ফটোগ্রাফি :- অপরাজিতা ফুলের ফটোগ্রাফি
Hello Everyone,,,
কেমন আছেন বন্ধুরা, আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনাদের সবার সুস্থা এবং ভালো থাকা কামনা করছি। ঈশ্বরের কৃপায় আমিও ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজও আপনাদের মাঝে হাজির হলাম নতুন একটা পোস্ট নিয়ে। চলুন তাহলে আর দেরি না করে শুরু করা যাক।
অপরাজিতা ফুলের ফটোগ্রাফি,,,
আমি আমার পরিচিতি মূলক পোস্টে বলেছিলাম আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব পছন্দ করি। তাই আমি কোথাও গেলে সেখানকার বিভিন্ন ধরনের জিনিসের ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করি। বিশেষ করে ফুল-ফল, বিভিন্ন ধরনের পশুপাখি এবং প্রাকৃতিক দৃশ্যের। কারণ আমি প্রকৃতির এবং পশুপাখির ফটোগ্রাফি করতে খুব পছন্দ করি। এর ভিতর থেকে সব থেকে বেশি পছন্দের ফুলের ফটোগ্রাফি করা। সেটা হোক যে কোনো ফুল। ফুল সবার পছন্দের। আমারও খুব পছন্দের জিনিস ফুল। কারণ ফুলের যে সৌন্দর্য তা আর কিছুতে আছে বলে আমার মনে হয় না। ফুলকে ভালোবাসার প্রতিকও বলা হয়ে থাকে। তাই যে ফুলকে ভালোবাসে না সে মানুষের ভিতরে পড়ে বলে আমি মনে করি না। তাই আমি যখনই সময় পাই তখনই ফুলের ফটোগ্রাফি করা শুরু করে দেই। আমি মনে করি ফটোগ্রাফি করাটা ও একটা শিল্প। যেটা আমার খুবই ভালো লাগে।
তাই আজ বাড়ির পাশে ফুটে থাকা একটি ফুলের ফটোগ্রাফি করে ফেললাম। আশা করি আপনাদের পছন্দ হবে। ফুলির নাম অপরাজিতা। তবে আমাদের গ্রাম অঞ্চলের অনেক মানুষ ফুলটিকে নীলকন্ঠ ফুলও বলে থাকে। আমার মনে হয় ফুলটির রং নীল হওয়ার কারণে লোকজন এমনটা বলে থাকে। যাই হোক, তবে ফুলটির আসল নাম অপরাজিতা। এই ফুল গাছটি দেখতে সিম গাছের মতো। অন্য গাছের মতো এই গাছটির শক্ত কোন ডালপালা হয় না। এই অপরাজিতা ফুল গাছটি সরু লতা পাতা বিশিষ্ট। এই গাছটি অন্য গাছ বেয়ে বেয়ে অনেক উপর পর্যন্ত যেতে পারে। অপরাজিতা ফুলটি অন্য ফুলের থেকে বেশি উপরে ফুটে থাকে। আপনাদের দেখার সুবিধার্থে আমি ফুলটি পেড়ে এনেছি।
অপরাজিতা ফুলটি দেখতে যতটা সুন্দর ঠিক তত টাই রয়েছে এর উপকারিতা। গতকাল হাতে তেমন কোন কাজ না থাকায় ইউটিউবে ভিড়িও দেখছিলাম। তখন অপরাজিতা ফুলের একটা ভিডিও সামনে আসে। সেই ভিডিওতে দেখলাম অপরাজিতা ফুল দিয়ে চা তৈরি করে খাচ্ছে। সেখান থেকে জানতে পারলাম অপরাজিতা ফুলের চা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারি।এই চা ম্যাজিক চা এবং ব্লু টি নামে অনেক পরিচিতি লাভ করেছে। এই অপরাজিতা ফুলের চা প্রতিদিন সকালে খেলে চুল পড়া কম করে, সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে, ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়, স্ট্রেস দূর করে, স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি করে, লিভার সুরক্ষা করে ইত্যাদি। তাই আমাদের সকলেরই উচিত প্রতিদিন সকালে এক কাপ অপরাজিতা ফুলের চা পান করা। এতে আমাদের স্বাস্থ্যের অনেক উপকার হবে।
আজ এই পর্যন্ত। কাল আবার দেখা হবে অন্য কোনো পোস্ট নিয়ে। ততক্ষণ সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ধন্যবাদ।
আমি কিন্তু এই ফুলকে অপরাজিতা না বরং নীলকন্ঠ নামে জানি। অপরাজিতা এই প্রজাতির ফুল যেটার রং ধবধবে সাদা ওটাকে বলা হয়। এমনকি এই নীলকন্ঠ ফুল শনি ঠাকুরের পূজোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। হয়তো অঞ্চল ভেদে নাম ভিন্ন।
তবে আপনি যদি এপাশ ওপাশ করে আরো কয়েকটি ছবি তুলতেন লেখাটা দেখতে আরো বেশি ভালো লাগতো। প্রতিটি উদ্ভিদ এবং এটার ফুল ও ফল অনেক গুণে গুণান্বিত।
হয়তো না জানার কারণে আমরা এটার গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারি না। এই ফুলটি আমাদের পুজোর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু এটার পরেও যেন ফুলটি এখন বিলুপ্তির পথে প্রায়।
পাশাপাশি আপনি ফুলটির অনেক উপকারী দিক উপস্থাপন করেছেন যে সকল তথ্য আমার সম্পূর্ণ জানা ছিল না। এক কথায় আপনার সম্পূর্ণ লেখাটি বেশ তথ্যবহুল ছিল।
বাহ অপরাজিতা ফুল আমার ভীষণ প্রিয়। শুধু অপরাজিতা বললেই ভুল হবে ।সমস্ত ফুল আমার ভালো লাগে। ফুল একটা অন্যরকমই জিনিস ।ফুল দেখলে সকলেরই মন এমনি ভালো হয়ে যায়। তবে নীল অপরাজিতার একটা অন্যরকম সৌন্দর্য আছে। এখন অপরাজিতা বিভিন্ন রকমের হয়। তবে শিবের পুজোয় অপরাজিতা ফুল তো লাগেই। ফুল নিয়ে সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।