় দুইটা বেজে গেছে!তানিয়া জানালার দিকে তাকালো,,, এবং বাইরে দেখল,,, রাস্তার মধ্যে একটা মেয়ে বসে আছে!
চলবে.......
আমার গল্পের প্রত্যেকটা চরিত্র কাল্পনিক! স্থান কাল্পনিক! এটার সাথে বাস্তবতার কোন মিল নেই! আমি নিজে গল্পটা লিখেছি! আশা করি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে! যদি ভালো লেগে থাকে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন! পরবর্তী পর্ব খুব তাড়াতাড়ি চলে আসবে।
আজ আর লিখছি না! এ পর্যন্তই থাক! সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন! এই কামনা করে আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি! আল্লাহ হাফেজ!
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
খুবই সুন্দর একটি গল্প আমাদের মাঝে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন যেটা পড়ে বেশ ভালো লাগলো গল্পটি পড়তে পড়তে খুবই মনোযোগ চলে গিয়েছিলো আপনার পোষ্টের মাধ্যমে যাইহোক পরবর্তী পোস্টের জন্য অপেক্ষায় রইলাম আশা করব খুবই তাড়াতাড়ি আমাদের মাঝে আপনার পরবর্তী পোস্ট শেয়ার করবেন।
প্রিয় আপু এতটুকু পড়ে মনে হল গল্পটি বেশ ইন্টারেস্টিং। অপেক্ষায় রইলাম পুরো গল্পটি পড়ার জন্য। ভালো থাকবেন সব সময় এবং আমাদের এইসব গল্প উপহার দিয়ে যাবেন আশা রাখি।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য।