বৃষ্টি সিক্ত প্রকৃতি।
দুপুরের শুভেচ্ছা সকলকে,
বর্তমান প্রকৃতি যে রূপ ধারণ করেছে, এই অবস্থাতেই আমার মনে হয় পৃথিবীর প্রত্যেকটি দেশ এবং প্রত্যেকটি প্রান্ত প্রতীক্ষায় রয়েছে সেই কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির জন্য।
হঠাৎ যখন আকাশে মেঘ করে এবং তারপর বৃষ্টির দেখা মেলে, এরকম কিছু মুহূর্তের অনুভূতি এবং প্রকৃতিকে সাথে নিয়ে আমি চলে এসেছি আপনাদের মাঝে।
আমরা মানুষ জাতি, আমাদের চাহিদা গুলো সীমাহীন। কিন্তু প্রকৃতির অবদান অনুসারে প্রকৃতির চাহিদা খুবই সীমিত। আর যার জন্য শুধুমাত্র বৃষ্টি হলেই প্রকৃতি তার সৌন্দর্যে ফিরে আসে।
লক্ষ্য করলেই স্ব-চক্ষে এবং আমার উপস্থাপিত ফটোগ্রাফিতে আপনারা দেখতে পারবেন, বৃষ্টির জলে স্নান করে গাছগুলো তার প্রাকৃতিক রং ধারণ করেছে। তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত এবং প্রত্যাশিত এই বৃষ্টির জলকে উপভোগ করছে।
বৃষ্টির জলে সিদ্ধ হয়েছে পিচ ঢালা রাস্তা। রাস্তার ধুলোবালি জলের স্পর্শে নিচে নেমে গিয়েছে। এক কথায় পিস ঢালা এই রাস্তা কে করেছে ধুলাবালি মুক্ত।
অনেকে ইচ্ছা করে এই বৃষ্টির সংস্পর্শে আসার জন্য বাইরে বেরিয়েছে ছাতা ছাড়া। আপনারা ফটোগ্রাফিতে দেখতেই পাচ্ছেন দুইজন মধ্য বয়সী মানুষ যারা ছাতা ছাড়া রাস্তা দিয়ে হাঁটছেন।
তবে দুঃখজনক হলেও এটা সত্যি যে বর্তমান প্রজন্মের কাউকেই এই অবস্থায় রাস্তাতে দেখা যাবে না। কারণ তারা প্রযুক্তির খারাপ ব্যবহারটাকে গ্রহণ করেছে। যার জন্য কিছুটা হলেও প্রযুক্তির যন্ত্র তাদের মস্তিষ্ক বিগড়ে দিয়েছে বলা যায়।
যে কারণে বৃষ্টিকে ঘিরে এত কথা বলে ফেললামঃ
প্রকৃতি যদি বাঁচে তাহলে পৃথিবীর প্রাণীরকূল সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে পারবে।
আর এই প্রকৃতিকে রক্ষার জন্য দৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই।
আমরা প্রত্যেকেই যদি নিজেদের বাড়িতে লক্ষ্য করি তাহলে দেখতে পাবো বর্তমান প্রকৃতিয়ার পাঁচ বছর আগের প্রকৃতির মধ্যে অনেক পার্থক্য।
বৈশাখ মাস আসতে না আসতেই আগে কালবৈশাখীর দেখা মিলত। আম বাগানের মালিক আমতলাতে পৌঁছানোর আগেই আল কুরআন প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যেতো।
- প্রকৃতির বৈরীতার জন্য এখন আর সেই পুরনো আম গাছ গুলো নেই। যার জন্য দেখা যায় হয়তোবা প্রতিযোগিতাও নেই।
আসলে উদ্ভিদ কোল কে বাঁচাতে হলে বৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই। উদ্ভিদের একমাত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ খাবার হচ্ছে জল।
উদ্ভিদের জন্য পুষ্টিকর খাবার হচ্ছে এই বৃষ্টির জল। আমরা সবাই পুষ্টিকর খাবারের গুরুত্ব সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত রয়েছি। এটা আর নতুন করে বলার কোনো অপেক্ষা রাখে না।
প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষেত্রে বৃষ্টির গুরুত্বঃ
বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুসারে পৃথিবীর নব্বই/পঁচাত্তর শতাংশই জল। কিন্তু যার মধ্যে মাত্র দুই শতাংশ মানুষের পান করার জন্য উপযুক্ত।
অথচ বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটা জল এ মানুষের পানের জন্য উপযুক্ত। শুধুমাত্র এটা না বরং আরো বেশি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ।
বৃষ্টির জলের উপকারিতা জানতে হলে গ্রাম বাংলার কৃষকের কাছে প্রশ্ন জাহির করতে হবে। যদিও তাদের নামের সাথে কোন বড় ডিগ্রী নেই কিন্তু তারা এটার বাস্তব প্রমাণ দিতে পারে।
বৃষ্টির জল এতটাই উপকারী, যে রাসায়নিক কীটনাশক ও ওষুধের পর্যন্ত প্রয়োজন হয় না যদি সঠিক পরিমাণে এবং সঠিক সময়ে বৃষ্টি হয়।
তাছাড়া প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য প্রত্যেকটি দেশের যে স্থলভাগ রয়েছে তার পঁচিশ শতাংশ বনভূমি থাকা অত্যাবশ্যকীয়। কিন্তু বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে স্থলভাগের তুলনায় এটার মরুভূমির পরিমাণ রয়েছে মাত্র সতের শতাংশ।
আর এই বনভূমি কম থাকার যে ফলাফল সেটা আমরা এখন ভোগ করছি। বনভূমি অর্থাৎ বৃক্ষ দৃষ্টি ঘটাতে সহযোগিতা করে।
উপসংহারঃ
তবে সহজ কথা য় বলতে গেলে এটাই বলতে হবে যে বৃষ্টি হলেই প্রকৃতি বাঁচবে। প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বৃষ্টিপাত খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আজকের লেখাটি এখানেই সমাপ্ত করছি। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
বেশ ভালো লাগলো আপনার ফটোগ্রাফি দেখে আপু। আমাদের এখানে এখনো বৃষ্টির কোন দেখা নেই। সত্যি এই সময়টায় বৃষ্টি আমাদের জন্য খুব দরকার। চারিদিকে শুধু গরম গরম । আজ প্রকৃতি যেন অনেক উত্তপ্ত।
আপনার লিখাগুলো পড়ে অনেক নতুন কিছু বিষয় জানলাম। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর লিখা আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য। ভালো থাকবেন সবসময়।
Thank you so much 🥰🥰💞 brother for your meaningful words.
বৃষ্টির অনুভূতিটা অন্য আরেকটি ভুবনে চলে যাওয়ার মত গরমের মাঝে যদি বৃষ্টি হয় তাহলে খুবই সুন্দর লাগে পরিবেশটি আপনি অনেক সুন্দর সুন্দর বেশ কিছুটা ফটোগ্রাফি আপনার পোষ্টের মাধ্যমে ব্যবহার করেছেন যেগুলো দেখতে আসলেই অনেক সুন্দর লাগলো আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
অনেক ধন্যবাদ ভাই, এত সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
আপনার পোস্ট পড়ে বুঝতে পারলাম আপনি বৃষ্টি গুরুত্ব নিয়ে বেস চমৎকার বিষয় গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন,,, আসলেই বৃষ্টি হলে প্রকৃতি তার নিজেস্ব রুপ বা রং ফিরে পায়,,,
বৃষ্টি বর্তমান বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর সব রাষ্ট্রে বৃষ্টির এখন অনেক দরকার,,আপনি আমাদের মাঝে আরো কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে বলেছেন তা হলো দুজন মধ্যে বয়সে লোক নিয়ে একটা কথা বলেছেন,,,,
এরুপ এখন এই যুগের ছেলে মেয়ে এই বৃষ্টির আনন্দ কখনো উপভোগ করতে পারবে না,,,কারন বর্তমান এই ছেলে মেয়ে তাদের মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত।
ব্যস্তব মুখী কিছু বিষয় নিয়ে উপস্থিত আমাদের মাঝে আরো বেশি বেশি এরকম পোস্ট করবেন বলে আশা করি ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
অনেক ধন্যবাদ প্রিয় ভাই, আমার লেখাতে এতো সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
আপনার বৃষ্টির পোস্ট পড়ে না খুব লোভ লেগে গেল। আমাদের এখানে প্রচন্ড গরম। তার ওপরে শরীরের অবস্থা তেমন একটা ভালো নেই। এই গরমে অস্বস্তি লাগছে মোটামুটি।
আপনি বৃষ্টির দিনের গুরুত্ব সম্পর্কে আমাদের সাথে আলোচনা করেছেন। আসলে সৃষ্টিকর্তা এই পৃথিবীতে সব কিছুই আমাদের ভালোর জন্যই করে থাকে,,, বৃষ্টি ও তার মধ্যে অন্যতম।
প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর বৃষ্টির গুরুত্ব অপরিসীম। যেটা আপনি আপনার পোস্টে উল্লেখ করেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে,,, বৃষ্টির দিন নিয়ে এত সুন্দর কিছু কথা আমাদের সাথে উপস্থাপন করার জন্য। সেই সাথে এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল। সৃষ্টিকর্তা আপনাকে সবসময় ভালো রাখুক সুস্থ রাখুক। ভালো থাকবেন।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি মন্তব্য প্রদান করার জন্য।
বৃষ্টি প্রকৃতিকে দেয় নব রূপ। বৃষ্টির পরে প্রকৃতি সাজে নতুনরূপে। ধন্যবাদ দিদি বৃষ্টি নিয়ে এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
@xhadhin ভাই এখন আর # tag ব্যবহার না করলেও চলবে। যদি কমিউনিটির পিন পোস্টগুলো পড়েন তাহলে কমিউনিটির বিভিন্ন আপডেট বিষয়গুলো জানতে পারবেন (ধন্যবাদ)
thank you brother for your kind information.
Thank you so much brother for your valuable words .