কলার কেক
সর্বপ্রথমে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি steemit এর সকল সদস্যকে। কেমন আছেন আপনারা সবাই? আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভালো আছি। আজকে আমি বিকেলের নাস্তার জন্য কি করবো ভাবছিলাম। ঘরে আনা হয়েছে সাগর কলা। আমার ছেলেমেয়ে খুব একটা কলা খেতে পছন্দ করেনা। তা-ই ভাবলাম কলা দিয়ে কিছু একটা নাস্তা তৈরী করে দেই।
যেই ভাবা সেই কাজ কেক বানিয়ে দিলাম আর বাড়ির সবাই সোনামুখ করে খেয়েও নিলো। আসুন তাহলে আমি কিভাবে এই কেকটা বানালাম তা আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
রেসিপি তৈরির উপকরণ সমূহ
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| ময়দা/আটা | ১ কাপ |
| চিনি | ১/৩ কাপ |
| তেল | ১/২ কাপ |
| ডিম | ২টি |
| কলা | ১টা |
| ভ্যানিলা এসেন্স | ১/২ চা চামচ |
| বেকিং সোডা | ১/২ চা চামচ |
| খাওয়ার সোডা | ১/৪ চা চামচ |
| তরল দুধ | ১/২ কাপ |
প্রনালী
১ম ধাপ:
প্রথমে ডিম ফ্রিজ থেকে বের করে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় করে নিতে হবে।
আর কলাকে কাটা চামচের সাহায্যে চটকে নিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে।
ময়দা, বেকিং পাউডার, বেকিং সোডা সব উপকরণ একসাথে চালুনি দিয়ে চেলে রাখতে হবে।
যে পাত্রে কেক বেক করা হবে সেই পাত্রে কাগজের টুকরো দিয়ে ব্রাশের সাহায্যে তেল মাখিয়ে নিয়ে রাখতে হবে।
২য় ধাপ:
- একটি পাত্রে ডিম আর চিনি একসাথে মিশিয়ে নিতে হবে বিটারের সাহায্যে। বিটার না থাকলে কাটা চামচ দিয়েও করা যাবে। চিনি ডিমের সাথে মিশে গেলে অল্প অল্প তেল দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে। কলার পেস্ট, ভ্যানিলা এসেন্স মিশিয়ে দিতে হবে।
- এরপরে শুকনো উপকরণ গুলো অল্প অল্প করে মিশিয়ে নিতে হবে। আর মিশিয়ে নিতে হবে ভালো করে। এই সময় ব্যাটার টা ঘন মনে হলে ২/৩ টেবিল চামচ তরল দুধ মিশিয়ে নিয়ে একটু পাতলা করে নিতে হবে। কলার পেস্ট দেয়ার জন্য এই কেকে দুধের পরিমাণ কম লাগবে। এ-ই ব্যাটারটিতে যেন কোনো প্রকার দানা না থাকে।
- ইলেকট্রিক ওভেন টি ১৮০ ডিগ্রী তাপমাত্রায় প্রিহিটেড করতে হবে। এরপর ৪০ মিনিট সময় পর্যন্ত বেক করুন কেকটি। এরপর টুথপিক দিয়ে পরীক্ষা করে দেখুন কেক হয়েছে কিনা। না হলে আরও কিছুক্ষণ বেক করুন।
চুলায় বানানো পদ্ধতি :
প্রথমে চুলায় একটি বড় থেকে সসপ্যান বা হাঁড়ি বসিয়ে নিন। এরপর আপনার কাছে স্টিলের স্ট্যান্ড থাকলে তা সসপ্যান বা হাঁড়ির ভেতর বসিয়ে দিন অথবা প্যানের ভেতরে দেড় থেকে দুই ইঞ্চি পুরু করে বালি দিন। এরপর কেকের মিশ্রণের পাত্রটি বড় সসপ্যানের ভেতর বসিয়ে দিন। আর তারপর মাঝারি আঁচে পাত্রটি গরম করুন। এরপর সসপ্যান বা হাঁড়ি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। ১ ঘণ্টা পর টুথপিক দিয়ে কেক হয়েছে কিনা পরীক্ষা করে দেখুন। না হলে আরও ১৫/২০ মিনিট বেক করুন।
এরপর ওভেন থেকে বের করে ঠান্ডা হওয়ার জন্য কিছুক্ষণ রেখে দিন কেকটি। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে পরিবেশন করুন সকলকে নিজের হাতে বানানো মজাদার কলার কেক।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা পোস্ট আমাদের মাজে শেয়ার করার জন্য।
খুব সুন্দর হয়েছে কলার কেক আমি বাসায় চেষ্টা করবো, আমার ছেলেমেয়ে খুব একটা কলা খেতে পছন্দ করেনা। তা-ই ভাবলাম কলা দিয়ে কিছু একটা নাস্তা তৈরী করে দেই।
যেই ভাবা সেই কাজ কেক বানিয়ে দিলাম আর বাড়ির সবাই সোনামুখ করে খেয়েও নিলো খুব সুন্দর এটা উপায় বাচ্চাদের খাওয়ানোর জন্য।
আপনার জন্য রইল অনেক অনেক শুভকামনা।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
বাসায় চেষ্টা করতে পারেন ভালো হয় খেতে।
যখন আপনাদের পোষ্টের মাধ্যমে নতুন কোন রেসিপি দেখতে পায় তখন খুবই ভালো লাগে আসলে এই রেসিপির কথা আমি আগে কখনো জানতাম না যেগুলো আপনাদের পোষ্টের মাধ্যমে জানতে পারি, আপনি আজ এমন একটি রেসিপি নিয়ে চলে এসেছেন আমাদের মাঝে আসলে এই রেসিপির কথা আমার জানা ছিলো না। কলার কেক আমি কখনো খেতে পারিনি কিন্তু আপনার পোস্টটি দেখে মনে হল একবার চেষ্টা করে দেখব কারন আপনার করার কেক দেখে মনে হল খুবই সুস্বাদু হবে খেতে.. ধন্যবাদ আপনাকে অনেক সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে ভাগ করে নেওয়ার জন্য।
আমাদের পোস্টের মাধ্যমে আপনি নতুন কিছু শিখতে পারছেন জেনে খুব আনন্দিত হলাম।এই রেসিপি অনেক পুরনো একটা রেসিপি। আমি আমার খালামনির কাছে কিছু রান্না শিখেছিলাম তার মধ্যে কিছু আপনাদের সাথে শেয়ার করছি এবং ইনশা আল্লাহ বেঁচে থাকলে পরবর্তীতে আরও করবো।
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই সুন্দর মন্তব্য করে আমাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এতো সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।আর আপনি যে বাসায় বসে কেক তৈরি করেছেন সেটা সত্যি অনেক ভালো লাগলো থেকে আশা করি যারা কেক টা খেয়েছে তারা অনেক প্রশংসা করেছে আপনার।আর আমরা চেষ্টা করলে সব কিছু করাই সম্ভব যেমনটা আপনি বাসায় বসে কেক বানিয়েছেন। এটা আপনি চেষ্টা না করলে কোনদিন হত না।
ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আর পরিবার ও নিজের খেয়াল রাখবেন।
আশা করি যারা কেক টা খেয়েছে তারা অনেক প্রশংসা করেছে আপনার। আর আমরা চেষ্টা করলে সব কিছু করাই সম্ভব যেমনটা আপনি বাসায় বসে কেক বানিয়েছেন।
সত্যিই ভাই খেয়ে সবাই খুব পছন্দ করেছে। অবশ্যই চেষ্টা করলে ঘরেই আমরা এইরকম রান্না করতে পারি যা স্বাস্থ্য সম্মত।
অনেক ধন্যবাদ ভাই আপনার সুন্দর মতামতের জন্য।
কলা আমাদের সাস্থের জন্য খুব উপকারী। আর এই কলা দিয়ে এমন চমৎকার একটা কেকের রেসেপি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে । ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন সবসময় এই শুভকামনা রইলো আপনার জন্য